Bengali Poetry Quotes

Quotes tagged as "bengali-poetry" Showing 1-30 of 57
“অভ্যাস বদলেছে কিছু।
সময়ও বদলেছে ঘড়ি।
অতীতের একা থাকা গুলো
ইদানিং উপভোগ করি।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“একটা সময় পর
মনখারাপেরা
শিখে যায় স্কুল থেকে
একা বাড়ি ফেরা।”
mriganka sekhar ganguly

“জানি, তার ভালোলাগাগুলি
সংক্ষেপে লিখি নি কোথাও।
ভালোবাসা- চলে যাওয়া সময়ের মতো;
সময়ে তাই তাকে বলতে পারি নি।
নিজের চাওয়ার কাছে
এতোটাই পাথর ছিলাম।
কিছু কিছু ভালোবাসা
বোঝা যায় বিচ্ছেদের পর।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“একটা সময় পর,
মনে হয়- পৃথিবীতে
শব্দ কমিয়ে আনা
জরুরি ভীষণ।

আমার শ্বাসের শব্দ
ইদানিং উত্যক্ত করে।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“প্রতিদিন যে মানুষ
গ্রহণযোগ্যতা হারায়,
তাকে তুমি ভালোবাসতে শেখাও।
গাছকে, পাখিকে, রাস্তার কুকুরকে।
সে বুঝবে পৃথিবীতে
প্রতিদানে শুধুমাত্র
মানুষ ফেরায়।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“পৃথিবীর কাছে আমি অন্ধের মতো
রঙের বর্ণনা শুনি।
অথচ এও জানি
জলের স্বচ্ছতা নিয়ে
তোমাকে কোনদিন পড়তে পাব না।
তোমার ক্ষতের গায় আঙ্গুল বুলিয়ে
পড়ে চলেছি ব্রেইল পদ্ধতিতে।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“আমাকে সহজ করে দাও।
যেন শিশুপাঠ্য হয়ে উঠতে পারি।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“এতো যে অপবাদ দাও প্রতিদিন
অথচ বোঝো না-
তোমার ব্যাধ-জন্মে
আমিই ছিলাম হরিণ।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“যারা মুখে বলতে পারে না -
বুক ভ'রে শ্বাস নিতে কত কষ্ট হয় ।
তাদের কথার ভার কবিতা কমায়।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“কী হয় ঝড়ের সাথে
ফেলে দেওয়া চিঠি উড়ে এলে?
হয় তো বা পড়ে দেখি
আরেকবার, অভ্যাসবশত।
যদিও জানি না,
সময়ের সাথে অর্থ বদলে যায় কি না।

অথচ দু'বার আমরা মানুষ পড়ি না।”
mriganka sekhar ganguly

“ভালোবাসি' - মুখে বলতে পারে না সকলে।
অবান্তর খোঁজ নেবে- বাড়ি ফিরেছ কিনা।
মনে করাবে ওষুধের কথা।
প্রতিদিন প্রশ্ন করবে- কেমনটা আছ
'ভালোবাসি'- মুখে বলতে সকলে পারে না৷”
Mriganka Sekhar Ganguly

“আমিও অবাক চোখে
বিচ্ছেদ দেখেছি।
আমাকে অবশ ক'রে
ছেড়ে যাচ্ছ তুমি।
এতোটা অবশ আমি
তোমার বাঁধন ছেড়ে বেরতে পারি না।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“হঠাৎ বদলে যাওয়া
প্রতিটি মানুষ জেনো
বিচ্ছেদের ক্ষয়।
পুরোনো ক্ষতের দাগ
আনমনে খুঁটে ফেললে
রক্তপাত হয়।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“মাঝে মাঝে এমনও হয়েছে-
যা কিছু বলার ছিল
লিখেছি সাধ্যমত
তোমাকে বোঝাতে।
তারপর মনে হল-
হয় তো আমার কথা
তোমাকে ক্লান্ত ক'রে তোলে।
তাই সব মুছে দিয়ে
চুপ ক'রে গিয়েছি সহসা।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“বুকের বাঁ দিকে কোন উপমা থাকে না,
একমাত্র হৃদ্-রোগী জানে।
তুমি এসে শিখিয়েছ -
প্রকৃত একাকী হ'লে
মৃত্যুভয় কেটে যেতে থাকে;
মানুষ গাছের মতো নির্লিপ্ত হয়ে যায়;
কাটা পড়ে, তবু প্রাণে আঘাত লাগে না।”
Mriganka Sekhar Ganguly

Purnendu Pattrea
“কেবল কলকাতা নয়
পৃথিবীর সমস্ত বৈদ্যুতিক শহর
এখন মানুষ পেলে আর ইলিশমাছ খায় না।
তরতাজা যৌবন পেলে ছুড়ে দেয় হ্যামবার্গারের ডিস
পোর্সেলিনের বাটিতে হাড়-মাস-ভাসানো তরল স্যূপ পেলে
মাদ্রিদ থেকে মোরাদাবাদ
তেহেরান থেকে ত্রিপুরা
গের্নিকা থেকে গৌহাটির
শিয়াল-শকুনের মুখে
বিসর্জনের রঘুপতি খিলখিল করে হেসে ওঠেন যেন।”
Purnendu Pattrea, পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

Purnendu Pattrea
“মানুষ মেঘের কাছে আগে কত কবিতা চেয়েছে
এখন পেট্রোল চায়, প্রমোশন, পাসপোর্ট চায়।”
Purnendu Pattrea, পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

