Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Saheb.
Showing 1-19 of 19
“আমি শুনেছি সেদিন তুমি চিঠি হয়ে গোলাপি খামে মুড়ে
শিউলি গাছের ছাঁয়ায় ডাকবাক্সে বন্দী ছিলে,
আমি শুনেছি সেদিন তুমি কয়েকটি অক্ষরের সাথে
একলা অনেক গল্প করেছিলে।
আমি জানো কখনও একলা,
কাটাইনি একবেলা,
কখনও কারো সাথে,
করিনি গল্প গল্প খেলা।
আবার যেদিন তুমি চিঠি হয়ে রঙিন খামে বন্দী হবে
আমাকে সঙ্গে নেবে,
নেবে তো আমায়?”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
শিউলি গাছের ছাঁয়ায় ডাকবাক্সে বন্দী ছিলে,
আমি শুনেছি সেদিন তুমি কয়েকটি অক্ষরের সাথে
একলা অনেক গল্প করেছিলে।
আমি জানো কখনও একলা,
কাটাইনি একবেলা,
কখনও কারো সাথে,
করিনি গল্প গল্প খেলা।
আবার যেদিন তুমি চিঠি হয়ে রঙিন খামে বন্দী হবে
আমাকে সঙ্গে নেবে,
নেবে তো আমায়?”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
“ভালবাসি তোমায়,জানে এ হৃদয়
তবু তুমি বোঝোনা॥
মেঘের খামে আজ তোমার নামে
উড়ো চিঠি পাঠিয়ে দিলাম,
পড়ে নিও তুমি মিলিয়ে নিও
খুব আদরে তা লিখে ছিলাম॥
মন অল্পতে প্রেমের গল্পতে
ভাবনায় স্বপ্ন আঁকি,
নানা অভিমানে আবেগের গানে
সারাক্ষণ তোমারই ছোঁয়া রাখি॥
ভালবাসি তোমায়,জানে এ হৃদয়
তবু তুমি বোঝোনা॥”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
তবু তুমি বোঝোনা॥
মেঘের খামে আজ তোমার নামে
উড়ো চিঠি পাঠিয়ে দিলাম,
পড়ে নিও তুমি মিলিয়ে নিও
খুব আদরে তা লিখে ছিলাম॥
মন অল্পতে প্রেমের গল্পতে
ভাবনায় স্বপ্ন আঁকি,
নানা অভিমানে আবেগের গানে
সারাক্ষণ তোমারই ছোঁয়া রাখি॥
ভালবাসি তোমায়,জানে এ হৃদয়
তবু তুমি বোঝোনা॥”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
“প্রেম মন্দির
যেদিন থেকে সখী তোমাকে দেখেছি
গাঁয়ের ওই রাধা কৃষ্ণের প্রেম মন্দিরে,
সেদিন থেকেই না বলা অনেক কথা বাসা বেঁধেছে
আমার এই অন্তরের ভিতরে।
সখী আমায় তুমি কেন রেখে গেলে
এই আঁধার রাতে নীরব তারাদের মেলাতে,
আমি যে এখন অবুঝ হয়ে মেতে থাকি
হৃদয়ভাঙ্গার খেলাতে।
সখী তুমি যদি পাখি হতে
তবে তোমায় যত্নকরে রাখতাম আমার এই হৃদপিঁজরে,
সখী তুমি যদি পুষ্প হতে
তবে তোমায় সাজিয়ে রাখতাম আমার এই মনের ঘরে।
সখী তুমি যদি চাঁদ হয়ে ভেসে থাকতে
ওই দূর আকাশে,
তবে আমি রোজ রাতে জানলা হতে তাকিয়ে থাকতাম তোমার দিকে
একটু লাজুক হেসে।
যেদিন থেকে সখী তোমাকে দেখেছি
গাঁয়ের ওই রাধা কৃষ্ণের প্রেম মন্দিরে,
সেদিন থেকেই কেন কে জানে অনেক কথা বাসা বেঁধেছে
আমার এই অন্তরের ভিতরে।”
―
যেদিন থেকে সখী তোমাকে দেখেছি
গাঁয়ের ওই রাধা কৃষ্ণের প্রেম মন্দিরে,
সেদিন থেকেই না বলা অনেক কথা বাসা বেঁধেছে
আমার এই অন্তরের ভিতরে।
সখী আমায় তুমি কেন রেখে গেলে
এই আঁধার রাতে নীরব তারাদের মেলাতে,
আমি যে এখন অবুঝ হয়ে মেতে থাকি
হৃদয়ভাঙ্গার খেলাতে।
সখী তুমি যদি পাখি হতে
তবে তোমায় যত্নকরে রাখতাম আমার এই হৃদপিঁজরে,
সখী তুমি যদি পুষ্প হতে
তবে তোমায় সাজিয়ে রাখতাম আমার এই মনের ঘরে।
