নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে প্রয়াত বিমল কর-এর হাত ধরে ছোটগল্পকার হিসাবে আত্মপ্রকাশ। প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মহাজাগতিক’(১৯৯৭) সাড়া জাগিয়েছিল। তারপর প্রায় দশ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে যাওয়া। ‘চতুর্থ হৃদয়’(২০০৬) উপন্যাস প্রকাশের পর বেশ কিছুদিন সাহিত্যের বৃহত্তর অঙ্গন থেকে সরে যাওয়া। ‘আবাস’, ‘বরণ’, ‘তর্পণ’ ইত্যাদি ছোটগল্পের মধ্য দিয়ে আবার ফিরে আসা।‘মহাজাগতিক’ বাংলা আকাদেমি প্রদত্ত পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। ‘চতুর্থ হৃদয়’-ও পেয়েছে শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের শিরোপা ‘শারদঅর্ঘ্য’। ছোটগল্প ‘শনাক্তকরণ’ স্থান পেয়েছে সাহিত্য অকাদেমির সংকলনে। ‘চালশে’ গল্পটি নির্বাচিত হয়েছে শ্রেষ্ঠ শারদীয় ছোটগল্প হিসাবে।কিন্তু পুরস্কার নয়, তাঁর কোনও ছোটগল্প বা উপন্যাস পড়ে পাঠক যখন বিচলিত হন, আলোড়িত হন অথবা স্তব্ধ হয়ে ভাবতে বসেন, পাঠকের সেই প্রতিক্রিয়াকেই পাথেয় হনব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে প্রয়াত বিমল কর-এর হাত ধরে ছোটগল্পকার হিসাবে আত্মপ্রকাশ। প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মহাজাগতিক’(১৯৯৭) সাড়া জাগিয়েছিল। তারপর প্রায় দশ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে যাওয়া। ‘চতুর্থ হৃদয়’(২০০৬) উপন্যাস প্রকাশের পর বেশ কিছুদিন সাহিত্যের বৃহত্তর অঙ্গন থেকে সরে যাওয়া। ‘আবাস’, ‘বরণ’, ‘তর্পণ’ ইত্যাদি ছোটগল্পের মধ্য দিয়ে আবার ফিরে আসা।‘মহাজাগতিক’ বাংলা আকাদেমি প্রদত্ত পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। ‘চতুর্থ হৃদয়’-ও পেয়েছে শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের শিরোপা ‘শারদঅর্ঘ্য’। ছোটগল্প ‘শনাক্তকরণ’ স্থান পেয়েছে সাহিত্য অকাদেমির সংকলনে। ‘চালশে’ গল্পটি নির্বাচিত হয়েছে শ্রেষ্ঠ শারদীয় ছোটগল্প হিসাবে।কিন্তু পুরস্কার নয়, তাঁর কোনও ছোটগল্প বা উপন্যাস পড়ে পাঠক যখন বিচলিত হন, আলোড়িত হন অথবা স্তব্ধ হয়ে ভাবতে বসেন, পাঠকের সেই প্রতিক্রিয়াকেই পাথেয় হিসাবে গণ্য করেন লেখক অভিজিৎ তরফদার।...more