Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Samir Roychoudhury.
Showing 1-3 of 3
“বম্বে
২০/৫
সুনীল
তোর দীর্ঘ চিঠি পেলাম । তোর মানসিক অবস্হা জেনে যথেষ্ট কষ্ট পেয়েছি। শক্তিকে আমরাই এত বড় করে তুলেছি । এর মূল দায়িত্ব তোর, আমার ও মলয়ের । এবং এখনো আমার প্রতিটি বন্ধুকে বড় করেই তুলতে চাই আমি । শক্তিকে লেখার জন্য প্রাথমিক উৎসাহ তুইই দিয়েছিলি । বারেবারে বাহবা দিয়ে “বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবি” একথা তুইই প্রথম তুলেছিস । অর্থাৎ শুধু এই যে আজ শক্তি সেকথা নিজে বলছে । চাইবাসায় থাকতেই তোকে বাদ দিয়ে শিল্পের সিংহাসনে বসার একটা ঘোরতর প্ল্যান উৎপল ও শক্তি অনেকদিন আগেই করেছিল । আমাকেও উপস্হিত থাকতে হয়েছিল এই সব আলোচনায় । পত্রিকা বের করার প্ল্যান তখনই হয়। আন্দোলনের ব্যাপারটাও মলয় বারবার তাগাদা দিতে থাকে । আমি বরাবরই কৃত্তিবাসকে ছাড়তে পারব না জানিয়েছি । নানান সেন্টিমেন্টাল কারণে কৃত্তিবাসকে আমি আমার নিজের পত্রিকা মনে করি । অনেকের মতন ‘সুনীলের কাগজ’ মনে করা সম্ভব নয় । শক্তি ও উৎপল তোকে বাদ দিয়ে ‘জেব্রা’ বার করতে পারবে কিনা মনে হয় না । অন্তত মলয় এটা হতে দেবে না। তাছাড়া সমস্ত নীচতার মধ্যেও সূক্ষ্ম বোধশক্তির দংশন শক্তিও এড়াতে পারবে না । আমাদের মধ্যে একটা ভাঙন গড়ে উঠবে এ আমার বিশ্বাস হয় না । হলে শক্তিরই প্রচণ্ড ক্ষতি হবে । টাকাপয়সার দরকার ওর শিল্পের জন্যও, শীলাও আছে, দার্শনিক ঋণও প্রয়োজন, সমীর ও মলয়কে ও সেইসঙ্গে সুনীলকে বাদ দিলে যে মারাত্মক অবস্হায় ও পড়বে তা ও জানে । আমাকে শক্তি লিখেছে ‘জেব্রা’য় তোর লেখা থাকছে । বেরোতে নাকি মাস দুয়েক দেরি । বরং উৎপলই একটু বেশিমাত্রায় তোর বিরোধী । হয়তো ঈর্ষা, হয়তো অন্য কোনো কারণ । উৎপলকে খুশি রাখতে গিয়ে হয়তো এই সব জটিলতায় শক্তি বাধ্য হচ্ছে । মলয়ের অভিমান এই যে তুই ওকে বিন্দুমাত্র স্নেহ করিস না ; নিতান্ত ছেলেমানুষী । সেবার শীলা পাটনায় ভর্তি হতে গেলে শক্তিকে পাটনায় নিয়ে যাই আমি । সেখানে মলয় ওকে এই আন্দোলন সম্পর্কে Convince করে । ছোটোগল্পে লিখেছে যে গল্পটা, তারই প্লট ও প্ল্যান মলয় শক্তিকে দেয় ( ক্ষুৎকাতর আক্রমণ )। ঠিক হয় যে কলকাতায় গিয়ে পুস্তিকা বের করে ব্যাপারটা আরম্ভ হবে । আমরা সবাই থাকবো। তুইও নিশ্চয়ই । আমাদের পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষা না করেই শক্তি কলকাতায় ফিরেই ব্যাপারটা আরম্ভ করে দেয় । এদিকে ট্রেনিং-এ চলে আসতে হয় আমাকে । মলয় পাটনায় । কলকাতায় শক্তি একা নানান ভাবে নিজের স্বপক্ষে সিংহাসন গড়ে তোলে ক্রমে । তুই ব্যাপারটায় যোগ না দেওয়ায়, যেটা ভুল-বোঝাবুঝিতে পেছিয়ে গেছে, আজ অবস্হা এখানে এসে দাঁড়িয়েছে। এটা মলয়ও বলেছে ।”
―
২০/৫
সুনীল