সখী তুমি যদি চাঁদ হয়ে ভেসে থাকতে
ওই দূর আকাশে,
তবে আমি রোজ রাতে জানলা হতে তাকিয়ে থাকতাম তোমার দিকে
একটু লাজুক হেসে।
যেদিন থেকে সখী তোমাকে দেখেছি
গাঁয়ের ওই রাধা কৃষ্ণের প্রেম মন্দিরে,
সেদিন থেকেই কেন কে জানে অনেক কথা বাসা বেঁধেছে
আমার এই অন্তরের ভিতরে।”
―
“আমার স্বপ্নগুলো"
একবার বসবে তুমি চুপটি করে
আমার এই মনের ঘরে,
আমি আমার স্বপ্নগুলো দেবো ছড়িয়ে
তুমি তোমার ইচ্ছেমতো নেবে তা কুড়িয়ে।”
―
একবার বসবে তুমি চুপটি করে
আমার এই মনের ঘরে,
আমি আমার স্বপ্নগুলো দেবো ছড়িয়ে
তুমি তোমার ইচ্ছেমতো নেবে তা কুড়িয়ে।”
―
“বিচ্ছিন্ন ভালবাসা"
এখন আমি শুধু বেঁচে আছি তোমার স্মৃতি আঁকরে ধরে
তুমি ছাড়া কেউ নেই আমার এই শূন্য নীড়ে,
ভেবে দেখো আমি কিন্তু যাইনি তোমার জীবনে
তুমি-ই এসেছিলে ভালবাসা নিয়ে আমার এই মনে,
তবে যে স্বপ্নগুলো দেখিয়েছিলে সেগুলোর কি হলো
সবই কি তোমার মনগড়া গল্প ছিলো,
আমাকে নিয়ে তুমি এভাবে না খেললেই পারতে
শুধু শুধু আমার জীবনটা বেঁধে দিয়ে গেলে যন্ত্রণার গণ্ডিতে।”
―
এখন আমি শুধু বেঁচে আছি তোমার স্মৃতি আঁকরে ধরে
তুমি ছাড়া কেউ নেই আমার এই শূন্য নীড়ে,
ভেবে দেখো আমি কিন্তু যাইনি তোমার জীবনে
তুমি-ই এসেছিলে ভালবাসা নিয়ে আমার এই মনে,
তবে যে স্বপ্নগুলো দেখিয়েছিলে সেগুলোর কি হলো
সবই কি তোমার মনগড়া গল্প ছিলো,
আমাকে নিয়ে তুমি এভাবে না খেললেই পারতে
শুধু শুধু আমার জীবনটা বেঁধে দিয়ে গেলে যন্ত্রণার গণ্ডিতে।”
―
“ঝিনুকের আংটি"
সেদিন সাগরের তীর ধরে একা একাই হাঁটছিলাম
তোমার কথা ভাবতে ভাবতে,
হঠাৎ দেখলাম সাগরের ঢেউ এর উপর তুমি বসে আছো
হয়তো এসেছো আমাকেই দেখতে।
চিৎকার করে বলছো তোমার কাছে যেতে
গিয়ে রূপকথার গল্প শোনাতে,
তবে আমি তোমার ডাক শুনে
কি করে যাই বলো সাগরের মাঝখানে,
তোমায় যে কথা দিয়েছিলাম আবার যেদিন তোমার কাছে যাবো
সেদিন বিবাহের জন্যে আংটি নিয়ে যাবো,
তাই আমিও চিৎকার করে বললাম যাবনা
তবে তুমি কি আর মানার পাত্রী, তাই আবার শুরু করলে বায়না,
আবার চিৎকার করে ডাকলে আমায়, ভাবলাম বারবার ডাকছো হয়তো ভালোবাসো বলে
অবশেষে আমিও বাধ্য হলাম নামতে সাগরের জলে,
কিন্তু তখন চারিদিকে দিনের আলোর চাদর সরিয়ে নেমে এসেছে রজনী
শুধুমাত্র আকাশে মিট মিট করে জ্বলছে ধ্রুবতারাটি,
এই আঁধার রাতে আমি যে অনেক খুঁজেও মুক্তো পেলাম না
তাইতো তোমার জন্য নিয়ে এলাম ঝিনুকের আংটি।”
―
সেদিন সাগরের তীর ধরে একা একাই হাঁটছিলাম
তোমার কথা ভাবতে ভাবতে,
হঠাৎ দেখলাম সাগরের ঢেউ এর উপর তুমি বসে আছো
হয়তো এসেছো আমাকেই দেখতে।
চিৎকার করে বলছো তোমার কাছে যেতে
গিয়ে রূপকথার গল্প শোনাতে,
তবে আমি তোমার ডাক শুনে
কি করে যাই বলো সাগরের মাঝখানে,
তোমায় যে কথা দিয়েছিলাম আবার যেদিন তোমার কাছে যাবো
সেদিন বিবাহের জন্যে আংটি নিয়ে যাবো,
তাই আমিও চিৎকার করে বললাম যাবনা
তবে তুমি কি আর মানার পাত্রী, তাই আবার শুরু করলে বায়না,
আবার চিৎকার করে ডাকলে আমায়, ভাবলাম বারবার ডাকছো হয়তো ভালোবাসো বলে
