Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following পরিমল গোস্বামী.
Showing 1-7 of 7
“পূর্বের চারখানা স্মৃতিগ্রন্থেও আমার সম্পাদনা কালের অনেক কথা আছে, কারণ আমার সম্পাদনা জীবনের ৩২ বছরের অংশটি আমার ব্যক্তিগত জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল না, এবং এ বইতেও আমার জীবনের অন্য অনেক কথা বলেছি, কারণ এ সময়ে আমি পরিমল গোস্বামীও ছিলাম।”
― যখন সম্পাদক ছিলাম
― যখন সম্পাদক ছিলাম
“লক্ষণীয় এই যে, লেখক হওয়ার জন্য আবেদনপত্র, আর জামাই হওয়ার জন্য আবেদনপত্র, একই রকম করুণ।”
― যখন সম্পাদক ছিলাম
― যখন সম্পাদক ছিলাম
“এখন নিজের লেখার প্রুফ দেখতে অনেক ভুল দৃষ্টি এড়িয়ে যায়, কিন্তু অন্যের বই হলে ভুল বার করার পটুত্ব একই রকম আছে।”
― যখন সম্পাদক ছিলাম
― যখন সম্পাদক ছিলাম
“ইনি সুদীর্ঘ এক শত বৎসর আমেরিকায় ছিলেন। সেখানে লক্ষ লক্ষ লোক ইহারই কৃপায় কোটিপতি হইয়াছে। ইহার সংবাদ এতদিন প্ৰকাশ করা নিষেধ ছিল, এখন আর সে নিষেধ নাই। এক শত বৎসর আমেরিকায় বাস করিলেও ইনি খাঁটি বাঙালী। বাংলা কথা সবই বুঝিতে পাবেন, কেবল বলিতে পারেন না। মন্ত্রপূত দ্রব্যের মূল্য বাবদ মাত্র চারি আনা দিতে হয়।”
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প
“কাজ যখন কোথাও জোটে না, তখন পাঁচিশ টাকার কাজ দুর্লভ বলিয়া বোধ হয়, পরে চাকরিতে অভ্যস্ত হইয়া গেলে চল্লিশ টাকা তুচ্ছ হইয়া যায়। তাহাদেরই কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়া কত অশিক্ষিত লোক কত টাকা উপার্জন করিতেছে, আর সে বি. এস-সি পাস করিয়া সামান্য চল্লিশ টাকা উপার্জন করে। এক মিনিটের চিন্তার ফলে চাকরিতে তাহার ধিক্কার আসিল।”
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প
“[...] আমরা কার্যত যে সব মনীষীর পথ অনুসরণ করতে অসুবিধা বোধ করি, এবং যা আমাদের দ্বারা প্রায় অসম্ভব, সেই সব মনীষীকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে দেবতার আসনে বসিয়ে রেখে আমাদের নিজ নিজ অভ্যাসের পথে নিশ্চিন্ত মনে চলি। সেজন্য সেই সব মনীষীর প্রতি আমাদের শেষ পর্যন্ত একমাত্র কর্তব্য হয় তাঁদের স্মৃতিপূজা করা, এবং তাঁদের জীবন-ইতিহাস থেকে মানুষের স্বাভাবিক যাবতীয় গুণকে অস্বীকার করে তার স্থলে কল্পিত অনেক গুণ আরোপ করা। এবং নিয়মিত 'দিবস পালন' করা। অবশ্য যাদের সহজে দেবতা বানানো যায় তাঁদের সম্পর্কেই একথা প্রযোজ্য।”
― যখন সম্পাদক ছিলাম
― যখন সম্পাদক ছিলাম
“পৃথিবী একদিন অগ্নিপিণ্ডবৎ ছিল, তারপর ধীরে ধীরে আগুন নিবে এলো, ধোঁয়াটে জিনিস জমাট বাধল, জল এবং স্থল দেখা দিল, তারপর একক সেলদেহী প্ৰথম প্ৰাণীর আবির্ভাব ঘটল, তারপর সেই প্ৰাণী বিবর্তনের ধারাপথে মানুষরূপে দেখা দিল, তারপর সে মানুষ ভাষা শিখল, দেশবিদেশের পরিচয় সংগ্ৰহ করল এবং পৃথিবীর ভূভাগের একটি ক্ষুদ্রতম অংশের নাম দিল পাবনা জেলা। সেই পাবনা জেলার একটি ছোট গ্রামে পদ্মানদীর ধারে হরেন দাস তার সঙ্গীদের নিয়ে বসে আলাপ করছে।”
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প
― পরিমল গোস্বামীর শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-গল্প


