Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following মৃগাঙ্কশেখর গঙ্গোপাধ্যায়.
Showing 1-11 of 11
“কথা হয় না বলে এমন নয়
যে মনে পড়ে না
মাঝে মাঝে শুধুই মনে করতে ইচ্ছে করে
শব্দ ভালো লাগে না ।”
―
যে মনে পড়ে না
মাঝে মাঝে শুধুই মনে করতে ইচ্ছে করে
শব্দ ভালো লাগে না ।”
―
“মনে হয় মার চোখে পাতা নেই মাছেদের মতো
আমার পড়ার স্বর মায়ের গলার কাছে সার বেঁধে এসে দাঁড়িয়েছে
এঁটো ভাত গন্ধ ছাড়ে
আরশোলা হেঁটে এসে দেখে
তার মতো এক প্রাণী, বিবর্তন হয় নি কখনো
একা জেগে বসে আছে
কখন ছেলের পড়া হবে”
―
আমার পড়ার স্বর মায়ের গলার কাছে সার বেঁধে এসে দাঁড়িয়েছে
এঁটো ভাত গন্ধ ছাড়ে
আরশোলা হেঁটে এসে দেখে
তার মতো এক প্রাণী, বিবর্তন হয় নি কখনো
একা জেগে বসে আছে
কখন ছেলের পড়া হবে”
―
“ভুলে যেতে এতো কষ্ট হয় !
পড়া বলতে গিয়ে কত হোঁচট খেয়েছি ।
স্যারের বেতের দাগ নীল হয়ে জেগেছে শরীরে ।
এখন শরীর নীল
তবু তুমি জেগে আছ
বলতে না পারা সব কথার ভিতর ।।”
―
পড়া বলতে গিয়ে কত হোঁচট খেয়েছি ।
স্যারের বেতের দাগ নীল হয়ে জেগেছে শরীরে ।
এখন শরীর নীল
তবু তুমি জেগে আছ
বলতে না পারা সব কথার ভিতর ।।”
―
“কথা বলুন রাস্তায় বেরিয়ে
যে কোন কারোর সাথে
চেনা বা অচেনা
দেখবেন, কত মানুষ
কথা বলতে চায়
চুপ করে আছে শুধু –
এই ভেবে –
উল্টোদিকের মানুষটা
যদি মুখ ঘুরিয়ে চলে যায় !
- লোকে কী ভাববে !”
―
যে কোন কারোর সাথে
চেনা বা অচেনা
দেখবেন, কত মানুষ
কথা বলতে চায়
চুপ করে আছে শুধু –
এই ভেবে –
উল্টোদিকের মানুষটা
যদি মুখ ঘুরিয়ে চলে যায় !
- লোকে কী ভাববে !”
―
“টুকরো হতেই হয় ।
না হ’লে
ভেঙেছ যে
প্রকাশ পায় না ।”
―
না হ’লে
ভেঙেছ যে
প্রকাশ পায় না ।”
―
“মে ২৭, ২০১১ ( পত্রিকা- শব্দ হরিণ)
এখন, সময় থেকে কিছু হাত দূরে
বসে আছি; আগুনের পোষাক পরণে
কপালে কে লাগিয়েছে চন্দনের ফোঁটা
তুমি বলছ- ধীর গতি
জন্মদিন জন্মদিন
শুভ হোক! শুভ...
প্রতিবেশী যে মেয়েটি এতদিন পরে
সন্তানসম্ভবা; একটু দূর ঘরে –
কেমন অবশ চোখ! উলুধ্বনি দেয়
আর খই উপচে পড়ে মুঠো থেকে মুঠো –
পাখিরা কি খুটে খাবে? নাকি ঠোঁটে ক’রে
তুলে দেবে ভুখাপেট শিশুটির মুখে...
যেভাবে আমার মুখে তুলেছ আগুন!
রাত্রি হ’লে আসে জ্বর; জ্বরের খোয়াবে...
মাথা যে ধোয়াবে- তার সম্ভাবনা কই!
জন্মেই যে কবন্ধের গন্ধ লেগে দেহে!