অবশেষে আমিও বাধ্য হলাম নামতে সাগরের জলে,
কিন্তু তখন চারিদিকে দিনের আলোর চাদর সরিয়ে নেমে এসেছে রজনী
শুধুমাত্র আকাশে মিট মিট করে জ্বলছে ধ্রুবতারাটি,
এই আঁধার রাতে আমি যে অনেক খুঁজেও মুক্তো পেলাম না
তাইতো তোমার জন্য নিয়ে এলাম ঝিনুকের আংটি।”
―
“আমার রূপকথার প্রেমিকা"
আজ প্রথমবার তোর চোখে ভালবাসার ছোঁয়া দেখেছি,
এই ছোঁয়া উপলব্ধি করার পরই তো বুঝলাম কেন এই পৃথিবীতে এসেছি,
আমার হৃদয়টা তোর কাছে যত্ন করে রেখে এসেছি,
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি।
আমি পৃথিবী থেকে আকাশ অবধি সারা বিশ্ব খুঁজেছি
তবে প্রথম ভালবাসার ছোঁয়া তোর চোখেই দেখেছি,
আমি আমদের ভালবাসার কাহিনী আকাশে লিখে দেবো যা সমগ্র দুনিয়া পড়বে
তোর আর আমার এই ভালবাসার সম্পর্কটা সারা দুনিয়া হাসি মুখে মেনে নেবে,
আমি সমগ্র বিশ্বের প্রশংসা তোর পায়ের পাতার উপর রেখেছি,
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি।
তুই যখন আমার সামনে থাকিস তখন কেন কে যানে স্পন্দন বেড়ে যায় এই মনে
আমি ঈশ্বরকে প্রতিদিন ধন্যবাদ জানাই তোর সাথে দেখা করিয়ে দেওয়ার কারণে,
এই মনটা যে তোর জন্য পাগল হয়ে গেছে এই মনটাকে তুই একবার বুঝবি
তোর ভিতরে আমি আমার পৃথিবী দেখি তুই হয়ে যাবি আমার পৃথিবী।
আমি সত্যি খুব সৌভাগ্যবান কারণ জীবনে তোকে পেয়েছি
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি”
―
আজ প্রথমবার তোর চোখে ভালবাসার ছোঁয়া দেখেছি,
এই ছোঁয়া উপলব্ধি করার পরই তো বুঝলাম কেন এই পৃথিবীতে এসেছি,
আমার হৃদয়টা তোর কাছে যত্ন করে রেখে এসেছি,
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি।
আমি পৃথিবী থেকে আকাশ অবধি সারা বিশ্ব খুঁজেছি
তবে প্রথম ভালবাসার ছোঁয়া তোর চোখেই দেখেছি,
আমি আমদের ভালবাসার কাহিনী আকাশে লিখে দেবো যা সমগ্র দুনিয়া পড়বে
তোর আর আমার এই ভালবাসার সম্পর্কটা সারা দুনিয়া হাসি মুখে মেনে নেবে,
আমি সমগ্র বিশ্বের প্রশংসা তোর পায়ের পাতার উপর রেখেছি,
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি।
তুই যখন আমার সামনে থাকিস তখন কেন কে যানে স্পন্দন বেড়ে যায় এই মনে
আমি ঈশ্বরকে প্রতিদিন ধন্যবাদ জানাই তোর সাথে দেখা করিয়ে দেওয়ার কারণে,
এই মনটা যে তোর জন্য পাগল হয়ে গেছে এই মনটাকে তুই একবার বুঝবি
তোর ভিতরে আমি আমার পৃথিবী দেখি তুই হয়ে যাবি আমার পৃথিবী।
আমি সত্যি খুব সৌভাগ্যবান কারণ জীবনে তোকে পেয়েছি
তোর আর আমার এই প্রেমের গল্প আমি রূপকথার বইয়ে পড়েছি”
―
“হতে পারি কি বন্ধু
আমার চোখে জল দেখোনা
তাই ভাবো আমি কাঁদিনা,
আমি কাঁদি, তবে মনের অরণ্যে
আমার হাসিটা নিছকই একটু
ভালো থাকার প্রচেষ্টা,
তোমাকে দেখানো ছলনা॥
অনেক ভীড়ের মাঝে তোমায় খুঁজি
ভাবি যদি দেখা পাই,কথা বলবো
হঠাৎ মনে হয়,
কথা তো আর হবেনা
তুমি ভীড়ের মাঝে আমাকে দেখে
নিজেকে লুকিয়ে নেবে,
পুরোনো কোন কথা ভেবে॥
আঁধার যখন আমার সংস্পর্শে আসে
আমার ছায়া আমকে ডেকে বলে,
শোন,এটা ভালোবাসা না
তোর সাজানো ভাবনা,
