SAQIB > SAQIB's Quotes

Showing 1-25 of 25
sort by

  • #1
    “ব্যয় করো এবং দান করো। ‘অনেক সম্পদ হলে দান করব এমনটা ভেবো না । তাহলে দেখবে, সম্পদও হবে না, দান করাও হবে না । অনেক সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও যদি দান করো, তাহলে তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না।
    —আসমা বিনতে আবি বকর (রা.যি.)”
    আরিফুল ইসলাম, কোটিপতি সাহাবি

  • #2
    মোহাইমিন পাটোয়ারী
    “একটি অর্থনীতির সব টাকাই যদি ঋণ হিসেবে প্রবেশ করে, তাহলে সব ঋণ মহাজনকে বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পরিশোধ করে দিলে দেশে কোন টাকাই থাকে না। আর টাকা ছাড়া যেহেতু একটি দেশ চলতে পারে না, এর মানে দাঁড়াচ্ছে কোন দেশই ঋণ থেকে মুক্ত হতে পারবেনা।”
    মোহাইমিন পাটোয়ারী, ব্যাংকব্যবস্থা ও টাকার গোপন রহস্য

  • #3
    শামসুল আরেফীন
    “বস্তুগত রিজিক হচ্ছে, অর্থ-সম্পদ, টাকা-পয়সা। আর অবস্তুগত রিযিক হচ্ছে ‘প্রয়োজন মেটা'। এখন টাকা থাকলেই যে, আপনার প্রয়োজন মিটে যাবে, তা কিন্তু নয়। আর আল্লাহ চাইলে, অর্থ ছাড়াও আপনার প্রয়োজনটা মিটিয়ে দিতে পারেন।”
    শামসুল আরেফীন, মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা

  • #4
    শামসুল আরেফীন
    “এর মানে, টোটাল কারিকুলামে নারী-পুরুষকে যা শেখানো হচ্ছে, পুরোটাই বকওয়াস। বাস্তব জীবনে এর কোনো উপযোগিতা নেই, কোনো কার্যকারিতা নেই। একটা অহেতুক সময় নষ্ট করছি জাতিগতভাবে। মেডিকেল ও ইনজিনিয়ারিং স্টুডেন্টদের ওপর একটি রিসার্চ হয়েছিল। দেখা গেছে, ৫২% ইনজিনিয়ারিং-পড়ুয়া মেয়ে-স্টুডেন্ট তারা কর্মক্ষেত্রে যায় না।ফলে তারা আল্টিমেটলি গৃহিণী হয়ে যাচ্ছে। গৃহিণী হওয়ার জন্য যে শিক্ষার প্রয়োজন, সেই শিক্ষাটা কোথায়! এখানে কি শিক্ষা লাগবে না? এখানে পুষ্টিবিদ্যার জ্ঞান লাগবে, চাইল্ড সাইকোলজি, চাইল্ড এডুকেশন লাগবে, হোম ইকোনমিক্সের বিষয় আছে, এখানে বিভিন্ন সাংসারিক খরচ-ম্যানেজমেন্টের বিষয় আছে, একাউন্টিংয়ের কিছু বিষয় আছে। এই পুরো বিষয়টা কেন একজন মেয়েকে শেখানো হচ্ছে না, যে কিনা আল্টিমেটলি গৃহিণীই থাকবে, চাকরিতে আসবে না। কারিকুলামে পুরো অপ্রাসঙ্গিক শিক্ষা দিয়ে ভরে রেখেছে। প্রাসঙ্গিক কোনো শিক্ষা, যেটা তার লাগবে সেটা নেই।”
    শামসুল আরেফীন, মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা

