Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following তাহাই বাবুজি.

তাহাই বাবুজি তাহাই বাবুজি > Quotes

 

 (?)
Quotes are added by the Goodreads community and are not verified by Goodreads. (Learn more)
Showing 1-30 of 35
“এ শহরে কতকিছু দেহি
বাস দেখি ট্রাক দেখি ছোটো ছোটো গাড়ি দেহি
মানুষের ভীড় ঠেইলা কতেককে দৌড়াইয়া বাসে উঠতে দেহি
অবসরে অনেকরে রাস্তায় বইস্যা থাকতে দেহি
ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে কত কাক কুকুরের ভীড় দেহি
বড় বড় দালানরে আকাশ ছুঁইতে দেহি
নিউমার্কেটের ফুটপাতে দেড়শো-দুইশো বইল্যা চিল্লানো হকার দেহি
নীলক্ষেতে স্বত্বহীন কত উপন্যাস গল্পের বই দেহি
বইয়ের পাতায় কতশত নারী চরিত্র দেহি
শুধু তোমারে দেহি না শকুন্তলা
নীল আকাশে মাথার উপরে অনেক চিল উড়তে দেখি
ওরা কি তোমারে দেখে শকুন্তলা?”
তাহাই বাবুজি
“যে এসেছিলো আলোর মতো নিঃশব্দে
জীবনে
খেলার ছলে কখন সন্ধ্যা নেমেছিল
পাইনি তো টের !
রাত পোহালেই সে কি আসিবে জীবনে
ফের?
জীবনেরই কল্যাণে দিনের শেষে তবুও
প্রেম জাগে মনে।”
তাহাই বাবুজি
“আমি যাকে ভালোবেসে ডাকিয়াছিলাম কাছে,-
কবে তাকে ভুলে গেছি; কোথায় সে চলে গেছে
নাই তাহার হদিস;— যানজট ভীড় ফেলে দূরে
বহুদূরে একা চলে গেছে;— সব ধুলো ঝেড়ে
কাহার সাথে সে ঘুরে শাটল ট্রেনে—পাহাড়ে;
কোন যুবকের প্রেম, ডেকে নেয় কাছে তারে,-
তার উষ্ণতার স্বাদে যুবক হয় উন্মাদ?
বিচ্ছেদের ভীড়ে— প্রেম গাঁথা হয় কি প্রবাদ?”
তাহাই বাবুজি
“ভরা ভরা দুঃখে
আঁখি ভরা জল ;
ডুবে গেছে হৃদয়
হারাইছি অতল।

