জার্নাল-০৬
দ্বিতীয় উপন্যাসের প্রথম খসড়া আজ শেষ হলো।
দুই হাজার পনেরোর যে সময়টিতে দাঁড়িয়ে পরিকল্পনা এবং অল্পস্বল্প কাজ শুরু হয়েছিলো এই উপন্যাসের, দুই শূন্য সতেরোর শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখি-সেই সময়টি আজ মশারির মতো অস্পষ্ট। দেশ ছেড়ে গেছেন অনেক পরিচিত মুখ, চুরি হয়ে গেছে ভরসার অনেকটুকু জায়গা, বদু মওলানা আর বিগ ব্রাদারের ভিড়ের চোটে দাঁড়ানো যায় না কোথাও। পৃথিবীর সমস্ত প্রযুক্তি হাতে করে নিয়েও আজকাল তাই ঘরে কী বাইরে যোগাযোগের অক্ষমতায় থমকানোই হয় বেশি। আর বাস্তবতা তো পাড়ার এক ছ্যাঁচড়া মাস্তান। দৈনন্দিন অফিসে, রাস্তার ক্লান্তিতে, পাছে লোকে কিছু বলার উৎসবে এই মুন্না ভাইকে চান্দা না দিয়ে উপায় নেই। কিন্তু অক্ষরের মাঝে ইতিহাসের সাথে চোর-পুলিশ খেলায় যে ছেলেমানুষি মজা আমি পাই, সেই ব্যক্তিগত আনন্দ থেকে আমায় থামাবে কে? সদ্য শেষ করা খসড়া দেখে প্রথমে তাই ইচ্ছা হয় যে সুকুমার রায় পড়ি।
অথচ স্বস্তিতে ভিজে জবজব হবার সময় আসলে আসেনি। টের পাই, এইসব অক্ষর বাংলা সিনেমার অথর্ব পুলিশের চাইতে বেশি কিছু হতে পারেনি, শেষ দৃশ্যে বিবেকের মতো ডায়লগ ছাড়া বাদে আর কোনো কাজ এদের দিয়ে চলে না। পাটকাঠি সদৃশ এই দুর্বল পুলিশবাহিনীকে নায়কোচিত করে তুলতে আমার হাত অ্যাতো শিরশির করে যে মন চায় এদের শৈশবেই ভিলেনের আস্তানায় পাঠিয়ে কিছুদিন অ্যাকশান করার তালিম দেই। এছাড়া এদের স্বাবলম্বী করে তোলার আর কোনো রাস্তা নাই।
ভালো লাগে এই ভেবে যে বহু মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে এই নিরর্থক ছোটাছুটিতে, অভ্যুথান আর রক্তপাতে পূর্ণ একটি জনপদ আবিষ্কার করতে গিয়ে অনেক আলোকিত আর স্বচ্ছ মনের মানুষের সন্ধান আমি পেয়েছি। তাদের পরিচয় হয়তো কখনো বলা হবে পরে, তবে এ মুহূর্তে মনে পড়ে আনিস ভাইয়ের কথা। আনিস মাহমুদ চলে গেছেন বলে তাকে বিরক্ত করা হয়ে উঠছে না আর, কিন্তু আমি নিশ্চিত জানি- আজ এই খসড়া সমাপ্তির কথা শুনে তিনিই খুশি হতেন সবার চাইতে বেশি।
আধা-ইচ্ছার সংকট হতে বাঁচায়ে মোরে, শুধু আনিস ভাইয়ের জন্য হলেও, আমি জানি, দুর্বল এই পাণ্ডুলিপিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে আরো কিছুদিন পরিশ্রম করতেই হবে।
দুই হাজার পনেরোর যে সময়টিতে দাঁড়িয়ে পরিকল্পনা এবং অল্পস্বল্প কাজ শুরু হয়েছিলো এই উপন্যাসের, দুই শূন্য সতেরোর শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখি-সেই সময়টি আজ মশারির মতো অস্পষ্ট। দেশ ছেড়ে গেছেন অনেক পরিচিত মুখ, চুরি হয়ে গেছে ভরসার অনেকটুকু জায়গা, বদু মওলানা আর বিগ ব্রাদারের ভিড়ের চোটে দাঁড়ানো যায় না কোথাও। পৃথিবীর সমস্ত প্রযুক্তি হাতে করে নিয়েও আজকাল তাই ঘরে কী বাইরে যোগাযোগের অক্ষমতায় থমকানোই হয় বেশি। আর বাস্তবতা তো পাড়ার এক ছ্যাঁচড়া মাস্তান। দৈনন্দিন অফিসে, রাস্তার ক্লান্তিতে, পাছে লোকে কিছু বলার উৎসবে এই মুন্না ভাইকে চান্দা না দিয়ে উপায় নেই। কিন্তু অক্ষরের মাঝে ইতিহাসের সাথে চোর-পুলিশ খেলায় যে ছেলেমানুষি মজা আমি পাই, সেই ব্যক্তিগত আনন্দ থেকে আমায় থামাবে কে? সদ্য শেষ করা খসড়া দেখে প্রথমে তাই ইচ্ছা হয় যে সুকুমার রায় পড়ি।
অথচ স্বস্তিতে ভিজে জবজব হবার সময় আসলে আসেনি। টের পাই, এইসব অক্ষর বাংলা সিনেমার অথর্ব পুলিশের চাইতে বেশি কিছু হতে পারেনি, শেষ দৃশ্যে বিবেকের মতো ডায়লগ ছাড়া বাদে আর কোনো কাজ এদের দিয়ে চলে না। পাটকাঠি সদৃশ এই দুর্বল পুলিশবাহিনীকে নায়কোচিত করে তুলতে আমার হাত অ্যাতো শিরশির করে যে মন চায় এদের শৈশবেই ভিলেনের আস্তানায় পাঠিয়ে কিছুদিন অ্যাকশান করার তালিম দেই। এছাড়া এদের স্বাবলম্বী করে তোলার আর কোনো রাস্তা নাই।
ভালো লাগে এই ভেবে যে বহু মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে এই নিরর্থক ছোটাছুটিতে, অভ্যুথান আর রক্তপাতে পূর্ণ একটি জনপদ আবিষ্কার করতে গিয়ে অনেক আলোকিত আর স্বচ্ছ মনের মানুষের সন্ধান আমি পেয়েছি। তাদের পরিচয় হয়তো কখনো বলা হবে পরে, তবে এ মুহূর্তে মনে পড়ে আনিস ভাইয়ের কথা। আনিস মাহমুদ চলে গেছেন বলে তাকে বিরক্ত করা হয়ে উঠছে না আর, কিন্তু আমি নিশ্চিত জানি- আজ এই খসড়া সমাপ্তির কথা শুনে তিনিই খুশি হতেন সবার চাইতে বেশি।
আধা-ইচ্ছার সংকট হতে বাঁচায়ে মোরে, শুধু আনিস ভাইয়ের জন্য হলেও, আমি জানি, দুর্বল এই পাণ্ডুলিপিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে আরো কিছুদিন পরিশ্রম করতেই হবে।
Published on December 28, 2017 05:25
No comments have been added yet.


