Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Manik Bandopadhyay.
Showing 1-30 of 53
“অন্ধকারে যে বাস করে মৃদু আলোতে তাহার চোখ ঝলসাইয়া যায়।”
― পদ্মানদীর মাঝি
― পদ্মানদীর মাঝি
“কেহ বিশ্বাস করে, কেহ করে না। যে বিশ্বাস করে সেও সত্য-মিথ্যা যাচাই করে না, যে অবিশ্বাস করে সেও না। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্নটা নির্ভর করে মানুষের খুশির উপর।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“বয়স্ক উপযুক্ত সন্তানকে বশ করা, জগতে এতবড় জয় আর নাই।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“মিথ্যারও মহত্ত্ব আছে। হাজার হাজার মানুষকে পাগল করিয়া দিতে পারে মিথ্যার মোহ। চিরকালের জন্যে সত্য হইয়াও থাকিতে পারে মিথ্যা।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“মেয়েমানুষের এরকম হয়, ওরকম হয়, সব রকম হয়, শুধু মনের মত হয় না।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“মনে পাপ থাকার এই একটা লক্ষণ। মনে হয়, সকলে বুঝি সব জানে।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“সব মানুষের মধ্যে একটি খোকা থাকে যে মনের কবিত্ব,মনের কল্পনা,মনের সৃষ্টিছাড়া অবাস্তবতা,মনের পাগলামিকে লইয়া সময়ে-অসময়ে এমনিভাবে খেলা করিতে ভালবাসে।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“কী ক্ষতি মুসলমানের রান্না খাইলে? ডাঙার গ্রামে যারা মাটি ছানিয়া জীবিকা অর্জন করে তাহাদের ধর্মের পার্থক্য থাকে, পদ্মানদীর মাঝিরা সকলে একধর্মী।”
― পদ্মানদীর মাঝি
― পদ্মানদীর মাঝি
“সুখ? নাই-বা রইল সুখ! সুখ দিয়ে কি হবে? সুখ তো শুঁটকি মাছ! জিভকে ছোটলোক না করলে স্বাদ মেলে না।”
― দিবারাত্রির কাব্য
― দিবারাত্রির কাব্য
“...সবাই নিজেকে ভোলায়। খিদে-তেষ্টা পেলে তা মেটানো, ঘুম পেলে ঘুমানো, এসব ছাড়া জীবনটা আমাদের বানানো, নিজেকে ভোলানোর জন্য ছাড়া বানানোর কষ্ট কে স্বীকার করে? বেশিরভাগ মানুষের এটা বুঝবার ক্ষমতা থাকে না, সারাজীবন ভুলও ভাঙে না, বুঝতেই যদি না পারা যায়, ভুল তবে আর কিসের ভুল? কেউ কেউ টের পেয়ে যায়, তাদের হয় কষ্ট। জীবনকে যারা বুঝে, বিশ্লেষণ করে বাঁচতে চায় এই জন্য তারা বড় দুঃখী। বড় যা কিছু আঁকড়ে ধরতে পায় তাই ভুয়ো। এই জন্য এই ধরনের লোকের মনে জীবন থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা থাকা বড় খারাপ- যত বড় প্রত্যাশা তত বড় দুঃখ পায়”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“ছেলে বড় হইলে কি কঠিন হইয়া দাঁড়ায় তার সঙ্গে মেশা। সে বন্ধু নয়,খাতক নয়,উপরওয়ালা নয়,কি যে সম্পর্ক দাঁড়ায় বয়স্ক ছেলের সঙ্গে মানুষের,ভগবান জানেন।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“জানিবার এত বিষয়, উপভোগ করিবার এত উপায়, বিজ্ঞান ও কাব্য মিশিয়া এমন জটিল, এমন রসালো মানুষের জীবন ?”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“অন্ধকারে যে বাস করে মৃদু আলোতে তাহার চোখ ঝলসাইয়া যায়, চোখ ঝলসানো আলোতে সে হয় অন্ধ।”
― Padma Nadir Majhi
― Padma Nadir Majhi
“নদীর মত নিজের খুশিতে গড়া পথে কি মানুষের জীবনের স্রোত বহিতে পারে? মানুষের হাতে কাটা খালে তার গতি, এক অজানা শক্তির অনিবার্য ইঙ্গিতে। মাধ্যাকর্ষণের মত যা চিরন্তন অপরিবর্তনীয়।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“জীবনকে শ্রদ্ধা না করিলে জীবন আনন্দ দেয় না।শ্রদ্ধার সঙ্গে আনন্দের বিনিময়,জীবনদেবতার এই রীতি।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“বাংলা পেশাদার সাহিত্যিকের অবস্থাটা কি দাঁড়ায়? আগেই বলেছি সাময়িকপত্রের দক্ষিণা সমান্য। টাকার জন্য তাই অনেকগুলি কাগজে তাকে লিখতে হবে। বই বিক্রি হয় কম - সুতরাং বেশি বইও তাকে লিখতে হবে।
দু'দিক দিয়ে তার ফল হবে মারাত্মক।
নাম আছে সুতরাং কাগজের মালিকের কথা না ভাবলেও চলে - কিন্তু ওই যে পাঁচখানা কাগজের পাঁচরকম রুচির পাঠক পাঠিকা, তাদের রুচির কথা না ভাবলে তো চলবে না! পাঁচ রকমের পাঁচমিশেলী লেখার খিচুড়ি সাহিত্যে বোঝাই পত্রিকাটির বিক্রির মধ্যে যে বাস্তব সত্যের প্রকাশ তাতে খাতির না করলে অর্থাৎ বেশি সংখ্যক লোকের কাছে রুচিকর হয়, খানিকটা এই ধরণের বই না লিখলে তো চলবে না!