তোর দীর্ঘ চিঠি পেলাম । তোর মানসিক অবস্হা জেনে যথেষ্ট কষ্ট পেয়েছি। শক্তিকে আমরাই এত বড় করে তুলেছি । এর মূল দায়িত্ব তোর, আমার ও মলয়ের । এবং এখনো আমার প্রতিটি বন্ধুকে বড় করেই তুলতে চাই আমি । শক্তিকে লেখার জন্য প্রাথমিক উৎসাহ তুইই দিয়েছিলি । বারেবারে বাহবা দিয়ে “বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবি” একথা তুইই প্রথম তুলেছিস । অর্থাৎ শুধু এই যে আজ শক্তি সেকথা নিজে বলছে । চাইবাসায় থাকতেই তোকে বাদ দিয়ে শিল্পের সিংহাসনে বসার একটা ঘোরতর প্ল্যান উৎপল ও শক্তি অনেকদিন আগেই করেছিল । আমাকেও উপস্হিত থাকতে হয়েছিল এই সব আলোচনায় । পত্রিকা বের করার প্ল্যান তখনই হয়। আন্দোলনের ব্যাপারটাও মলয় বারবার তাগাদা দিতে থাকে । আমি বরাবরই কৃত্তিবাসকে ছাড়তে পারব না জানিয়েছি । নানান সেন্টিমেন্টাল কারণে কৃত্তিবাসকে আমি আমার নিজের পত্রিকা মনে করি । অনেকের মতন ‘সুনীলের কাগজ’ মনে করা সম্ভব নয় । শক্তি ও উৎপল তোকে বাদ দিয়ে ‘জেব্রা’ বার করতে পারবে কিনা মনে হয় না । অন্তত মলয় এটা হতে দেবে না। তাছাড়া সমস্ত নীচতার মধ্যেও সূক্ষ্ম বোধশক্তির দংশন শক্তিও এড়াতে পারবে না । আমাদের মধ্যে একটা ভাঙন গড়ে উঠবে এ আমার বিশ্বাস হয় না । হলে শক্তিরই প্রচণ্ড ক্ষতি হবে । টাকাপয়সার দরকার ওর শিল্পের জন্যও, শীলাও আছে, দার্শনিক ঋণও প্রয়োজন, সমীর ও মলয়কে ও সেইসঙ্গে সুনীলকে বাদ দিলে যে মারাত্মক অবস্হায় ও পড়বে তা ও জানে । আমাকে শক্তি লিখেছে ‘জেব্রা’য় তোর লেখা থাকছে । বেরোতে নাকি মাস দুয়েক দেরি । বরং উৎপলই একটু বেশিমাত্রায় তোর বিরোধী । হয়তো ঈর্ষা, হয়তো অন্য কোনো কারণ । উৎপলকে খুশি রাখতে গিয়ে হয়তো এই সব জটিলতায় শক্তি বাধ্য হচ্ছে । মলয়ের অভিমান এই যে তুই ওকে বিন্দুমাত্র স্নেহ করিস না ; নিতান্ত ছেলেমানুষী । সেবার শীলা পাটনায় ভর্তি হতে গেলে শক্তিকে পাটনায় নিয়ে যাই আমি । সেখানে মলয় ওকে এই আন্দোলন সম্পর্কে Convince করে । ছোটোগল্পে লিখেছে যে গল্পটা, তারই প্লট ও প্ল্যান মলয় শক্তিকে দেয় ( ক্ষুৎকাতর আক্রমণ )। ঠিক হয় যে কলকাতায় গিয়ে পুস্তিকা বের করে ব্যাপারটা আরম্ভ হবে । আমরা সবাই থাকবো। তুইও নিশ্চয়ই । আমাদের পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষা না করেই শক্তি কলকাতায় ফিরেই ব্যাপারটা আরম্ভ করে দেয় । এদিকে ট্রেনিং-এ চলে আসতে হয় আমাকে । মলয় পাটনায় । কলকাতায় শক্তি একা নানান ভাবে নিজের স্বপক্ষে সিংহাসন গড়ে তোলে ক্রমে । তুই ব্যাপারটায় যোগ না দেওয়ায়, যেটা ভুল-বোঝাবুঝিতে পেছিয়ে গেছে, আজ অবস্হা এখানে এসে দাঁড়িয়েছে। এটা মলয়ও বলেছে ।”
―
“When the first sunlight at the new house
came to inquire about life from that day personal sunlight of this house
personal breeze air personal cloudiness took birth
everything which is exclusively for this house
just as some sunlight enter domesticity to live with some rains
Just as local tries to get disconnected from metalanguage
just like weakness for personal sunlight once
I had observed flax flower creeper to take turn
seen Grandma's longing for sunlight
even now I remember on our dining table at Darbhanga
a shard of sunlight as our tea drinking companion
passing sunlight had a different relation with school ending bell
just as we have secret correspondence with some shadows
Just as some sunlight some shadow are saved in personal kitty
just as local tries to get disconnected with metalanguage.”