হয়তো এটাই বাস্তব
এসব সবই আমার কল্পনা॥
ভুল আমার
বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে
করেছিলাম প্রেমের আবদার,
সব ভুলে হতে পারি কি
আমারা বন্ধু আবার॥”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
আমার চোখে জল দেখোনা
তাই ভাবো আমি কাঁদিনা,
আমি কাঁদি, তবে মনের অরণ্যে
আমার হাসিটা নিছকই একটু
ভালো থাকার প্রচেষ্টা,
তোমাকে দেখানো ছলনা॥
অনেক ভীড়ের মাঝে তোমায় খুঁজি
ভাবি যদি দেখা পাই,কথা বলবো
হঠাৎ মনে হয়,
কথা তো আর হবেনা
তুমি ভীড়ের মাঝে আমাকে দেখে
নিজেকে লুকিয়ে নেবে,
পুরোনো কোন কথা ভেবে॥
আঁধার যখন আমার সংস্পর্শে আসে
আমার ছায়া আমকে ডেকে বলে,
শোন,এটা ভালোবাসা না
তোর সাজানো ভাবনা,
হয়তো এটাই বাস্তব
এসব সবই আমার কল্পনা॥
ভুল আমার
বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে
করেছিলাম প্রেমের আবদার,
সব ভুলে হতে পারি কি
আমারা বন্ধু আবার॥”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
“জলপদ্মের নৌকা"
দ্বিপ্রহরে ঘাটের ধারে একটি জলপদ্মের নৌকা বাঁধা থাকলে
তুমি আর আমি ভেসে বেড়াতাম নির্জন এই পুষ্করিণীর জলে,
বেখেয়ালে তোমার হাতে থাকতো আমার হাত
কথোপকথনের ভীড়ে কখন যে দিন শেষে হয়ে যেত রাত,
তার কোন হিসাবই থাকতনা।
এই নিরিবিলি পরিবেশে শুধু তুমি আর আমি
বলতে পারো তোমার কাছে ভালবাসা না বিশ্বাস দামি,
তোমার চোখের কোনে অংশুমালীরা বাসা করেছে
আর ওই দূর আকাশে কে যানো রংধনুর ছবি এঁকেছে,
সত্যি সবকিছু যেন মনে হয় ভাবনা।
মাঝে মাঝে পানকৌরি-গুলো তাদের ইচ্ছেমতো ডুব দিয়ে যাচ্ছে
আর এই স্থির পুষ্করিণীর জল অস্থির রুপ নিচ্ছে,
কেন কে জানে, মনে হচ্ছে সারা দুনিয়াতে শুধু তুমি আর আমি জীবিত আছি
সব অতীতকে ভুলে গিয়ে আমরা যেন নতুন কোন স্বপ্ন দেখছি,
তবে সে স্বপ্নের কথা মুখে বলা যায়না।
নাম না জানা কোন পুষ্পের সুরভির বৃষ্টি যেন আমাদের ভিজিয়ে দিচ্ছে
চারিদিকের প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য আমাদের প্রেম দেখে ঈর্ষা করছে,
শুধু তুমি ওই ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থেকোনা
তবে যে আমি তোমাকে না ছুঁয়ে থাকতে পারবনা।”
―
দ্বিপ্রহরে ঘাটের ধারে একটি জলপদ্মের নৌকা বাঁধা থাকলে
তুমি আর আমি ভেসে বেড়াতাম নির্জন এই পুষ্করিণীর জলে,
বেখেয়ালে তোমার হাতে থাকতো আমার হাত
কথোপকথনের ভীড়ে কখন যে দিন শেষে হয়ে যেত রাত,
তার কোন হিসাবই থাকতনা।
এই নিরিবিলি পরিবেশে শুধু তুমি আর আমি
বলতে পারো তোমার কাছে ভালবাসা না বিশ্বাস দামি,
তোমার চোখের কোনে অংশুমালীরা বাসা করেছে
আর ওই দূর আকাশে কে যানো রংধনুর ছবি এঁকেছে,
সত্যি সবকিছু যেন মনে হয় ভাবনা।
মাঝে মাঝে পানকৌরি-গুলো তাদের ইচ্ছেমতো ডুব দিয়ে যাচ্ছে
আর এই স্থির পুষ্করিণীর জল অস্থির রুপ নিচ্ছে,
কেন কে জানে, মনে হচ্ছে সারা দুনিয়াতে শুধু তুমি আর আমি জীবিত আছি
সব অতীতকে ভুলে গিয়ে আমরা যেন নতুন কোন স্বপ্ন দেখছি,
তবে সে স্বপ্নের কথা মুখে বলা যায়না।