  • #5
    শামসুল আরেফীন
    “ভেবে দেখলাম, একটা ছেলে যা পারে, একটা মেয়ে তা পারে না। আবার মেয়েরা যা পারে, ছেলে হয়ে আমি তা পারি না; কিন্তু আমাকে কেউ জোর করে বিশ্বাস করাতে চাইছে : একটা ছেলে যা পারে, মেয়েও তা পারে। মীনা কার্টুন ইত্যাদি দিয়ে এই কথাটাকে কেউ কাণ্ডজ্ঞান হিসেবে আমার ভিতর প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।”
    শামসুল আরেফীন, অবাধ্যতার ইতিহাস

  • #6
    শামসুল আরেফীন
    “নিজস্ব একটা বিশেষ পরিস্থিতির অভিজ্ঞতায় ইউরোপ একটা বিশেষ চিন্তাধারা গ্রহণ করেছে, যাকে নাম দিয়েছে 'সভ্যতা' বা ' আধুনিকতা'। এটাকে স্ব-আরোপিত দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছে যে এই সভ্যতা তাকে পৌঁছে দিতে হবে সারা দুনিয়ায়— সভ্যতার দায় ( White Man's Burden)”
    শামসুল আরেফীন, অবাধ্যতার ইতিহাস

  • #7
    মোহাইমিন পাটোয়ারী
    “ন্যায্য মুদ্রা এবং মুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা অসম্ভব নয় বরং এটি এক প্রকার নিষিদ্ধ।

    —হ্যান্স এফ. সেনহোলজ
    আমেরিকান অস্ট্রিয়ান অর্থনীতিবিদ ও লেখক”
    মোহাইমিন পাটোয়ারী, ব্যাংকব্যবস্থা ও টাকার গোপন রহস্য

  • #8
    শামসুল আরেফীন
    “নির্দিষ্ট মেন্টাল সেট-আপের কেউ (১) নির্দিষ্ট জায়গায়/সময়ে (২) নির্দিষ্ট স্টিমুলাসের কিছু পেলে (৩) ধর্ষণ সংঘটিত হয়।”
    শামসুল আরেফীন, মানসাঙ্ক

  • #9
    শামসুল আরেফীন
    “কাউকে মোকাবেলা করাটা খুব কঠিন, বরং নিজের জীবনকেই বদলে নেওয়া সহজ”
    শামসুল আরেফীন, মানসাঙ্ক

  • #10
    James Rickards
    “শেষকথা হচ্ছে—ইনফ্ল্যাশন বা ডিফ্ল্যাশন, উভয় ক্ষেত্রে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পায়। ইনফ্ল্যাশন হলে আপনা থেকেই বাড়ে, ১৯৭০-এর দশকে আমরা তা দেখেছি। ডিফ্যাশন হলে সরকার জোর করে বাড়িয়ে দেয়, যেমন ঘটেছিল ১৯৩০ এর দশকে। তাই সব বিনিয়োগকারীর উচিত নিজ ভান্ডারে স্বর্ণের মজুত গড়ে তোলা, পরিমাণ বৃদ্ধি করা—গোল্ড ইজ দ্য বেস্ট ইনস্যুরেন্স।”
    James Rickards, The New Case for Gold

  • #11
    James Rickards
    “আসল বিষয় হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যদি জনগণকে আশ্বস্ত করতে পারে যে, স্বর্ণের সাথে অর্থের কোনোরূপ সম্পর্ক নেই, তবে তারা যত খুশি টাকা ছাপতে পারবে।”
    James Rickards, The New Case for Gold

  • #12
    James Rickards
    “অর্থ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতার সাথে জনগণের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত৷ বস্তুত, , স্বর্ণই এখনো পর্যন্ত বিশ্ব-অর্থব্যবস্থার মূল ভিত্তি, পাদপ্রদীপ৷”
    James Rickards, The New Case for Gold

  • #13
    Tony Hsieh
    “আমি জানতাম না আমি কী করতে যাচ্ছি, কিন্তু এটা জানতাম যে আমি কী করবো না।”
    Tony Hsieh

  • #14
    “ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আমাদের মনে রাখা উচিত। পৃথিবীতে একটি পরিবার, একটি শ্রেণি বা একটি দেশ চিরকাল ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করতে পারে না। আল্লামা ইকবালের মতে:

    سکوں محال ہے قدرت کے کارخانے میں
    ثبات ایک تغیر کو ہے زمانے میں

    ‘শুধুমাত্র পরিবর্তনই ধ্রুবসত্য, আর কিছুই স্থায়ী নয়।'

    পৃষ্ঠা: ১২৬”
    মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ, দ্য গ্রেট গেইম

  • #15
    “Rothschild & Co-এর ওয়েবসাইট অনুসারে, তাদের কাছে ৪২০০ ফাইনান্সিয়াল এক্সপার্ট (অর্থ বিশেষজ্ঞ) রয়েছে। এরা বিশ্বের চল্লিশটি দেশে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রথচাইল্ডরা আজও অনেক ধনী। তবে তারা আগের মতো একক ধনী নয়। বিশ্বের হাজার হাজার পুঁজিপতির একজন।


    অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে তাদের পরিবার ব্যাংকিং ও সুদ থেকে যে সম্পদ উপার্জন করেছিল, পরিমাণে তা অবিশ্বাস্য হলেও সেটা অনেক উত্তরাধিকারীর মাঝে বণ্টিত হয়ে গেছে। তাছাড়া পরিবারটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আগের মতো একার হাতে ব্যবসা পরিচালিত হয় না। কয়েক প্রজন্ম ধরে সম্পদ বণ্টনের পর পারিবারিক সম্পদ এখন অনেক কম। কত কম? এটা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। রথচাইল্ড সবসময় নিজের ও গ্রাহকদের যাবতীয় ব্যবসায়িক তথ্য গোপন রাখে। এটাই তাদের ব্যবসায়িক পলিসি।

    বর্তমানে রথচাইল্ডদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী সদস্য ডেভিড মায়ার ডি রথচাইল্ড। তার সম্পদের পরিমাণ দশ বিলিয়ন ডলার। তার এই সম্পদ বিশ্বের ১০০তম ধনী নারী 'ভিকি সাফরা' ও তার পরিবারের চেয়েও কম। গ্রিক বংশোদ্ভূত ভিকি সাফরার ষোল বিলিয়ন সত্তর মিলিয়ন ডলারের সম্পদ আছে। অর্থাৎ, রথচাইল্ডদের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও বিশ্বের শততম ধনীর ব্যক্তির চেয়ে পিছিয়ে।...



    ...মোদ্দাকথা, রথচাইল্ডরা এখনো গরিব নয়; আবার এ কথাও সত্য, আজ তারা কোনো ধনী-নেতৃস্থানীয় দেশকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো অবস্থায় নেই। বিশ্বব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষমতা তাদের আর নেই। এখন তারা কোনো ব্যক্তি বা দেশকে ব্ল‍্যাকমেইল করে ব্যবসা বাগাতে পারে না।
    যারা রথচাইল্ড সম্পর্কে আজগুবি গালগল্প তৈরি করে, তারা আসলে কন্সফিরেসি ওয়েবসাইটের পোকা। তাদের জানাশোনাতেও কোনো আপডেট নেই। বিশ্বে আজ কার একচেটিয়া আধিপত্য? কে আজ পৃথিবী চালাচ্ছে? আমাদের গ্রেট গেইম লেখায় এর উত্তর মিলবে।

    পৃষ্ঠা : ১২৯-১৩০”
    মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ, দ্য গ্রেট গেইম

  • #16
    “স্টিফেন এসব ফাইল পাঠাত হংকং বা ম্যাকাওয়েতে। এ দুটি এলাকা চীনের স্বায়ত্তশাসিত এলাকা। এখানেই স্টিফেনের সহযোগী টিম কাজ করত। এখানে পাঠানোর কারণ হলো, ভবিষ্যতে এই তথ্যপাচার ধরা পড়ার পর আন্তর্জাতিক চাপ এলে চীন বলতে পারবে, এই হ্যাকিংয়ের সাথে মূল ভূখণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই। পরে এসব তথ্য প্রিন্ট করে বা পেনড্রাইভে করে অফলাইনে মূলচীনে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এসব গোপন তথ্য সরাসরি অনলাইন হয়ে চীনে আসত না। ভবিষ্যতে কখনো তদন্ত হলেও চীনের ভয় পাওয়ার কিছু ছিল না।