এখন পেড়োয় পথ ছড়ানের খই।
শরীরের জলছাপ, নখে খুঁটে খুঁটে-
পুরোনো ডায়রি পাতা, খসে গেছে জলে;
হেমন্তের রোগ যেন
ধরেছে, আঙুলে
ছুঁয়ে আছি কবিতার বাকি দাহ মুখ।
তুমি ছুঁয়ে আছ ঠোঁট নুয়ে পড়া কথা
তাতে কি অক্ষর কোন সুগন্ধার নামে...!
বন্ধক ছাড়াবে নাকি জমাবে সন্দেহ?
সবচেয়ে চড়া সুদ ওটাতেই পাবে!
তারা এসে খসে পড়ছে বেনারসি পাড়ে।
তোমার বিয়ের শাড়ি; আঁচলের গিট
চুপিসারে খুলে...
খেলতে
নদীর ওধারে...
জড়ো হচ্ছে শীত।
যেসব মাছের চোখ আটকা প’ড়ে জালে
পাশ ফিরলে দেখতে পাই
সে চোখে তাকালে
তোমার নাকের নথ্ চোখের কাজল
‘মেঘের ওজন’ বুঝি
কোম্লো আজও...
বন্ধুদের নীচু স্বর “বলো হরি! হরি ...”
বন্ধুদের উঁচু স্বর “বলো হরি? হরি ...”
বাকি সব অন্ধ আজ
সব বাকি অন্ধকার
শুধু দেখতে পাই-
দেহ ছুঁয়ে আছে বসে
আমার ঈশ্বরী।”
―
এখন, সময় থেকে কিছু হাত দূরে
বসে আছি; আগুনের পোষাক পরণে
কপালে কে লাগিয়েছে চন্দনের ফোঁটা
তুমি বলছ- ধীর গতি
জন্মদিন জন্মদিন
শুভ হোক! শুভ...
প্রতিবেশী যে মেয়েটি এতদিন পরে
সন্তানসম্ভবা; একটু দূর ঘরে –
কেমন অবশ চোখ! উলুধ্বনি দেয়
আর খই উপচে পড়ে মুঠো থেকে মুঠো –
পাখিরা কি খুটে খাবে? নাকি ঠোঁটে ক’রে
তুলে দেবে ভুখাপেট শিশুটির মুখে...
যেভাবে আমার মুখে তুলেছ আগুন!
রাত্রি হ’লে আসে জ্বর; জ্বরের খোয়াবে...
মাথা যে ধোয়াবে- তার সম্ভাবনা কই!
জন্মেই যে কবন্ধের গন্ধ লেগে দেহে!
এখন পেড়োয় পথ ছড়ানের খই।
শরীরের জলছাপ, নখে খুঁটে খুঁটে-
পুরোনো ডায়রি পাতা, খসে গেছে জলে;
হেমন্তের রোগ যেন
ধরেছে, আঙুলে
ছুঁয়ে আছি কবিতার বাকি দাহ মুখ।
তুমি ছুঁয়ে আছ ঠোঁট নুয়ে পড়া কথা
তাতে কি অক্ষর কোন সুগন্ধার নামে...!
বন্ধক ছাড়াবে নাকি জমাবে সন্দেহ?
সবচেয়ে চড়া সুদ ওটাতেই পাবে!
তারা এসে খসে পড়ছে বেনারসি পাড়ে।
তোমার বিয়ের শাড়ি; আঁচলের গিট
চুপিসারে খুলে...
খেলতে
নদীর ওধারে...
জড়ো হচ্ছে শীত।
যেসব মাছের চোখ আটকা প’ড়ে জালে
পাশ ফিরলে দেখতে পাই
সে চোখে তাকালে
তোমার নাকের নথ্ চোখের কাজল
‘মেঘের ওজন’ বুঝি
কোম্লো আজও...
বন্ধুদের নীচু স্বর “বলো হরি! হরি ...”
বন্ধুদের উঁচু স্বর “বলো হরি? হরি ...”