নাম না জানা কোন পুষ্পের সুরভির বৃষ্টি যেন আমাদের ভিজিয়ে দিচ্ছে
চারিদিকের প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য আমাদের প্রেম দেখে ঈর্ষা করছে,
শুধু তুমি ওই ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থেকোনা
তবে যে আমি তোমাকে না ছুঁয়ে থাকতে পারবনা।”
―
“কে তোকে এতোটা ভালোবাসে যতটা আমি বাসি"
তুই আসিস আমার হৃদয়ে যখন আমি হৃত্স্পন্দন অনুভব করি
তোর মনের গলিতে আমি প্রতিদিন যাতায়াত করি,
বাতাসের মতো বয়ে যাস তুই আমি বালির মতো উড়ি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।
আমার মনের জেলখানায় তোকে বন্দি করে রেখেছি
মনের যা যা কথা বলা বাকি ছিলো তা তোকে বলে দিয়েছি,
আমি তোর দু'চোখের মাঝে জীবিত আছি ,
তুই কি তা জানিস না
তুই কি এতটাই অজ্ঞাত ,
আমি লুকিয়ে লুকিয়ে তোর চোখের ভাষা পড়ি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।
যখন তুই আমার কাছে আসিস আমার স্বপ্নগুলো উন্মাদ হয়ে যায়
যখন তোর হাত আমার হাতে রাখিস তখন আমার ইচ্ছেগুলো ভ্রমণে বেড়ায়,
তোর কথা ভেবে আমার রাতের ঘুম হারায়,
তুই কি তা বুঝিস না
তুই কি এতটাই উদাসী,
যেদিন আমি তোকে দেখি না তোর কাছাকাছি যাওয়ার জন্য অবুঝ হয়ে ঘুরি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।”
―
তুই আসিস আমার হৃদয়ে যখন আমি হৃত্স্পন্দন অনুভব করি
তোর মনের গলিতে আমি প্রতিদিন যাতায়াত করি,
বাতাসের মতো বয়ে যাস তুই আমি বালির মতো উড়ি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।
আমার মনের জেলখানায় তোকে বন্দি করে রেখেছি
মনের যা যা কথা বলা বাকি ছিলো তা তোকে বলে দিয়েছি,
আমি তোর দু'চোখের মাঝে জীবিত আছি ,
তুই কি তা জানিস না
তুই কি এতটাই অজ্ঞাত ,
আমি লুকিয়ে লুকিয়ে তোর চোখের ভাষা পড়ি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।
যখন তুই আমার কাছে আসিস আমার স্বপ্নগুলো উন্মাদ হয়ে যায়
যখন তোর হাত আমার হাতে রাখিস তখন আমার ইচ্ছেগুলো ভ্রমণে বেড়ায়,
তোর কথা ভেবে আমার রাতের ঘুম হারায়,
তুই কি তা বুঝিস না
তুই কি এতটাই উদাসী,
যেদিন আমি তোকে দেখি না তোর কাছাকাছি যাওয়ার জন্য অবুঝ হয়ে ঘুরি
কে তোকে এতোটা ভালোবাসবে যতটা আমি বাসতে পারি।”
―
“রঙ তুলির পল্লী"
কাল রাতে আঁকার খাতার সাথে রঙ তুলি নিয়ে ছবি আঁকতে বসেছিলাম
অকস্মাৎ মনে হলো তবে আঁকি আমার হারিয়ে যাওয়া সেই পল্লীগ্রাম,
তবে মনে পড়ার সাথে সাথে হৃদয়ে অনুভব করলাম প্রবীণ কিছু ব্যথা
মনে পড়ে গেল আমার ছোট বোন-টার হারিয়ে যাওয়ার কথা,
কি সুখেই না ছিলাম আমরা, কতো আনন্দই না হতো
বোনকে সব সময় রাগাতাম তবুও ও আমাকে খুব ভালোবাসতো,
আমার নিজের আপনজন বলতে ছিলো শুধু বোন
তাই ওর সাথেই মেতে থাকতাম সারাক্ষন,
হঠাৎ একদিন শহর থেকে চিঠি এলো
নৃপতি বাবুর জরুরী এক তলব ছিলো,
যখনই আমি কোন কাজে শহরে যেতাম
বোনের জন্য কিছু না কিছু ঠিক কিনে আনতাম,
তবে সেবার বোন সেধেই বলেছিলো, দাদা তুই যখন শহর থেকে ফিরবি
আমার জন্য একটা হলুদ শাড়ি কিনে আনবি?
