উপদ্রুত উপকূল Quotes
উপদ্রুত উপকূল
by
Rudra Mohammad Shahidullah41 ratings, 4.20 average rating, 7 reviews
উপদ্রুত উপকূল Quotes
Showing 1-20 of 20
“আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ,
নীরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ,
আমাকে গ্রহণ করো।
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান,
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ।
আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে?”
― উপদ্রুত উপকূল
নীরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ,
আমাকে গ্রহণ করো।
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান,
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ।
আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে?”
― উপদ্রুত উপকূল
“সব কথা শেষ হলে ফিরে যাবো,
একটি চোখ রেখে যাবো শিথানের জানালায়।
সব কথা শেষ হলে করাঘাত জাগাবে তোমায়,
তুমি এসে খুলবে দুয়ার— দ্যাখা হবে না।”
― উপদ্রুত উপকূল
একটি চোখ রেখে যাবো শিথানের জানালায়।
সব কথা শেষ হলে করাঘাত জাগাবে তোমায়,
তুমি এসে খুলবে দুয়ার— দ্যাখা হবে না।”
― উপদ্রুত উপকূল
“বলো আমি কতোখানি প্রেম হবো, কতোখানি বিনিদ্র রাত
সাপের দাঁতের মতো কতোটুকু বিষাক্ত হবো স্বভাবে শরীরে,
বলো, বলো আমি কতোখানি হিংস্র পাশবিক হবো, কতোখানি
নিঃসঙ্গ ঈশ্বর!”
― উপদ্রুত উপকূল
সাপের দাঁতের মতো কতোটুকু বিষাক্ত হবো স্বভাবে শরীরে,
বলো, বলো আমি কতোখানি হিংস্র পাশবিক হবো, কতোখানি
নিঃসঙ্গ ঈশ্বর!”
― উপদ্রুত উপকূল
“আমি যার হাতে ফুল তুলে দিই
সে-ই প্রথম ভুল বোঝে আমাকে।
আমি ভুল বুঝলে কে আমার হাতে তুলে দেবে ফুলের স্বপ্ন?”
― উপদ্রুত উপকূল
সে-ই প্রথম ভুল বোঝে আমাকে।
আমি ভুল বুঝলে কে আমার হাতে তুলে দেবে ফুলের স্বপ্ন?”
― উপদ্রুত উপকূল
“আমরা কি কিছুই কবো না আর?
আকাশের দেহ থেকে ঝ’রে পড়ে সন্ধার আঁধার-
এসো কথা বোলে উঠি, আমরা ভালোবাসার কথা বলি,
এই নিশব্দের দেয়াল ভেঙে এসো আজ স্বপ্নের কথা বলি।
আমাদের প্রিয় কথাগুলো, গল্পগুলো, প্রিয় স্বপ্নগুলো
সেই শৈশবের মতো কতোদিন প্রান খুলে বলিনি কোথাও!
আহা, কতোদিন আমরা আমাদের ভালোবাসার কথা বলিনি!”
― উপদ্রুত উপকূল
আকাশের দেহ থেকে ঝ’রে পড়ে সন্ধার আঁধার-
এসো কথা বোলে উঠি, আমরা ভালোবাসার কথা বলি,
এই নিশব্দের দেয়াল ভেঙে এসো আজ স্বপ্নের কথা বলি।
আমাদের প্রিয় কথাগুলো, গল্পগুলো, প্রিয় স্বপ্নগুলো
সেই শৈশবের মতো কতোদিন প্রান খুলে বলিনি কোথাও!
আহা, কতোদিন আমরা আমাদের ভালোবাসার কথা বলিনি!”
― উপদ্রুত উপকূল
“হাত ধরো
আমি হিংসার পৃথিবীতে এনে দেবো সুগভীর প্রেম
কবিতার অহিংস স্বভাব।
হাত ধরো, হাত ধরো— আমি তোমাদের আরাধ্য ভুবনে
এনে দেবো ব্যতিক্রম অভিধান,
তোমাদের তমসা-সকালে আমি পৌঁছে দেবো
সমস্যাহীন এক সূর্যময় রোদ্দুর।”
― উপদ্রুত উপকূল
আমি হিংসার পৃথিবীতে এনে দেবো সুগভীর প্রেম
কবিতার অহিংস স্বভাব।
হাত ধরো, হাত ধরো— আমি তোমাদের আরাধ্য ভুবনে
এনে দেবো ব্যতিক্রম অভিধান,
তোমাদের তমসা-সকালে আমি পৌঁছে দেবো
সমস্যাহীন এক সূর্যময় রোদ্দুর।”
― উপদ্রুত উপকূল
“হিরন্ময় রুটি— ভাত— বিক্ষোভ— বিশ্বাস বলো
আমি কতোজন শ্রমিক হবো, কতোজন দুর্বিনীত ঘাতক!