বাকি সব অন্ধ আজ
সব বাকি অন্ধকার
শুধু দেখতে পাই-
দেহ ছুঁয়ে আছে বসে
আমার ঈশ্বরী।”
―
“যন্ত্রণা মন্দির হলে আমি তার হব কারিগর
তোমাকে ঈশ্বরী রূপে
পূজা হবে, ভক্ত সমাগম
সবাই দেখবে সূক্ষ কারুকাজ পাথরের গায়
কোন এক আর্কিটেক্ট অঙ্ক কষে দেখবে তারপর
কতটা পাথর কাটলে যন্ত্রণা মন্দির হতে পারে”
―
তোমাকে ঈশ্বরী রূপে
পূজা হবে, ভক্ত সমাগম
সবাই দেখবে সূক্ষ কারুকাজ পাথরের গায়
কোন এক আর্কিটেক্ট অঙ্ক কষে দেখবে তারপর
কতটা পাথর কাটলে যন্ত্রণা মন্দির হতে পারে”
―
“দরজা খোল মা।
ওধারের ছিটকিনিতে জং পড়ে আছে,
সিঁদুর শুকোলে যে রঙ নেয় সিঁথি;
‘মা’র কাছে বাতাস তো সন্তানের শ্বাস’
বলতে মা, মনে আছে?
জ্বরের ওপাশ থেকে;
জলপটি, সরু কোন নদী
কপালে বুলিয়ে দিতে;
তাই পার হতেই এসেছি।
শেষ লঞ্চ ছেড়ে গেলে
আঁচলের সুতো ছিঁড়ে দিও।
কতবার গৌতমের মতো
রাস্তায় মৃত দেখে, বেড়িয়েছি
আলোর সন্ধানে।
সারাদিন ঘুরে শেষে
বাড়ি ফিরে দেখি-
সন্ধ্যা প্রদীপ হাতে তুমি,
পৃথিবীর সমস্ত আলো
অনায়াসে
তুলসী মঞ্চে ফেলে রেখে গেলে।
সারারাত ঘরময় পায়চারী করি
মাথার ওপর ঘোরে বৈদ্যুতিক পাখা।
মাঝে মাঝে ভয় হয় –
মাটিতে পড়েছে যেটা
আমার নিজেরই ছায়া কি না!
দু একটা শত্রু থাকলে
মনে হয় – নাহ্ বেঁচে আছি;
এভাবে একা একা অন্ধকারে মিশে...
শুয়ে থাকার দিনও শেষ হয়ে এলো।
দরজা খোল মা-
এভাবে একটা ঘরে
এতদিন বেঁচে থাকা
ওষুধ খাওয়ার থেকে
বেশি কষ্টকর।
পাশের ঘর বলতে জংলার গাছ;
কি একটা লাল পোকা –
প্রতিদিন সন্ধ্যে হলে মোমবাতির কাছে;
আগুনের রঙ বদলানো
দেখে যায়, অথচ আমার
ভাষা সে কিছুই বোঝে না!
সময় ফুরিয়ে এলো।
ফিরে দেখা সুতোদের জট
এবার কাটিয়ে উঠে, দরজা জানালা
সামান্য আলোর কথা মুখে তুলেছিল...
আক্ষেপ সে সবে নয়-
ভাবি শুধু – কতই কবিতা
না পড়াই রেখে যেতে হ’ল।
দরজা খোল মা।”
―
ওধারের ছিটকিনিতে জং পড়ে আছে,
সিঁদুর শুকোলে যে রঙ নেয় সিঁথি;
‘মা’র কাছে বাতাস তো সন্তানের শ্বাস’
বলতে মা, মনে আছে?