আমি শহর থেকে ফেরার পথে ওর মনের মতো একটা হলুদ শাড়ি কিনে এনেছিলাম
কিন্তু বাড়ি ফিরে ওর ধর্ষণ শরীরটা উঠানে পড়ে আছে দেখলাম,
আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে চিৎকার করে বললাম, কেউ তো কিছু বলো
কি করে ওর এই অবস্থা হলো,
কে ওর এই সর্বনাশ করলো।
পাশের বাড়ির সলিল কাকু আমায় সান্ত্বনা দিয়ে বললো,
আমার বোনকে নাকি দুদিন আগে ধানক্ষেতে কারা ধর্ষণ করেছে
সেই তীব্র লজ্জা, সম্মানহানী ও সহ্য না করতে পেরে গলায় দড়ি দিয়েছে,
এসব শুনে আমার আকাশটা মনে হলো কেমন যানো আঁধারে ছেয়ে গেলো
মনে হলো আমার সাজানো বাগান থেকে আমার পছন্দের ফুলটা কে যানো ছিড়ে নিয়ে গেলো,
ঘটনার কথা পুলিশ জানার পর দোষিদের তিন মাস ধরে খোঁজ করে
এবং অবশেষে তারা ধরাও পরে,
তবে আমাদের দেশের আইন অনুযায়ি দোষিরা এখন আরামেই আছে
তবে আমার বোন কিন্তু আর নেই আমার কাছে,
এইসব ঘটনা হওয়ার পর আমি গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে আসি
সব দুঃখকে ভুলে চেষ্টা করি থাকতে হাসি-খুশি,
তবে আজও রাখীপূর্ণিমার দিন এলে মনে হয় গাঁয়ের ঘরে আমার বোন হয়তো আমার অপেক্ষা করছে,
আজও সেই হলুদ শাড়িটার দিকে তাকালে মনে হয় বোন হয়তো আমার পাশেই আছে,
এইসব কথা মনে করে কাল রাতে আর পল্লীগ্রামের ছবি আঁকা হয়ে ওঠেনি
কি করেই বা আঁকবো, ভাবি সব ভুলে যাবো তবে সেই ঘটনা আজও ভুলতে পারিনি।”
―
কাল রাতে আঁকার খাতার সাথে রঙ তুলি নিয়ে ছবি আঁকতে বসেছিলাম
অকস্মাৎ মনে হলো তবে আঁকি আমার হারিয়ে যাওয়া সেই পল্লীগ্রাম,
তবে মনে পড়ার সাথে সাথে হৃদয়ে অনুভব করলাম প্রবীণ কিছু ব্যথা
মনে পড়ে গেল আমার ছোট বোন-টার হারিয়ে যাওয়ার কথা,
কি সুখেই না ছিলাম আমরা, কতো আনন্দই না হতো
বোনকে সব সময় রাগাতাম তবুও ও আমাকে খুব ভালোবাসতো,
আমার নিজের আপনজন বলতে ছিলো শুধু বোন
তাই ওর সাথেই মেতে থাকতাম সারাক্ষন,
হঠাৎ একদিন শহর থেকে চিঠি এলো
নৃপতি বাবুর জরুরী এক তলব ছিলো,
যখনই আমি কোন কাজে শহরে যেতাম
বোনের জন্য কিছু না কিছু ঠিক কিনে আনতাম,
তবে সেবার বোন সেধেই বলেছিলো, দাদা তুই যখন শহর থেকে ফিরবি
আমার জন্য একটা হলুদ শাড়ি কিনে আনবি?
আমি শহর থেকে ফেরার পথে ওর মনের মতো একটা হলুদ শাড়ি কিনে এনেছিলাম
কিন্তু বাড়ি ফিরে ওর ধর্ষণ শরীরটা উঠানে পড়ে আছে দেখলাম,
আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে চিৎকার করে বললাম, কেউ তো কিছু বলো
কি করে ওর এই অবস্থা হলো,
কে ওর এই সর্বনাশ করলো।
পাশের বাড়ির সলিল কাকু আমায় সান্ত্বনা দিয়ে বললো,
আমার বোনকে নাকি দুদিন আগে ধানক্ষেতে কারা ধর্ষণ করেছে
সেই তীব্র লজ্জা, সম্মানহানী ও সহ্য না করতে পেরে গলায় দড়ি দিয়েছে,
এসব শুনে আমার আকাশটা মনে হলো কেমন যানো আঁধারে ছেয়ে গেলো
মনে হলো আমার সাজানো বাগান থেকে আমার পছন্দের ফুলটা কে যানো ছিড়ে নিয়ে গেলো,
ঘটনার কথা পুলিশ জানার পর দোষিদের তিন মাস ধরে খোঁজ করে
এবং অবশেষে তারা ধরাও পরে,
তবে আমাদের দেশের আইন অনুযায়ি দোষিরা এখন আরামেই আছে
তবে আমার বোন কিন্তু আর নেই আমার কাছে,
এইসব ঘটনা হওয়ার পর আমি গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে আসি
সব দুঃখকে ভুলে চেষ্টা করি থাকতে হাসি-খুশি,
তবে আজও রাখীপূর্ণিমার দিন এলে মনে হয় গাঁয়ের ঘরে আমার বোন হয়তো আমার অপেক্ষা করছে,
আজও সেই হলুদ শাড়িটার দিকে তাকালে মনে হয় বোন হয়তো আমার পাশেই আছে,
এইসব কথা মনে করে কাল রাতে আর পল্লীগ্রামের ছবি আঁকা হয়ে ওঠেনি
কি করেই বা আঁকবো, ভাবি সব ভুলে যাবো তবে সেই ঘটনা আজও ভুলতে পারিনি।”
―
“আমার বুকে"
আমার বুকে
খুব আদরে রেখেছি তোমাকে
তবু তমি আমার মনের কথা বুঝলেনা,
আমার নয়নে
তুমি দিবারাত্রি স্নান করো যতনে
তবু তমি আমার ভালবাসা অনুভব করলেনা।”
―
আমার বুকে
খুব আদরে রেখেছি তোমাকে
তবু তমি আমার মনের কথা বুঝলেনা,
আমার নয়নে
তুমি দিবারাত্রি স্নান করো যতনে
তবু তমি আমার ভালবাসা অনুভব করলেনা।”
―
“তোমার হাত ধরব বলে
যখন চাঁদ নিদ্রামগ্ন আকাশটা অন্ধকারময়,
শুধু আমি জেগে থাকি তোমার ছবি বুকে নিয়ে।
জেগে থাকি আকাশের তারায় মিলিয়ে যায় সব যেন কোথায়,
জানি এই রাত শেষে ফিরবে না তুমি আর।
তবুও কেন যে আসে মনের মাঝে তোমার ছবি,
স্বপ্নতে কেন যে তোমার হাসি শুনি।
মেঘের দেশে কি এখনো তুমি হারাও আনমনে?