বলো আমি কতোখানি প্রেম হবো, কতোখানি বিনিদ্র রাত
সাপের দাঁতের মতো কতোটুকু বিষাক্ত হবো স্বভাবে শরীরে,
বলো, বলো আমি কতোখানি হিংস্র পাশবিক হবো, কতোখানি
নিসঙ্গ ঈশ্বর!”
― উপদ্রুত উপকূল
আমি কতোজন শ্রমিক হবো, কতোজন দুর্বিনীত ঘাতক!
বলো আমি কতোখানি প্রেম হবো, কতোখানি বিনিদ্র রাত
সাপের দাঁতের মতো কতোটুকু বিষাক্ত হবো স্বভাবে শরীরে,
বলো, বলো আমি কতোখানি হিংস্র পাশবিক হবো, কতোখানি
নিসঙ্গ ঈশ্বর!”
― উপদ্রুত উপকূল
“রক্তে প্রেম তোর, তবু তুই হোলি এতো বেশি নিসঙ্গ মানুষ!”
― উপদ্রুত উপকূল
― উপদ্রুত উপকূল
“একটি-আমার ধংশেও যদি
অমলিন অনবদ্য
একটি-তোমার বেঁচে থাকা হয় সত্য,
আমি তবে হবো সেই ধংশেই অপরূপ।”
― উপদ্রুত উপকূল
অমলিন অনবদ্য
একটি-তোমার বেঁচে থাকা হয় সত্য,
আমি তবে হবো সেই ধংশেই অপরূপ।”
― উপদ্রুত উপকূল
“বিপ্লবের স্বপ্ন বুকে মানুষেরা যেভাবে ঘুমোয়,
যেভাবে তোমার চোখে মিশে থাকে বেদনার লাভা
বিস্ফোরন বুকে নিয়ে আমিও তেমনি আছি।
আমাকে নিকটে রাখো, বুকে রাখো শীতার্ত স্বদেশ—
প্রয়োজন ছাড়া আমি জ্বলি না কখনো।”
― উপদ্রুত উপকূল
যেভাবে তোমার চোখে মিশে থাকে বেদনার লাভা
বিস্ফোরন বুকে নিয়ে আমিও তেমনি আছি।
আমাকে নিকটে রাখো, বুকে রাখো শীতার্ত স্বদেশ—
প্রয়োজন ছাড়া আমি জ্বলি না কখনো।”
― উপদ্রুত উপকূল
“জ্ব’লে ওঠা বারুদের নিজস্ব স্বভাব,
স্বভাবের দোষে তাকে দূরে রাখে সতর্ক মানুষ।
বিস্ফোরন বুকে আছে, আমি তার নিয়ন্ত্রন জানি,
আমাকে নিকটে রাখো, বুকে রাখো শীতার্ত কুমারী-
প্রয়োজন ছাড়া আমি জ্বলি না কখনো।”
― উপদ্রুত উপকূল
স্বভাবের দোষে তাকে দূরে রাখে সতর্ক মানুষ।
বিস্ফোরন বুকে আছে, আমি তার নিয়ন্ত্রন জানি,
আমাকে নিকটে রাখো, বুকে রাখো শীতার্ত কুমারী-
প্রয়োজন ছাড়া আমি জ্বলি না কখনো।”
― উপদ্রুত উপকূল
“আমি নেই তাই বকুল হয়েছে প্রিয়, দুখের কারন
আমি নেই বোলে বকুল বলছে কথা স্মৃতির ভাষায়।
যেন আমি নই, এই বাসি বকুল ভালোবেসে একদিন
অভিমানী রাতে তুমি বেদনার জোস্না মেখেছিলে বুকে,
যেন এই বকুলের জন্যে এতো পথ হেঁটে আসা
এতো রাত জেগে থাকা অপেক্ষার সাথে একাকি।”
― উপদ্রুত উপকূল
আমি নেই বোলে বকুল বলছে কথা স্মৃতির ভাষায়।
যেন আমি নই, এই বাসি বকুল ভালোবেসে একদিন
অভিমানী রাতে তুমি বেদনার জোস্না মেখেছিলে বুকে,
যেন এই বকুলের জন্যে এতো পথ হেঁটে আসা
এতো রাত জেগে থাকা অপেক্ষার সাথে একাকি।”
― উপদ্রুত উপকূল
“সবুজ ছায়ার নিচে ঘুমে চোখ ঢুলে এলে
মা যাকে শোনাতো সেই তুষার দেশের কথা,
তার চোখে আজ এতো রাতজাগা ক্লান্তির শোক!”
