সুন্দর গোছানো রিভিউ ভাই। কিছু ক্রিটিসিজম ঠিকই আছে, অন পয়েন্ট। কিন্তু কিছু ক্রিটিসিজম সম্ভবত ভূল বোঝাবুঝির কারনে হয়েছে এবং আমি একটু আলো দেওয়ার চেষ্টা করি সেগুলোতে। ১। লামিয়া মারিয়ার প্রস্তাবে সানন্দে রাজি হয় নি, অথবা সানন্দে রাজি হওয়াটা যদি লেখায় প্রকাশ পেয়ে থাকে- সেটা গল্পের উদ্দেশ্য ছিল না। লামিয়ার অবসেশন ছিল ভাঙ্গা জিনিস ঠিক করা, এবং ঐ মুহুর্তে তার সামনে সবচেয়ে ভাঙ্গা জিনিস হিসেবে উপস্থিত হয় মারিয়ার বিয়ে। এরপরেও আই থিংক যথেষ্ট দ্বিধায় ছিল সে মারিয়ার প্রস্তাব শোনার পর। তার প্রথম রিয়েকশন ছিল বমি বমি অনুভব করা। ২। মাইশার নিজেই প্রক্সি দিতে চায় নি নিজ থেকে, তাকে এই প্রস্তাব দিয়েছে তার কাজিন। ৩। মাইশা তার কাজিনের পিম্প ক্যারিয়ার রক্ষা করতেই কক্সবাজার গিয়েছিল। বিষয়টি এর চেয়ে মোটেও জটিল না। আর পুরো বইয়ে আমি মাইশাকে বুদ্ধিমান হিসেবে উপস্থাপন করি নি। তার কক্সবাজারে যাওয়া, তার সাধারন কন্ট্রাসেপটিভ এর অজ্ঞতা, তার প্রেগন্যান্ট হওয়া, তার ওফেলিয়ার সাথে চুক্তি করা- সবগুলো তাকে বোকা এক মেয়ে হিসেবেই উপস্থাপন করে। তার কর্মকাণ্ডগুলো তার চরিত্রের মধ্যেই পরে। ৪। মাইশার সেক্স সিন গুলো কাহিনীর অপ্রয়োজনে ছিল না, কেননা সে তার কর্মকান্ডের কারনেই প্রেগন্যান্ট হয় এবং তার প্রেগন্যান্সি তাকে বাধ্য করে আলহাজরেদপুর যেতে। ৫। 'ওফেলিয়া' আমার অতীতের 'ফ্যান্টম' চরিত্রটির মত বড় ধাঁচের চরিত্র। যেমনভাবে ফ্যান্টম সাগা'র প্রথম বই, দ্য রেড ডোর বইয়ে ফ্যান্টমের কোন উপস্থিতিই ছিল না (এলিজাবেথের মরদেহ বাদে), ঠিক সেভাবেই ওফেলিয়া এক নতুন সাগার শুরু। 'ওফেলিয়া'কে এক বইয়ে না অন্তত আগামী ৪ বইয়ে ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তোলা হবে। ৬। সেক্সচুয়াল কন্টেন্ট লেখার বাংলা একাডেমির কিছু গাইডলাইন আছে, সেটা অনুযায়ী আমি যতই রগরগে বর্ননা দেই না কেন, কিছু শব্দ আমি ব্যবহার করতে পারবো না আর আমি করিও নাই, তাহলে উপন্যাস আর এরোটিকার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। আর, সেক্সচুয়াল যে অ্যাক্ট গুলো আছে- সেগুলো স্বাভাবিক চারদেয়ালের ভেতর যেভাবে হয় সেভাবেই ব্যাখ্যা দেওয়া আছে। আমি ফুলেল ভাষার ফ্যান কখনই ছিলাম না। ৭। আর মূল কথা হচ্ছে, আমি কখনই সেক্সচুয়াল কন্টেন্ট এর বিরুদ্ধে ছিলাম না, বরং এডাল্ট কন্টেন্ট আমার খুব পছন্দের সেকশন থ্রিলারে। আমার বইগুলোতে আমি প্রেমিক-প্রেমিকা, হাজবেন্ড-ওয়াইফের সেক্স না তুলে ভালোবাসাহীন দুজন অপরিচিত মানুষের সাথে সেক্সের দৃশ্য তুলে ধরতে পছন্দ করি। সেক্স একটি দৈহিক চাহিদা, এর সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক থাকতেই হবে- এরকম থিওরি আমার পছন্দও না। ____ ইলাস্ট্রেশনগুলো নিয়ে আমি নিজেও হতাশ। আসলেই সাবপার ছিল। পরবর্তী ইডিশনে ঠিক করে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