পত্র কি লেখো এখনো আমায় ভেবে?
বৃষ্টি নামে যখন তোমার ওই শরীরে,
আমার ছোঁয়া কি পাও বৃষ্টির সাথে আনমনে?
বৃষ্টি ভেজা এই শরীরে কান্না দেখে না কেউ আমার,
অন্ধকার এই ঘরে ডাকি না কাউকে যে।
পড়ি না আর সেই পত্র দেখিনা যে আর জোছনা,
অনুভূতিহীন চারদেয়ালে বন্দি যেন একা।
ভেঙ্গে যাক তোমার আমার মাঝের ওই দেয়াল টা,
এই যে দেখো দাঁড়িয়ে আমি তোমার হাত ধরব বলে।”
― প্রেমের কবিতা
যখন চাঁদ নিদ্রামগ্ন আকাশটা অন্ধকারময়,
শুধু আমি জেগে থাকি তোমার ছবি বুকে নিয়ে।
জেগে থাকি আকাশের তারায় মিলিয়ে যায় সব যেন কোথায়,
জানি এই রাত শেষে ফিরবে না তুমি আর।
তবুও কেন যে আসে মনের মাঝে তোমার ছবি,
স্বপ্নতে কেন যে তোমার হাসি শুনি।
মেঘের দেশে কি এখনো তুমি হারাও আনমনে?
পত্র কি লেখো এখনো আমায় ভেবে?
বৃষ্টি নামে যখন তোমার ওই শরীরে,
আমার ছোঁয়া কি পাও বৃষ্টির সাথে আনমনে?
বৃষ্টি ভেজা এই শরীরে কান্না দেখে না কেউ আমার,
অন্ধকার এই ঘরে ডাকি না কাউকে যে।
পড়ি না আর সেই পত্র দেখিনা যে আর জোছনা,
অনুভূতিহীন চারদেয়ালে বন্দি যেন একা।
ভেঙ্গে যাক তোমার আমার মাঝের ওই দেয়াল টা,
এই যে দেখো দাঁড়িয়ে আমি তোমার হাত ধরব বলে।”
― প্রেমের কবিতা
“প্রণয়ী"
আগের বছর দোল পূর্ণিমার রাতে
প্রণয়ী তোমার সাথে,
কাটিয়েছিলাম সময়, দীঘির ধারে
একঝাঁক জোনাকির আলোর ভিড়ে।
প্রণয়ী তোমার মনে পড়ে সেই রাতের কথা
প্রণয়ী তোমার মনে পড়ে সেই অনুভবের স্পর্শতা,
আমার কিন্তু আজও মনে পড়ে
কখনও বাস্তবে কিংবা কখনও স্বপ্নের ঘোরে।
তবে তোমার কাছে সেই রাত আজ হয়তো মূল্যহীন
কিন্তু আমার এই বিবর্ণ জীবনে তা আজও রঙ্গিন।”
―
আগের বছর দোল পূর্ণিমার রাতে
প্রণয়ী তোমার সাথে,
কাটিয়েছিলাম সময়, দীঘির ধারে
একঝাঁক জোনাকির আলোর ভিড়ে।
প্রণয়ী তোমার মনে পড়ে সেই রাতের কথা
প্রণয়ী তোমার মনে পড়ে সেই অনুভবের স্পর্শতা,
আমার কিন্তু আজও মনে পড়ে
কখনও বাস্তবে কিংবা কখনও স্বপ্নের ঘোরে।
তবে তোমার কাছে সেই রাত আজ হয়তো মূল্যহীন
কিন্তু আমার এই বিবর্ণ জীবনে তা আজও রঙ্গিন।”
―
“আমার মনের ভিতর পালকি করে যে আমার কাছে এসেছে
সে কে, তা কি তুমি বলতে পারো?
আমার স্বপ্ন এসে জল ছিটিয়ে, রঙ লাগিয়ে কেউ গল্প লেখে
সেই গল্পকি তুমি পড়তে পারো?”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
সে কে, তা কি তুমি বলতে পারো?