― উপদ্রুত উপকূল
মা যাকে শোনাতো সেই তুষার দেশের কথা,
তার চোখে আজ এতো রাতজাগা ক্লান্তির শোক!”
― উপদ্রুত উপকূল
“এ যেন নষ্ট জন্মের লজ্জায় আড়ষ্ট কুমারী জননী,
স্বাধীনতা— একি তবে নষ্ট জন্ম?
একি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল?”
― উপদ্রুত উপকূল
স্বাধীনতা— একি তবে নষ্ট জন্ম?
একি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল?”
― উপদ্রুত উপকূল
“তুমি জানো নাই— আমি তো জানি,
কতোটা গ্লানিতে এতো কথা নিয়ে এতো গান, এতো হাসি নিয়ে বুকে
নিশ্চুপ হয়ে থাকি”
― উপদ্রুত উপকূল
কতোটা গ্লানিতে এতো কথা নিয়ে এতো গান, এতো হাসি নিয়ে বুকে
নিশ্চুপ হয়ে থাকি”
― উপদ্রুত উপকূল
“কতিপয় হিজড়া-পণ্ডিত আর মূর্খ নেতাদের ডিনার টেবিলে
মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বিষন্ন বাংলাদেশ উচ্ছিষ্ট হাড়ের মতো।”
― উপদ্রুত উপকূল
মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বিষন্ন বাংলাদেশ উচ্ছিষ্ট হাড়ের মতো।”
― উপদ্রুত উপকূল
“অতোটা হৃদয় প্রয়োজন নেই,
কিছুটা শরীর কিছুটা মাংস, মাধবীও চাই।
এতোটা গ্রহণ এতো প্রশংসা প্রয়োজন নেই
কিছুটা আঘাত অবহেলা চাই প্রত্যাখ্যান।
অতোটা প্রেমের প্রয়োজন নেই
ভাষাহীন মুখ নিরীহ জীবন
প্রয়োজন নেই— প্রয়োজন নেই
কিছুটা হিংস্র বিদ্রোহ চাই কিছুটা আঘাত
রক্তে কিছুটা উত্তাপ চাই, উষ্ণতা চাই
চাই কিছু লাল তীব্র আগুন।”
― উপদ্রুত উপকূল
কিছুটা শরীর কিছুটা মাংস, মাধবীও চাই।
এতোটা গ্রহণ এতো প্রশংসা প্রয়োজন নেই
কিছুটা আঘাত অবহেলা চাই প্রত্যাখ্যান।
অতোটা প্রেমের প্রয়োজন নেই
ভাষাহীন মুখ নিরীহ জীবন
প্রয়োজন নেই— প্রয়োজন নেই
কিছুটা হিংস্র বিদ্রোহ চাই কিছুটা আঘাত
রক্তে কিছুটা উত্তাপ চাই, উষ্ণতা চাই
চাই কিছু লাল তীব্র আগুন।”
― উপদ্রুত উপকূল
“মাটি জানে, বৃক্ষ জানে, আমি ভুল ভালোবেসে
অন্ধকারে নষ্ট ফলের মতো ঘুণপোকা পুষেছি বুকের ভেতর।
শোণিতে বিক্ষোভ ছিলো, প্রতিজ্ঞায় গাঢ় ছিলো হৃৎপিণ্ডের সাহস,
শুধু কিছুদিন এক মাংসে মোহে আবরিত ছিলাম কলুষ পাখি।
এইবার ফিরে যাবো— যদি নতজানু হই, যদি দ্বিধায় থমকে থাকি,
ঘৃণা কোরো, গ্লানি ছুঁড়ে দিও কঠিন আঘাত জন্মে জীবনে বোধে—
ললাটের মাঝখানে লিখে দিও— পরাজিত, দূষিত মৃত্যু।”
― উপদ্রুত উপকূল
অন্ধকারে নষ্ট ফলের মতো ঘুণপোকা পুষেছি বুকের ভেতর।
শোণিতে বিক্ষোভ ছিলো, প্রতিজ্ঞায় গাঢ় ছিলো হৃৎপিণ্ডের সাহস,
শুধু কিছুদিন এক মাংসে মোহে আবরিত ছিলাম কলুষ পাখি।
এইবার ফিরে যাবো— যদি নতজানু হই, যদি দ্বিধায় থমকে থাকি,
ঘৃণা কোরো, গ্লানি ছুঁড়ে দিও কঠিন আঘাত জন্মে জীবনে বোধে—
ললাটের মাঝখানে লিখে দিও— পরাজিত, দূষিত মৃত্যু।”
― উপদ্রুত উপকূল