ব্যস, খতম হয়ে গেল লেখকের স্বাধীন সৃষ্টির স্বাধীনতা!
এই গেল ক্রেতা বাড়াবার জন্য নিজের চেতনা ও প্রতিভার যোগ্য ব্যবহার ছাঁটাই করার দিক! অন্য দিকটা হলো বেশি বেশি লিখতে বাধ্য হওয়ার দিক।
হলেন বা নাম-করা লেখক, নতুন চিন্তা আর অভিজ্ঞতার কতই বা তার পুঁজি! পুঁজি খরচ করে বই লিখে তবেই তো নাম-করা লেখক হয়েছেন! পুঁজি ফুরিয়ে গেলে উপায়? পুঁজি বাড়াবার উপায় নেই, বেশি লিখে নতুন চিন্তা ও অভিজ্ঞতার পুঁজি সঞ্চয় করার সময় কই!
অগত্যা বলা কথাই আবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নতুনভাবে বলার চেষ্টা।
ব্যস, খতম হয়ে গেল সাহিত্য সাধনা।”
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
দু'দিক দিয়ে তার ফল হবে মারাত্মক।
নাম আছে সুতরাং কাগজের মালিকের কথা না ভাবলেও চলে - কিন্তু ওই যে পাঁচখানা কাগজের পাঁচরকম রুচির পাঠক পাঠিকা, তাদের রুচির কথা না ভাবলে তো চলবে না! পাঁচ রকমের পাঁচমিশেলী লেখার খিচুড়ি সাহিত্যে বোঝাই পত্রিকাটির বিক্রির মধ্যে যে বাস্তব সত্যের প্রকাশ তাতে খাতির না করলে অর্থাৎ বেশি সংখ্যক লোকের কাছে রুচিকর হয়, খানিকটা এই ধরণের বই না লিখলে তো চলবে না!
ব্যস, খতম হয়ে গেল লেখকের স্বাধীন সৃষ্টির স্বাধীনতা!
এই গেল ক্রেতা বাড়াবার জন্য নিজের চেতনা ও প্রতিভার যোগ্য ব্যবহার ছাঁটাই করার দিক! অন্য দিকটা হলো বেশি বেশি লিখতে বাধ্য হওয়ার দিক।
হলেন বা নাম-করা লেখক, নতুন চিন্তা আর অভিজ্ঞতার কতই বা তার পুঁজি! পুঁজি খরচ করে বই লিখে তবেই তো নাম-করা লেখক হয়েছেন! পুঁজি ফুরিয়ে গেলে উপায়? পুঁজি বাড়াবার উপায় নেই, বেশি লিখে নতুন চিন্তা ও অভিজ্ঞতার পুঁজি সঞ্চয় করার সময় কই!