আমার স্বপ্ন এসে জল ছিটিয়ে, রঙ লাগিয়ে কেউ গল্প লেখে
সেই গল্পকি তুমি পড়তে পারো?”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
“তুই কাছে এসে"
তুই কাছে এসে
একটু মিষ্টি হেসে,
আমাকে এমন এক আপন স্বপ্ন দেখালি
যে এখন আমার মন,
না পারে জাগতে
না পারে ঘুমাতে
শুধু চায় তোকেই ভালবাসতে,
তোর মায়াবি চাহনি দিয়ে
আমার দুচোখ রাঙিয়ে
আমাকে এমন এক আদরের চাঁদরে জড়ালি
যে এখন আমার মন
না পারে একা থাকতে
না পারে নীরব হতে
শুধু চায় তোকেই কাছে পেতে।”
―
তুই কাছে এসে
একটু মিষ্টি হেসে,
আমাকে এমন এক আপন স্বপ্ন দেখালি
যে এখন আমার মন,
না পারে জাগতে
না পারে ঘুমাতে
শুধু চায় তোকেই ভালবাসতে,
তোর মায়াবি চাহনি দিয়ে
আমার দুচোখ রাঙিয়ে
আমাকে এমন এক আদরের চাঁদরে জড়ালি
যে এখন আমার মন
না পারে একা থাকতে
না পারে নীরব হতে
শুধু চায় তোকেই কাছে পেতে।”
―
“Andhakarer Ghunpoka - Poem by Ankur Mazumder
কাঁচের ভেঙ্গে পড়ার শব্দে
অন্ধকারের বুক চিরে গেল যেন
হঠাৎ,
মাথা নিচু করে ব্যস্ত কর্ম
চমকে ওঠা, আবারও নিস্তব্ধ
দুটি হাত।
তারপর-
জানালা গলে বিশুদ্ধ কালো
ঘরের আসবাবে মিশে যায়
তখন-
নির্মম নির্ভুল মৃত্যু ভয়
শরীরের খুব নিকটে এসে দাঁড়ায়।
আসলে-
ঘুনপোকা অন্ধকারে গেড়েছে আস্তানা
কিছুই পাচ্ছি না তবু টের
দূরে সরিয়ে রাখা যত খাতা হিসাবের;
ধুলো জমা ভুল ভুলে গিয়ে
হারানো শব্দ বিচারের
একদিন এসব, সব সম্পত্তি অন্ধকারের।”
― hvjgg
কাঁচের ভেঙ্গে পড়ার শব্দে
অন্ধকারের বুক চিরে গেল যেন
হঠাৎ,
মাথা নিচু করে ব্যস্ত কর্ম
চমকে ওঠা, আবারও নিস্তব্ধ
দুটি হাত।
তারপর-
জানালা গলে বিশুদ্ধ কালো
ঘরের আসবাবে মিশে যায়
তখন-
নির্মম নির্ভুল মৃত্যু ভয়
শরীরের খুব নিকটে এসে দাঁড়ায়।
আসলে-
ঘুনপোকা অন্ধকারে গেড়েছে আস্তানা
কিছুই পাচ্ছি না তবু টের
দূরে সরিয়ে রাখা যত খাতা হিসাবের;
ধুলো জমা ভুল ভুলে গিয়ে
হারানো শব্দ বিচারের
একদিন এসব, সব সম্পত্তি অন্ধকারের।”
― hvjgg
“আমি জানি তুই আমায় কত ভালোবাসিস
আমার অনুপস্থিতিতে চোখের জল ফেলিস
কিন্তু আমার এ ভালোবাসা চাইনা...........
হয়তো কোন কারনে আজ আমরা আলাদা
নেই দেখা, নেই কথা
তাও কেন পারিসনা.........
আমার মতো থাকতে
আমার মতো ভাবতে”
―
আমার অনুপস্থিতিতে চোখের জল ফেলিস
কিন্তু আমার এ ভালোবাসা চাইনা...........
হয়তো কোন কারনে আজ আমরা আলাদা
নেই দেখা, নেই কথা
তাও কেন পারিসনা.........
আমার মতো থাকতে
আমার মতো ভাবতে”
―
“তুমি বসে আছো
দ্বিপ্রহরে, মাঠের ধারে, ঘাসফুল ছিঁড়ে
কেটে যায় অবসর বেলা,
তুমি গেছ চলে, কিছু স্মৃতি ভুলে,
যেমন শুকনো ফুল বইয়ের মাঝে রয়ে যায়,
আমি চেয়ে থাকি গগনের আরশিতে
যদি দেখতে পাই শেষ রজনীর গল্পগুলোকে,
তবে চোখে পরে, সেই অরব মধ্যাহ্ন
যেখানে তুমি বসে আছো, সোনালী রৌদ্রের ঝাঁকে
একগুচ্ছ বিষণ্নতা নিয়ে আমার সন্ধানে॥
অঙ্কুর মজুমদার”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা
দ্বিপ্রহরে, মাঠের ধারে, ঘাসফুল ছিঁড়ে
কেটে যায় অবসর বেলা,
তুমি গেছ চলে, কিছু স্মৃতি ভুলে,
যেমন শুকনো ফুল বইয়ের মাঝে রয়ে যায়,
আমি চেয়ে থাকি গগনের আরশিতে
যদি দেখতে পাই শেষ রজনীর গল্পগুলোকে,
তবে চোখে পরে, সেই অরব মধ্যাহ্ন
যেখানে তুমি বসে আছো, সোনালী রৌদ্রের ঝাঁকে
একগুচ্ছ বিষণ্নতা নিয়ে আমার সন্ধানে॥
অঙ্কুর মজুমদার”
― অঙ্কুরের প্রেমের কবিতা




