Ex_Libris_ > Ex_Libris_'s Quotes

Showing 1-7 of 7
sort by

  • #1
    Frank Zappa
    “So many books, so little time.”
    Frank Zappa

  • #2
    Shirshendu Mukhopadhyay
    “আমি যে তাকে ভালবাসি তা ওঁর রূপের জন্যও নয়, গুণের জন্যও নয়। ভাল না বেসে থাকতে পারি না বলে বাসি।”
    Shirshendu Mukhopadhyay, গয়নার বাক্স

  • #3
    Franz Kafka
    “Dear Milena,
    I wish the world were ending tomorrow. Then I could take the next train, arrive at your doorstep in Vienna, and say: “Come with me, Milena. We are going to love each other without scruples or fear or restraint. Because the world is ending tomorrow.” Perhaps we don’t love unreasonably because we think we have time, or have to reckon with time. But what if we don't have time? Or what if time, as we know it, is irrelevant? Ah, if only the world were ending tomorrow. We could help each other very much.”
    Franz Kafka, Letters to Milena

  • #4
    Humayun Azad
    “সবাই চ'লে গেছে, ঘোলা হয়ে আছে আমাদের পুবপুকুরের টলটলে জল। ভীষণ বিষণ্ন দেখায় পুকুরটিকে। ঘন ঘোলা পানি শব্দ করে না, কলকল করে না, নিথরভাবে প'ড়ে থাকে। তাতে ভাসতে থাকে ছিঁড়েফাড়া কচুরিপানা - এদিকে ভাসে ওদিকে ভাসে। মনে হয় কাঁদে। ঘোলা জলে কচুরিপানার ছবি গেঁথে আছে আমার চোখে। যখন আমি এ-শহরে, শহরকে আমার অনেক সময় ঘোলাজলের পুকুর ব'লেই মনে হয়, কাউকে ঘুরতে দেখি একা একা - বিষন্ন, মলিন উস্কোখুস্কো, তখনি মনে পড়ে মানুষ নামার পরে পুবপুকুরের ঘোলাজলে ভাসমান জীর্ণ কচুরিপানাগুলোকে। এমন কচুরিপানা-মানুষ দেখেছিলাম আমি একাত্তুরের সাতাশে মার্চে। পঁচিশে মার্চের আক্রমণ ও ছাব্বিশে মার্চের সান্ধ্য আইনের পরে সাতাশে মার্চে ঢাকা শহরের মানুষেরা বেরিয়ে পড়েছিলো রাস্তায় - হাঁটছিলো, ভয় পাচ্ছিলো, নিরুদ্দেশ পথ চলছিলো, ঠিক যেনো আমাদের পুকুরে মানুষ নামার পরে ঘোলা জলে এলোমেলো ভাসমান ছিন্নভিন্ন কচুরিপানার দল।”
    Humayun Azad, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না

  • #5
    Humayun Ahmed
    “প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই
    গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা কি উঠেছে ?
    বালিকা ভুলানো জোছনা নয়।
    যে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে ছুটাছুটি করতে করতে বলবে ―
    ও মাগো, কি সুন্দর চাঁদ ।
    নব দম্পত্তির জোছনাও নয় ।
    যে জোছনা দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলবেন ―
    দেখো দেখো নীতু, চাঁদটা তোমার মুখের মতই সুন্দর ।
    কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাতে জোছনা নয় ।
    যে জোছনা বাসি স্মৃতিপূর্ণ ডাষ্টবিন উল্টে দেয় আকাশে ।
    কবির জোছনা নয় । যে জোছনা দেখে কবিরা বলবেন ―
    কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ ।
    আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জোছনার জন্য বসে আছি ।
    যে জোছনা দেখা মাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে ―
    ঘরের ভেতর ঢুকে পড়বে বিস্তৃত প্রান্তর ।
    প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব আর হাঁটব ―
    পূর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে ।
    চারদিক থেকে বিবিধ কন্ঠ ডাকবে ― আয় আয় আয় ।”
    Humayun Ahmed, কবি

  • #6
    Shirshendu Mukhopadhyay
    “শুধু বেঁচে থাকতে পারলে, কোনওরকমে কেবলমাত্র বেঁচে থাকতে পারলেও জীবনে কত কী যে হয় !”
    Shirshendu Mukhopadhyay, সাঁতারু ও জলকন্যা

  • #7
    Jibanananda Das
    “আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
    আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
    পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
    জীবনের বিবিধ অত্যাশ্চর্য সফলতার উত্তেজনা
    অন্য সবাই বহন করে করুক; আমি প্রয়োজন বোধ করি না :
    আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
    হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
    নক্ষত্রের নিচে।”
    Jibanananda Das, জীবনানন্দ দাশ কবিতা সমগ্র



Rss