গ্যালিয়ানো'কে নিয়ে

গল্পটা প্রতি চার বছরে ফিরে ফিরে আসে। লোকটা নাকি একমাসের জন্য বাড়ির দরজা বন্ধ করে রাখে, বাইরে ঝোলানো নোটিশ উঁচুস্বরে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের জানায়- “খেলা দেখার জন্য বন্ধ “। আর এই একটা মাস নিজের প্রিয় চেয়ারে বসে লোকটা কেবল টিভি দ্যাখে আর সেটা নিয়ে লিখে যায়।

লোকটা এদুয়ার্দো গ্যালিয়ানো, খেলাটা ফুটবল, উপলক্ষটা বিশ্বকাপ।

রাশিয়া বিশ্বকাপ-২০১৮’তে আমেরিকা ছিলো না, ইতালিও ছিলো না। সেই সাথে ছিলেন না গ্যালিয়ানোও। ফুসফুসের ক্যান্সারে মানুষটা চিরবিদায় নিয়েছেন আরো বছর তিনেক আগেই, তবে আমার কাছে তার নবজন্ম হলো এই রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকেই।

গড়পড়তা মানুষের চাইতে সৃষ্টিশীল মানুষেরা একটা সুবিধা বেশি পায়। মৃত্যুর পরেও তাদের সৃষ্টির সাথে পরিচিত হয়ে, নতুন করে তাদের সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে লোকজন। উরুগুয়ের লেখক-সাংবাদিক এদুয়ার্দো গ্যালিয়ানো এই সুবিধাটা পুরোমাত্রায় গ্রহণ করে তাই, আমার পছন্দের লেখক তালিকায় ঢুঁকে গেলেন কনুই মেরে। মানুষটা জানেন, লিখতেও পারেন। আর তার অনাড়ষ্ট লেখা কখনো রুঢ় থাপ্পড় দিয়ে পাঠককে সচকিত করে, কখনো লজ্জা দেয়, আর কখনো পড়া থামিয়ে কেবল স্থির হয়ে ভাবতে বসে যেতে হয়। ...

[পুরো লেখাটা ব্যক্তিগত ব্লগে তোলা রইলোঃ https://shuhanrizwan.com/2018/09/13/t... ]
6 likes ·   •  1 comment  •  flag
Share on Twitter
Published on September 13, 2018 21:33
Comments Showing 1-1 of 1 (1 new)    post a comment »
dateUp arrow    newest »

message 1: by Shanto (new)

Shanto লেখাটা খুব ভালো লেগেছে, সুহান।


back to top