পাইনি ঠাঁই!
গাইনি তাই
গান-কবিতা-
পাইছি শুধু ব্যথা।

দিয়েছি ফুল ;
করেছি ভুল!
কেউ জানে না,
হারাইছি দুকূল।”
তাহাই বাবুজি
“পৃথিবীর এইসব প্রেমে, অযাচিত বিষন্নতা;
জীবনের শেষ হলে, আমি না থাকিলে রবে বেশ
তুমি;— ঝিলমিল আলো পৃথিবীতে, চারিপাশে; বার্তা
পৌঁছাবে না কোনোদিনই;—”
তাহাই বাবুজি
“কিছু কথা অপঠিত থেকে যায়.
বেদনার সব কথা মানুষ বলে না!
কিছু কবিতা অলিখিত থেকে যায়.
বেদনার সব কবিতা প্রকাশ হয় না!
মানুষের কত ব্যথা-ক্ষত সেড়ে যায়.
শুধু সাড়ে না বুকের বাঁপাশের ক্ষত-ব্যথা!”
তাহাই বাবুজি
“আমি নিভৃত নির্জন ;—
হয়তো ডাহুকের মতো,
হয়তো দেখিতে পাবেন পৃথিবীর
কোনো নির্জন বনে।”
তাহাই বাবুজি
“পৃথিবীর এইসব, আলোর আলোচনায়
মিশে আছে অসম্ভব অন্ধকার;—
দু‘হাতে ধরেছিলাম যে হাত,— ঝাপসা
আজ দু‘চোখের ধার।”
তাহাই বাবুজি
“তোমাকে না পেয়ে বোধহয় ভালো হয়েছে
পেয়ে গেলে হয়তো বুঝতামই না
তোমাকে কতখানি ভালোবাসি!”
তাহাই বাবুজি
“পাখিদের কোনো ভিসা
লাগে না ভিনদেশ ঘুরতে,
মেঘেদেরও তাই!
তোমার রাজ্যে ঘুরতে,
ভালোবাসা চাই।”
তাহাই বাবুজি
“আকাশের বুঝি ঋণ নেই জমিনের কাছে!
দেখিলাম আমি, দূর দিগন্তে আকাশ মিশে গেছে।
গাছেদের বুঝি ঋণ নেই মৃত্তিকার কাছে!
দেখিলাম আমি, ঝড়ো হাওয়ায় পাতা ঝরে গেছে।
মানুষের বুঝি ঋণ নেই প্রকৃতির কাছে!
ফিরে যাবে প্রকৃতির কাছে, তার কথা দেয়া আছে।”
তাহাই বাবুজি
“ধরো, ছোটো বড়ো একেকটা মেঘ দ্বীপের মতো,
আকাশটা যেনো বিশাল সাগর।
যেভাবে সাগরের উত্তাল ঢেউ দ্বীপ কে ছুয়ে যায়,
এই উথাল-পাতাল হাওয়া, তবে কি আকাশের পানি?
যে দ্বীপের মালিকানা নাই, দাবিদার কেউ নাই,
তবে চলো, আমরা দুজনে মেঘের দ্বীপে সাম্রাজ্য বানাই।”
তাহাই বাবুজি
“মাঝি নিবা কি আমারে তোমার নৌকায়?
বসতে দিবা কি হৃদয়ের পাটাতনে?
আমি মহাযাত্রা পালে যেতে চাই আজ ;
তুমি আমার ভুবন মাঝি হয়ে যাও।
তোমার নৌকায় যাইবার বড় সাধ
জাগিছে আমার;– আজ নিও দয়া করে।”
তাহাই বাবুজি
“হায় ফুল, সবুজের পাশে ফুটে থাকা, শাদা জবা ফুল ;
তুমি ফুটে থাকিও না; পিছু ডাকিও না কখনো আমারে
তোমার দিকে তাকালে তাহার কোমল মুখ মনে পরে।
তাহার জ্যোৎস্না শাদা কপালের ‘পরে নেমে আসে চুল।
হায় ফুল, সবুজের বনে ফুটে থাকা, শাদা জবা ফুল ;
আমারে পিছু ডাকিও না কভু ; ভুলিতে চাই তার মুখ!
তোমার পাশে দাড়ালে, মনে আসে তার উন্মীলিত চোখ
হায় জবা ফুল, ভালোবাসি বলে, আর বিধিয়োনা শূল”
তাহাই বাবুজি
“বিরহ দাও ; জ্বালায় শতও
দূরে ঠেলে দাও ; কাঁদায় যতও
হেলায়-ফেলায় যত দূরে সরাও
তত তুমি, মনে প্রেম বাড়াও
বারেক ফিরে তাকাও পিছনে
আমার বারী তোমার সনে।”
তাহাই বাবুজি
“তুমি হলে ছোটো ফড়িংয়ের মতো; যার
গজিয়েছে পাখা;— নতুন নতুন শিখেছে
ওড়া;— ঘাসে ঘাসে তার ওঠা বসা।”
তাহাই বাবুজি
“চারকোনা হিম ঘরে, এক রাত্রি সে কাটিয়েছে কিভাবে তাহার ভেতর?
গ্লাসের ভিতর তার ফ্যাকাসে মুখ, আজও ভেসে ওঠে চোখে
চার চাকা লাশবাহী গাড়ি তাকে নিয়ে গেছে, আছে কি সে সুখে?
আতাগাছ, পারিজাত, দুর্বাঘাস সংসার বাঁধে তাহার কবরের ’পর
দেখে এসেছি তাহারে, মাটির নীড়ে তাহার জীবনযাপন
সময় নিয়েছে মৃত্যু দিয়ে তারে;— রাখিয়াছি আপনাকে মনে, প্রিয়জন।”
তাহাই বাবুজি
“ছুটি শেষে মাদ্রাসায় দিয়ে যাওয়ার পর,
ছোটো ছেলেটার যেরকম একা একা লাগে
মাঝে মাঝে তুমিহীন, আমারও ঠিক
তেমনই একা একা লাগে”
তাহাই বাবুজি
“মুছে ফেলেছে মানুষ যোগাযোগ— কত প্রিয় মানুষের সাথে।
যোগাযোগের এখন অনেক মাধ্যম;– তবু বার্তাটা পৌঁছেনা।
নিভিয়ে ফেলেছে আলো মানুষের জীবনের;– নব্য বৃত্তি গাঁথে।
রঙিন আলো এখন অনেক— তবুও প্রিয় মুখটা দেখেনা।”
তাহাই বাবুজি
“আমাদেরও পাতার মতো ফুরাবে জীবন
একদিন;— তারপর, হবে মাটিতে পতন।
সব ব্যথা শেষ হবে, থেকে যাবে আয়োজন।
কত রঙ পৃথিবীর মাঝে, দেখিবো না আর,-
হয়তো কেউ বলিবে না,- এ কবরটি কার।”
তাহাই বাবুজি
“দেখতে দেখতে ঝরে যাবো
সেদিন ঝরিবে কি শিউলি
সূর্যকে তার সব ভালোবাসা দিয়ে?
পারিজাত তুমি অকারণে ঝরো;
তোমারে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে
দেখেছে সে তুমি কার তরে মরো?”
তাহাই বাবুজি
“বাষট্টি বছর ধরে এক কুরে ব্যথা আমাকে ভোগাচ্ছে,
প্রথম জীবনে যাকে ভালোবেসেছিলাম, তাকে পাইনি
বলে। এই ব্যথা উপশম হবে মৃত্যুর পরে, কোনো
নিশ্চয়তা কি আছে? যদি এমন কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারো, তবে আমার জন্য সাড়ে তিন হাত মাটি খুড়ে
সাদা কাফনের ব্যবস্থা করো। আমি জানাযা ছাড়া
তার পথের পথিক হবো।”
তাহাই বাবুজি
“প্রবাসী হয়ে, বাংলার ধুলো ঝেড়ে—
নতুন জগতে যারা, বাঁধিতে চলিয়া
যায় নীড়;— আমি যাই নাকো তাহাদের ভীড়ে—
থেকে যেতে চাই;— নাক ফুল পরা নারীর মুখ ফেলিয়া
যেতে চাই নাকো বিদেশে কোথাও!”
তাহাই বাবুজি
“আমি, হয়তো একাকী হয়ে হঠাৎ ঝরিয়া যাবো
ধূসর সন্ধ্যায় কিংবা মাঝরাতে;— যেইভাবে ঝরে
গাছের শুকনো পাতা;— তার গাছেরই অগোচরে।”
তাহাই বাবুজি
“পুরুষের আগমন উপলক্ষে, পৃথিবী খুশি হয়ে
পুরুষ কে দুইটা জীবন উপহার দেয়।