১। লামিয়া মারিয়ার প্রস্তাবে সানন্দে রাজি হয় নি, অথবা সানন্দে রাজি হওয়াটা যদি লেখায় প্রকাশ পেয়ে থাকে- সেটা গল্পের উদ্দেশ্য ছিল না। লামিয়ার অবসেশন ছিল ভাঙ্গা জিনিস ঠিক করা, এবং ঐ মুহুর্তে তার সামনে সবচেয়ে ভাঙ্গা জিনিস হিসেবে উপস্থিত হয় মারিয়ার বিয়ে। এরপরেও আই থিংক যথেষ্ট দ্বিধায় ছিল সে মারিয়ার প্রস্তাব শোনার পর। তার প্রথম রিয়েকশন ছিল বমি বমি অনুভব করা।
২। মাইশার নিজেই প্রক্সি দিতে চায় নি নিজ থেকে, তাকে এই প্রস্তাব দিয়েছে তার কাজিন।
৩। মাইশা তার কাজিনের পিম্প ক্যারিয়ার রক্ষা করতেই কক্সবাজার গিয়েছিল। বিষয়টি এর চেয়ে মোটেও জটিল না। আর পুরো বইয়ে আমি মাইশাকে বুদ্ধিমান হিসেবে উপস্থাপন করি নি। তার কক্সবাজারে যাওয়া, তার সাধারন কন্ট্রাসেপটিভ এর অজ্ঞতা, তার প্রেগন্যান্ট হওয়া, তার ওফেলিয়ার সাথে চুক্তি করা- সবগুলো তাকে বোকা এক মেয়ে হিসেবেই উপস্থাপন করে। তার কর্মকাণ্ডগুলো তার চরিত্রের মধ্যেই পরে।
৪। মাইশার সেক্স সিন গুলো কাহিনীর অপ্রয়োজনে ছিল না, কেননা সে তার কর্মকান্ডের কারনেই প্রেগন্যান্ট হয় এবং তার প্রেগন্যান্সি তাকে বাধ্য করে আলহাজরেদপুর যেতে।
৫। 'ওফেলিয়া' আমার অতীতের 'ফ্যান্টম' চরিত্রটির মত বড় ধাঁচের চরিত্র। যেমনভাবে ফ্যান্টম সাগা'র প্রথম বই, দ্য রেড ডোর বইয়ে ফ্যান্টমের কোন উপস্থিতিই ছিল না (এলিজাবেথের মরদেহ বাদে), ঠিক সেভাবেই ওফেলিয়া এক নতুন সাগার শুরু। 'ওফেলিয়া'কে এক বইয়ে না অন্তত আগামী ৪ বইয়ে ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তোলা হবে।
৬। সেক্সচুয়াল কন্টেন্ট লেখার বাংলা একাডেমির কিছু গাইডলাইন আছে, সেটা অনুযায়ী আমি যতই রগরগে বর্ননা দেই না কেন, কিছু শব্দ আমি ব্যবহার করতে পারবো না আর আমি করিও নাই, তাহলে উপন্যাস আর এরোটিকার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। আর, সেক্সচুয়াল যে অ্যাক্ট গুলো আছে- সেগুলো স্বাভাবিক চারদেয়ালের ভেতর যেভাবে হয় সেভাবেই ব্যাখ্যা দেওয়া আছে। আমি ফুলেল ভাষার ফ্যান কখনই ছিলাম না।
৭। আর মূল কথা হচ্ছে, আমি কখনই সেক্সচুয়াল কন্টেন্ট এর বিরুদ্ধে ছিলাম না, বরং এডাল্ট কন্টেন্ট আমার খুব পছন্দের সেকশন থ্রিলারে। আমার বইগুলোতে আমি প্রেমিক-প্রেমিকা, হাজবেন্ড-ওয়াইফের সেক্স না তুলে ভালোবাসাহীন দুজন অপরিচিত মানুষের সাথে সেক্সের দৃশ্য তুলে ধরতে পছন্দ করি। সেক্স একটি দৈহিক চাহিদা, এর সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক থাকতেই হবে- এরকম থিওরি আমার পছন্দও না।
____
ইলাস্ট্রেশনগুলো নিয়ে আমি নিজেও হতাশ। আসলেই সাবপার ছিল। পরবর্তী ইডিশনে ঠিক করে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।