    এসব তথ্য চীন পর্যন্ত আসার কোনো অনলাইন ট্রেইল নেই। চীনা এক্সপার্টরা জরুরি তথ্যগুলো চায়নিজ বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছে দিত।

    ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত চার বছরে চায়নিজ হ্যাকাররা লকহিড মার্টিন ও বোয়িং কোম্পানির রগরেশা পর্যন্ত হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিল। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল, উক্ত দুই কোম্পানির কর্তা ব্যক্তিদের চেয়েও চায়নিজ হ্যাকাররা দুই কোম্পানির গোপন তথ্য সম্পর্কে অনেক বেশি জানত। মাত্র তিন বছরে চীনা হ্যাকাররা শুধু বোয়িং সি-১৭ সম্পর্কে যে তথ্য কপি করেছিল, তার পরিমাণ ছিল ৬৫ জিবি। এখানে অডিও-ভিডিও ছিল না; ছিল শুধুই ডকুমেন্টস। এখানে ফাইলের পরিমাণ ছিল ৬,৩০,০০০ (ছয় লক্ষ ত্রিশ হাজার)-এরও বেশি। লকহিড মার্টিনের এফ-১৬ ও এফ-৩৫ সম্পর্কিত ফাইল এর চেয়ে আরো বহুগুণ বেশি ছিল।”
    মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ, দ্য গ্রেট গেইম

  • #17
    “বিচার চলাকালে সুবিন ৩৫ পৃষ্ঠার এক স্বীকারোক্তিনামা আদালতে জমা দিয়েছিল। সেখানে বিস্তারিত সব তথ্য ছিল। সেখানে বলেছে, কীভাবে লকহিড মার্টিনের গোপন তথ্য পাচার করেছে। এডওয়ার্ড স্নোডেন তার ফাঁস করা তথ্যে জানিয়েছিল, কীভাবে মার্কিন গোয়েন্দারা চীনা প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের টেলিফোন কথোপকথন আড়ি পেতে শোনে।

    চীনের নিজস্ব মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম 'হুয়াই'-এর সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেই সিআইএ চরবৃত্তি করে থাকে। সিআইএ গোপনে হুয়াইয়ের সিস্টেমের মধ্যেই নিজস্ব স্পাইং প্রোগ্রাম ইনস্টল করে দেয়। কর্তৃপক্ষ টের পাওয়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য হাতিয়ে নিয়ে যায়। সিআইএর স্পাইং প্রোগ্রাম ইনস্টলড থাকার কারণে হুয়াইএর যেকোনো ফোনের ক্যামেরা ও মেমরিকে দূর থেকে ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করা যায়; তথ্য সংগ্রহ করা যায়। অবশ্য যতদিন ধরা না পড়ে ততদিন আরকি।

    পৃষ্ঠা: ৩৪৩/৩৪৪”
    মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ, দ্য গ্রেট গেইম

  • #18
    “চীনে পরিপূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো কোম্পানি হতে পারে না। সিসিপি বড় বড় ব্যবসাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। সিসিপির অন্যতম এজেন্ডা হচ্ছে, তারা 'লফেয়ার, ইকোনোমিক ওয়ারফেয়ার ও সাইবার ওয়ারফেয়ারের মাধ্যমেই আমেরিকার সাথে যুদ্ধ করবে। এই তিন পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেই আমেরিকাকে পরাজিত করবে।

    পৃষ্ঠা: ৩৪৮”
    মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ, দ্য গ্রেট গেইম