― সমীর রায়চৌধুরী সংখ্যা - কালিমাটি - কাজল সেন সম্পাদিত
came to inquire about life from that day personal sunlight of this house
personal breeze air personal cloudiness took birth
everything which is exclusively for this house
just as some sunlight enter domesticity to live with some rains
Just as local tries to get disconnected from metalanguage
just like weakness for personal sunlight once
I had observed flax flower creeper to take turn
seen Grandma's longing for sunlight
even now I remember on our dining table at Darbhanga
a shard of sunlight as our tea drinking companion
passing sunlight had a different relation with school ending bell
just as we have secret correspondence with some shadows
Just as some sunlight some shadow are saved in personal kitty
just as local tries to get disconnected with metalanguage.”
― সমীর রায়চৌধুরী সংখ্যা - কালিমাটি - কাজল সেন সম্পাদিত
“এই কবিতার সম্ভাব্য শিরোনাম
লোমশ মুনির গল্প
চিত্রলেখার সখীসংবাদ
বাণরাজার মেয়ের রূপকথা
বিষ্ণুপুরাণের আনলিমিটেড সেক্সস্টোরি
সেভেন ও ক্লকের অ্যাড স্নিপেট
একটি উদারবাদী কবিতা
‘সেভেন-ও-ক্লক’-এ ঠিক সাতসকালে নিয়মিত দাড়িকামানোর কথা
অবশ্য সেভেন-ও-ক্লক কি জানে কেন ঊষা সাতরকমের
মুশকিল এই যে চলে আসতে পারে ঊষা-ফ্যান কিংবা ঊষা মঙ্গেশকরের হালফিল
অথচ প্রয়োজন ছিল চিত্রলেখার আঁকা অনিরুদ্ধদের সেই ফ্রি হ্যান্ড স্কেচের
যেদিন ছটা বত্রিশে সেফটিরেজর রেডি হয়ে যায় সেদিন গালের এখানে-সেখানে
ছেড়ে-যাওয়া খোঁচা-খুচ রেখে দিতে চায় স্মার্টনেসের অভাববোধ
থুতনির কাটা দাগটার কাছে যেখানে দীর্ঘ অতীতের বাঁকা চিহ্ণ খোঁদল হয়ে আছে
একসময় মাসতুতো বোন রিংকুর সঙ্গে সিঁড়ির কোনটায় হুটোপাটি করে খেলতাম
একটি অনুশাসনপ্রিয় বাজারমনস্ক অর্থনীতি-নির্ভর ব্লেডের এসব তো জানার কথা নয়
তার লক্ষ্য হিমাক্স জিলেট উইলকিনসন্স সোর্ড লেজর এবং ভারত
বা সেই সব আলসে ডিপেন্ডিং কনজিউমার যাঁদের জন্য সেভেন-ও-ক্লক থ্রো-অ্যাওয়ে
শেভিংমনস্কতাগুলির মার্কেটস্টাডি সার্ভে-প্রোপোজালমতো শেভিং শ্রেণিসমাজ
নরসুন্দর নাপিত ক্ষৌরকার নাপতে স্নায়য়িতু জাতিগত প্রতিদ্বন্দ্বীদের ফেলে রেখে
সাতটা আটচল্লিশে শেভিং শুরু করলে দেখা যায় ঠোঁটের নিচে খাঁজে
ঝুলপির বাঁদিকে দু-একটি রক্তাক্ত দাগ আফটার-শেভ লোশনের জন্য
প্যারালাল শিফট রাখে, পাস অন করে দেয় এক্সট্রাস্মুদ শেভের জন্য প্রেসনজল
শেভিং-ফোমে পি-টু-রেজার ডবল-অ্যাকশান কার্টিজে—
রিংকুর কথা কিছুতেই যেন না মনে পড়ে, থ্রো-অ্যাওয়ে নসট্যালজিয়া,
শুধু এটুকু বলা যায় যে লোমশ মুনি তীর্থযাত্রায় থাকতেন যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে–
হ্যালো মহেশ চোপরা ইয়োর ডোর-টু-ডোর লেটেস্ট চেকআপ কী বলছে !”