❝ একটা তার মায়ের,
আরেকটা বউয়ের। ❞”
তাহাই বাবুজি
“আমার ছাপোষা দুঃখ গুলো দিন দিন বড় হচ্ছে...
এখন তার বয়স একুশ হয়েছে।
বয়স বাড়লে নানা পেরেশানি আসে;
দুঃখের জ্বালাতন তুমুল যন্ত্রণা
মাথায় মগজে মনে বেনামি কল্পনা।
আমার ছাপোষা ব্যথা কেউ ধার নেবে?
ওর বয়স একুশ হলো, একজন সঙ্গী চাই।”
তাহাই বাবুজি
“শীতে শীতে রিক্তের বেদন
দুয়ারে দুয়ারে দুখের আলাপন
মন জমিন ফেঁটে চৌচির
ধুলো জমা মন প্রাচীর
বসন্ত নিয়ে আসেনি কেউ
হৃদয়ে ওঠেনি সমুদ্রের ঢেউ।”
তাহাই বাবুজি
“মুখে নিকোটিনের দুর্গন্ধ __ লাল পানি গলাধঃকরণ আর পতিতালয়ে কাটানো অগোছালো জীবন নিয়ে আমি কখনো তোমার সামনে দাড়াতে পারবো না।
আমি কখনো তোমারে ভুলতে চাই না— তাই ভুলে যাওয়ার কোনো ঝুটঝামেলা আমার নাই।”
তাহাই বাবুজি
“তুমি এসেছিলে— মিহি কুয়াশার মতো
এসেছিলে কোনো এক শীতের সন্ধ্যায় ;
ঘন কুয়াশায় আমি দেখি না তোমায়,-
ঝরে যাও, সকালের শিশিরের মতো।”
তাহাই বাবুজি
“প্রেমহীনতার ব্যথা নেই পরপারে
দুই খেয়াঘাট পরে থাকে দুইধারে
মাঝখানে ব্যবধান কত নদী পথ
দুই কূলে পাড় ভাঙে নদীর দ্বৈরথ”
তাহাই বাবুজি

« previous 1