“ভালোবাসা ভিক্ষুকের আধুলির মতো
তার কোন সঞ্চয় নেই
মালিকানা বদল একদিনের ব্যাপার
তবুও ভিখারি কত আশা নিয়ে থাকে
উপেক্ষা ভরেও যদি ছুঁড়ে দেয় কেউ
সে বলে - ঈশ্বর মঙ্গল করুন।
আমরা বোকার মতো আধুলি জমাই
ঈশ্বরকে দোষ দি, আচল বেরোলে ।

- মৃগাঙ্ক শেখর গঙ্গোপাধ্যায়”
Mriganka Sekhar Ganguly

“মিথ্যেগুলো যত্ন ক'রে সাজাই ঘরে
চুরি যাওয়ার ভয়ে বসাই খুব পাহারা
এখন আমার সত্যি ভীষণ ইচ্ছে করে
আমাদের মধ্যে আর কিছুই না থাক মিথ্যে ছাড়া।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“দিন তো দিনের মতো কাটে
অভ্যাস বদলেছে কিছু।
অতীতের একা থাকা গুলো
ইদানিং উপভোগ করি।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“আমার অসুখ করে।
কী যে অসুখ করে বুঝতে পারি না।
ডাক্তার তাড়া দেয়-
পাঠায় একাকী এক অন্ধকার ঘরে।
আমি ভাবি- এ তোমার বুকের ভেতর।
মেঝেতে পায়ের ছাপ, দেয়ালে নখের।
বোঝা যায় এতোদিন অন্য কেউ ছিল।
চলে গেছে, রেখে গেছে অপেক্ষার দাগ।
এ ঘরে জানলা নেই।
যেটুকু বাতাস ঐ তোমার শ্বাসের।
পরজীবী বেঁচে থাকা।
তুমি যদি রাগ করো,
দমবন্ধ করে রাখো,
আমি তবে বাঁচি কী উপায়।

জানো আমি ভুলে যাই-
ওষুধ সময়ে খেতে,
জল ঠিক মনেও পড়ে না।
ঘাম হ'লে মনে হয় -
ফ্যান তো চালানো ছিল,
বন্ধ হয়েছে ঠিক কবে ?
অথচ তোমার কথা -
মনে পড়ে মনে পড়ে
ভুলতে পারি না।

ওষুধটা কড়া খুব;
ডাক্তার বলেছিল -
ঘুম হ'লে সব সেরে যাবে।
যেন এ ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট মানুষ থাকে না।
ইদানিং নিজেকেও ঠিক যেন মানুষ লাগে না;
মনে হয়- কোন ঘড়ি,
দম দিতে ভুলে গেছে কেউ।
তুমিও তো দিনমানে দু'বার তাকাও
বন্ধ হয়ে পড়ে আছি
তাই আর বুঝতে পারো না।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“অসম্ভব এর পরের ধাপ হলো অবাস্তব; যা অতি চেষ্টার দ্বারা অর্জন করা সম্ভব।”
আহসান হাবিব মুয়াজ

“যক্ষ-প্রিয়ার চিঠি দিতে নিতে মেঘ;
কখন হয়েছে ঘন তার প্রেমাবেগ।
অথচ প্রকাশে যত কুণ্ঠা ছিল তার
ধারণে কৃষ্ণ হ'ল, বিষ-উদ্‌গার।
যতবার আর ভার পারে না সে নিতে
বৃষ্টি হয়ে ততবার ঝরে পৃথিবীতে।”
Mriganka Sekhar Ganguly

“বড় হওয়ার নেশা বড় ভয়ংকর-
হেরে গেলে অবসাদ,
জিতে গেলে অহংকার”
Mriganka Sekhar Ganguly

“আমার সাধ্য নেই
গোপন সাধের কথা
তোমাকে জানাবো।

- মৃগাঙ্কশেখর গঙ্গোপাধ্যায়”
Mriganka Sekhar Ganguly

“আমি তার শূন্য ভিক্ষা থালা"

Adaptation: Rumi”
Mriganka Sekhar Ganguly

“এতটা পুড়িনি আগে;  
সেইবারও জ্বেলেছিলে,  
মোমবাতি মনে ক'রে।  
আমিও চাদর ভেবে তোমাকে জড়িয়ে গায়,  
সারারাত কাটিয়েছি গঙ্গার ধারে।  

I haven't burned this much before;
Even that time you lit (me) ,
Thinking of (me) as a candle.
I too, thinking of you as a shawl, wrapped you around my body,
(and) spent the whole night by the Ganges.”
Mriganka Sekhar Ganguly

“রাজ্য নাচে, দেশ নাচে
হাড়িতে জলও নাচে
শুধু জলে চালটি নাচে না।

Hindi Translation:

राज्य नाचे, देश नाचे
हांडी में पानी भी नाचे
सिर्फ पानी में चावल नहीं नाचते।

English Translation:

The state dances, the country dances
Even the water in the pot dances
Only the rice in the water doesn't dance.”
Mriganka Sekhar Ganguly

Rudra Mohammad Shahidullah
“আমি
দুঃখগুলো
টাকার মতো
গুনে দেখতে চাই
-উৎসর্গ”
Rudra Mohammad Shahidullah

Kazi Nazrul Islam
“কেন খুঁজে ফের দেবতা-ঠাকুর মৃত-পুঁথি-কঙ্কালে?

 হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে।”
Kazi Nazrul Islam

« previous 1