জ্বরের ওপাশ থেকে;
জলপটি, সরু কোন নদী
কপালে বুলিয়ে দিতে;
তাই পার হতেই এসেছি।
শেষ লঞ্চ ছেড়ে গেলে
আঁচলের সুতো ছিঁড়ে দিও।
কতবার গৌতমের মতো
রাস্তায় মৃত দেখে, বেড়িয়েছি
আলোর সন্ধানে।
সারাদিন ঘুরে শেষে
বাড়ি ফিরে দেখি-
সন্ধ্যা প্রদীপ হাতে তুমি,
পৃথিবীর সমস্ত আলো
অনায়াসে
তুলসী মঞ্চে ফেলে রেখে গেলে।
সারারাত ঘরময় পায়চারী করি
মাথার ওপর ঘোরে বৈদ্যুতিক পাখা।
মাঝে মাঝে ভয় হয় –
মাটিতে পড়েছে যেটা
আমার নিজেরই ছায়া কি না!
দু একটা শত্রু থাকলে
মনে হয় – নাহ্ বেঁচে আছি;
এভাবে একা একা অন্ধকারে মিশে...
শুয়ে থাকার দিনও শেষ হয়ে এলো।
দরজা খোল মা-
এভাবে একটা ঘরে
এতদিন বেঁচে থাকা
ওষুধ খাওয়ার থেকে
বেশি কষ্টকর।
পাশের ঘর বলতে জংলার গাছ;
কি একটা লাল পোকা –
প্রতিদিন সন্ধ্যে হলে মোমবাতির কাছে;
আগুনের রঙ বদলানো
দেখে যায়, অথচ আমার
ভাষা সে কিছুই বোঝে না!
সময় ফুরিয়ে এলো।
ফিরে দেখা সুতোদের জট
এবার কাটিয়ে উঠে, দরজা জানালা
সামান্য আলোর কথা মুখে তুলেছিল...
আক্ষেপ সে সবে নয়-
ভাবি শুধু – কতই কবিতা
না পড়াই রেখে যেতে হ’ল।
দরজা খোল মা।”
―
“একটা সময় আসে
নিজেকে বলারও আর কিছুই থাকে না
অবসাদ তীব্র হয়
মনখারাপের কোন কারণ থাকে না
লোকজন হাসাহাসি করে ।”
―
নিজেকে বলারও আর কিছুই থাকে না
অবসাদ তীব্র হয়
মনখারাপের কোন কারণ থাকে না
লোকজন হাসাহাসি করে ।”
―
“ক্লান্তি নেমেছে চোখে
বিশ্রামের সময় এসেছে
দেখি দূরে বটগাছ
এতো যার বিস্তার
সেও কত একা”
―
বিশ্রামের সময় এসেছে
দেখি দূরে বটগাছ
এতো যার বিস্তার
সেও কত একা”
―
“কি অদ্ভুত যোগাযোগ দ্যাখো
এতকাল অপেক্ষার পর
দু’জনেই বিপরীত মুখে
হেঁটে যাব দু’জনের পদচিহ্ন ধরে।
জেলের দেয়াল বড় উঁচু
অনেক বেলা না হলে নিজেদের ছায়া পড়ে না
অনেকটা সময় থাকে কবিতা লেখার।
শিল্পীর ভাগ্যই তাই
যাঁকে সে শরীর দেয়
তাঁরই কাছে হাঁটু মুড়ে বসা...।
আর তুমিও শিল্পী বটে
মাটি জল বাতাস উত্তাপে
যে মানুষ তোমাকে নিজের আকার দেয়;
সেই পঞ্চভূতে মিশিয়েই
তাকে দাও তোমার আকার।”
―
এতকাল অপেক্ষার পর
দু’জনেই বিপরীত মুখে
হেঁটে যাব দু’জনের পদচিহ্ন ধরে।
জেলের দেয়াল বড় উঁচু
অনেক বেলা না হলে নিজেদের ছায়া পড়ে না
অনেকটা সময় থাকে কবিতা লেখার।
শিল্পীর ভাগ্যই তাই
যাঁকে সে শরীর দেয়
তাঁরই কাছে হাঁটু মুড়ে বসা...।
আর তুমিও শিল্পী বটে
মাটি জল বাতাস উত্তাপে
যে মানুষ তোমাকে নিজের আকার দেয়;
সেই পঞ্চভূতে মিশিয়েই
তাকে দাও তোমার আকার।”
―