অগত্যা বলা কথাই আবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নতুনভাবে বলার চেষ্টা।
ব্যস, খতম হয়ে গেল সাহিত্য সাধনা।”
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
“গ্রামের লোকের অনুমানশক্তি প্রখর। সকালে আকাশের দিকে চাহিয়া তাহারা বলিতে পারে বিকালে বৃষ্টি হইবে। বিকালে যদি নেহাৎ বৃষ্টি না-ই হয় সে অপরাধ অবশ্য আকাশের।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“জীবনকে শ্রদ্ধা না করিলে জীবন আনন্দ দেয় না। শ্রদ্ধার সঙ্গে আনন্দের বিনিময়, জীবনদেবতার এই রীতি।
শশী তাই প্রাণপণে জীবনকে শ্রদ্ধা করে। সঙ্কীর্ণ জীবন, মলিন জীবন, দুর্বল পঙ্গু জীবন - সমস্ত জীবনকে।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
শশী তাই প্রাণপণে জীবনকে শ্রদ্ধা করে। সঙ্কীর্ণ জীবন, মলিন জীবন, দুর্বল পঙ্গু জীবন - সমস্ত জীবনকে।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“সেই যে গেল গোপাল আর ফিরিল না । সংসারী গৃহস্থ মানুষ সে, সমস্ত জীবন ধরিয়া ফলপুষ্পশস্যদাত্রী ভূমিখণ্ড, সিন্দুক ভরা সোনারূপা, কতকগুলি মানুষের সঙ্গে পারিবারিক ও আরো কতকগুলি মানুষের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক, দায়িত্ব, বাধ্যবাধকতা প্রভৃতি যত কিছু অর্জন করিয়াছিল সব সে দিয়া গেল শশীকে, মরিয়া গেলে যেমন সে দিত ।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“সাহিত্য বাদ দিয়ে বৈজ্ঞানিক হলে, তিনি ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হিংস্র মানুষের হাতে মারণাস্ত্রই তুলে দেবেন- তাঁর আবিষ্কারকে মানুষ মানুষকে ধ্বংশ করার কাজে ব্যবহার করবে”
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
“প্রতিভা হল দক্ষতা অর্জনের বিশেষ ক্ষমতা ।”
―
―
“শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“শশীর চোখ খুঁজিয়া বেড়ায় মানুষ । যারা আছে তাদের, আর যারা ছিল ।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“জীবনকে জানা আর জীবনকে মায়া করা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে । একটাকে বড় করে অন্যটাকে তুচ্ছ করা জীবনদর্শীর পক্ষে বীভৎস অপরাধ”
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
― লেখকের কথা ও বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা
“নরকের অন্ধকার আর স্বর্গের জ্যোতি টেনে আনলে দুটোই চোখকে খোঁচা দেবে, অসুস্থ করবে। আমরা পৃথিবীর মানুষ আমাদের মাঝামাঝি রফা হওয়াই ভালো।”
― অতসীমামী
― অতসীমামী
“মৃত্যুতে মানুষের লজ্জা নেই, কারণ মৃত্যু যবনিকা নয়, পটপরিবর্তন। নিজের জীবন মানুষ পৃথিবীর মানুষের মধ্যে জমা করে রেখে যায়, স্বর্গে নিয়ে যায় না।
জমা করা জীবন যখন পঁচে যায়? একমাত্র নোয়া-কে বাঁচিয়ে প্রলয়য়ের মধ্য দিয়ে যখন ভগবান ভ্রম সংশোধন করতে বাধ্য হন?
তখন ভগবান অত্যাচারী খেয়ালি। প্রলয় যে এনে দিতে পারে সে সংস্কারে অক্ষম হবে কেন? জীবনের রোগ আছে, ফাঁসি ছাড়া আরোগ্য নেই? ক্রমাগত রোগে ভোগার চেয়ে মরণ ভালো, কিন্তু রোগ সারিয়ে বেঁচে থাকা আরো ভালো।”
― অতসীমামী
জমা করা জীবন যখন পঁচে যায়? একমাত্র নোয়া-কে বাঁচিয়ে প্রলয়য়ের মধ্য দিয়ে যখন ভগবান ভ্রম সংশোধন করতে বাধ্য হন?
তখন ভগবান অত্যাচারী খেয়ালি। প্রলয় যে এনে দিতে পারে সে সংস্কারে অক্ষম হবে কেন? জীবনের রোগ আছে, ফাঁসি ছাড়া আরোগ্য নেই? ক্রমাগত রোগে ভোগার চেয়ে মরণ ভালো, কিন্তু রোগ সারিয়ে বেঁচে থাকা আরো ভালো।”
― অতসীমামী
“খুঁজিলে এমন কিছুও পাওয়া যায় জগতে বাঁচিয়া থাকার চেয়ে যা বড়।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“রাগ, প্রতিহিংসা এসব মানুষের অবলম্বন, সহজে ওসব ছাড়িতে চায়না।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“মনে পাপ থাকার এই একটা লক্ষণ। মনে হয়, সকলে বুঝি সব জানে। সাপ উঠিয়া পড়ার আশঙ্কায় কেঁচো খুঁড়িবার চেষ্টাতেও মানুষ ইতস্তত করে।”
― পুতুলনাচের ইতিকথা
― পুতুলনাচের ইতিকথা
“স্নিগ্ধতা দেখালে আরো জমাট বাঁধছে, রূঢ়তার উত্তাপে বিনা বাক্যব্যয়ে গলতে আরম্ভ করে দিচ্ছে। কিন্তু গ্রহণ করছে না কিছুই।”
―
―