  • #19
    “যেসব ঈর্ষাতুর নিজেদের জ্ঞানকে পৃথিবী থেকে আলাদা করে শুধু নিজেদের মধ্যে রুদ্ধ করে রাখতে চান, তাদের এই গণ্ডিবদ্ধতা আর বর্বর পরিভাষার জন্য যদি মানুষ—যে শিক্ষাটুকু তারা নিজেরা দিতে পারতেন, তার সন্ধানে সস্তা-হালকা বইপত্র, বক্তৃতা বা বয়স্ক শিক্ষার দিকে ছুটে যায় তাহলে তার জন্য তারাই দায়ী ও দোষী। যেসব অবিশেষজ্ঞরা জীবনের প্রতি ভালোবাসার তাগিদে জ্ঞানকে মানবীয় করে তুলছেন তাদের প্রতি ওইসব লোকের অর্থাৎ বিচ্ছিন্নতাবাদী বিশেষজ্ঞদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ওদের শিক্ষা আর জ্ঞানকেই তো অবিশেষজ্ঞরা জনচিত্তে ছড়িয়ে দেওয়ার সহায়তা করছেন।

    ভূমিকা, দর্শনের ইতিকাহিনি”
    উইল ডুরান্ট

  • #20
    Obayed Haq
    “দীনেশ বিনা প্রয়োজনে কিছুক্ষণ পরপর তার কিশোরী বধুর স্মৃতিচিহ্ন রুমালখানা বের করে নাকে মুখে চেপে ধরে আবার রেখে দিচ্ছে। তার ছেলেমানুষি কারো কাছে ধরা পড়ে গেল নাকি সেটাও লক্ষ রাখছে। বউর প্রতি ভালোবাসা কোনোরকমে না প্রকাশ হয়ে যায়, এই নিয়ে সে সর্বদা তটস্থ, এই বাংলায় বউকে ভালোবাসার চেয়ে কাপুরুষতা আর নেই।”
    Obayed Haq, আড়কাঠি

  • #21
    Obayed Haq
    “গোমাংসে যাদের জাত যায়, অভাবে পড়লে তারা নরমাংসও খেতে পারে, খাদ্য আর বেশ্যার কোনো জাত হয়না।”
    Obayed Haq, আড়কাঠি

  • #22
    Obayed Haq
    “যে অভাবে সংসার ত্যাগী সাধু চোর হতে পারে, সে অভাবে সংসারী মানুষ ডাকাত ও হতে পারে।”
    Obayed Haq, আড়কাঠি

  • #23
    Obayed Haq
    “আমি বুঝলাম মা মেয়ের একটাই শাড়ি । দুজনে একসাথে বের হতে পারেনা। জন্মের সময় দাঁই নাড়ির বন্ধন কেটেছে, কিন্তু শাড়ির বন্ধন কাটতে পারেনি।”
    Obayed Haq, জলেশ্বরী

  • #24
    Obayed Haq
    “পাহাড়ের সেই বালকের মতো তার পেট পুরে। মাচাং ঘরের পাশে ছোট পাহাড়টির জন্য, কাজচাই-এর জন্য, উথাই খায়াচিং-এর জন্য, ক্রাসিমার জন্য। সব ছেড়ে আবার ফিরতে ইচ্ছা করে পাহাড়ে, সে শুধু অপেক্ষা করে একটা আহ্বানের।”
    Obayed Haq, নীল পাহাড়

  • #25
    Obayed Haq
    “নদী সন্ন্যাসী ভিক্ষুকের মত মানুষের উঠানে গিয়ে উঠেছে, চাইলেও কেউ এই আপদ বিদায় করতে পারছেনা। কিছু না নিয়ে সে ক্ষান্ত হবেনা। সন্ন্যাসীকে এক মুঠো চাল দিয়ে বিদায় করা যায়, কিন্তু নদী কী চায়? প্রাণ? ছানি পড়া বৃদ্ধের চোখের মত ঘোলা পানি, কোথাকার মাটি যেন খেয়ে এসেছে।”
    Obayed Haq, জলেশ্বরী
    tags: flood



Rss