― সমীর রায়চৌধুরী সংখ্যা - কালিমাটি - কাজল সেন সম্পাদিত
লোমশ মুনির গল্প
চিত্রলেখার সখীসংবাদ
বাণরাজার মেয়ের রূপকথা
বিষ্ণুপুরাণের আনলিমিটেড সেক্সস্টোরি
সেভেন ও ক্লকের অ্যাড স্নিপেট
একটি উদারবাদী কবিতা
‘সেভেন-ও-ক্লক’-এ ঠিক সাতসকালে নিয়মিত দাড়িকামানোর কথা
অবশ্য সেভেন-ও-ক্লক কি জানে কেন ঊষা সাতরকমের
মুশকিল এই যে চলে আসতে পারে ঊষা-ফ্যান কিংবা ঊষা মঙ্গেশকরের হালফিল
অথচ প্রয়োজন ছিল চিত্রলেখার আঁকা অনিরুদ্ধদের সেই ফ্রি হ্যান্ড স্কেচের
যেদিন ছটা বত্রিশে সেফটিরেজর রেডি হয়ে যায় সেদিন গালের এখানে-সেখানে
ছেড়ে-যাওয়া খোঁচা-খুচ রেখে দিতে চায় স্মার্টনেসের অভাববোধ
থুতনির কাটা দাগটার কাছে যেখানে দীর্ঘ অতীতের বাঁকা চিহ্ণ খোঁদল হয়ে আছে
একসময় মাসতুতো বোন রিংকুর সঙ্গে সিঁড়ির কোনটায় হুটোপাটি করে খেলতাম
একটি অনুশাসনপ্রিয় বাজারমনস্ক অর্থনীতি-নির্ভর ব্লেডের এসব তো জানার কথা নয়
তার লক্ষ্য হিমাক্স জিলেট উইলকিনসন্স সোর্ড লেজর এবং ভারত
বা সেই সব আলসে ডিপেন্ডিং কনজিউমার যাঁদের জন্য সেভেন-ও-ক্লক থ্রো-অ্যাওয়ে
শেভিংমনস্কতাগুলির মার্কেটস্টাডি সার্ভে-প্রোপোজালমতো শেভিং শ্রেণিসমাজ
নরসুন্দর নাপিত ক্ষৌরকার নাপতে স্নায়য়িতু জাতিগত প্রতিদ্বন্দ্বীদের ফেলে রেখে
সাতটা আটচল্লিশে শেভিং শুরু করলে দেখা যায় ঠোঁটের নিচে খাঁজে
ঝুলপির বাঁদিকে দু-একটি রক্তাক্ত দাগ আফটার-শেভ লোশনের জন্য
প্যারালাল শিফট রাখে, পাস অন করে দেয় এক্সট্রাস্মুদ শেভের জন্য প্রেসনজল
শেভিং-ফোমে পি-টু-রেজার ডবল-অ্যাকশান কার্টিজে—
রিংকুর কথা কিছুতেই যেন না মনে পড়ে, থ্রো-অ্যাওয়ে নসট্যালজিয়া,
শুধু এটুকু বলা যায় যে লোমশ মুনি তীর্থযাত্রায় থাকতেন যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে–
হ্যালো মহেশ চোপরা ইয়োর ডোর-টু-ডোর লেটেস্ট চেকআপ কী বলছে !”
― সমীর রায়চৌধুরী সংখ্যা - কালিমাটি - কাজল সেন সম্পাদিত


