SAQIB
https://www.goodreads.com/arefinsaqib
“অর্থ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতার সাথে জনগণের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত৷ বস্তুত, , স্বর্ণই এখনো পর্যন্ত বিশ্ব-অর্থব্যবস্থার মূল ভিত্তি, পাদপ্রদীপ৷”
― The New Case for Gold
― The New Case for Gold
“স্টিফেন এসব ফাইল পাঠাত হংকং বা ম্যাকাওয়েতে। এ দুটি এলাকা চীনের স্বায়ত্তশাসিত এলাকা। এখানেই স্টিফেনের সহযোগী টিম কাজ করত। এখানে পাঠানোর কারণ হলো, ভবিষ্যতে এই তথ্যপাচার ধরা পড়ার পর আন্তর্জাতিক চাপ এলে চীন বলতে পারবে, এই হ্যাকিংয়ের সাথে মূল ভূখণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই। পরে এসব তথ্য প্রিন্ট করে বা পেনড্রাইভে করে অফলাইনে মূলচীনে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এসব গোপন তথ্য সরাসরি অনলাইন হয়ে চীনে আসত না। ভবিষ্যতে কখনো তদন্ত হলেও চীনের ভয় পাওয়ার কিছু ছিল না।
এসব তথ্য চীন পর্যন্ত আসার কোনো অনলাইন ট্রেইল নেই। চীনা এক্সপার্টরা জরুরি তথ্যগুলো চায়নিজ বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছে দিত।
২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত চার বছরে চায়নিজ হ্যাকাররা লকহিড মার্টিন ও বোয়িং কোম্পানির রগরেশা পর্যন্ত হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিল। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল, উক্ত দুই কোম্পানির কর্তা ব্যক্তিদের চেয়েও চায়নিজ হ্যাকাররা দুই কোম্পানির গোপন তথ্য সম্পর্কে অনেক বেশি জানত। মাত্র তিন বছরে চীনা হ্যাকাররা শুধু বোয়িং সি-১৭ সম্পর্কে যে তথ্য কপি করেছিল, তার পরিমাণ ছিল ৬৫ জিবি। এখানে অডিও-ভিডিও ছিল না; ছিল শুধুই ডকুমেন্টস। এখানে ফাইলের পরিমাণ ছিল ৬,৩০,০০০ (ছয় লক্ষ ত্রিশ হাজার)-এরও বেশি। লকহিড মার্টিনের এফ-১৬ ও এফ-৩৫ সম্পর্কিত ফাইল এর চেয়ে আরো বহুগুণ বেশি ছিল।”
― দ্য গ্রেট গেইম
এসব তথ্য চীন পর্যন্ত আসার কোনো অনলাইন ট্রেইল নেই। চীনা এক্সপার্টরা জরুরি তথ্যগুলো চায়নিজ বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছে দিত।
২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত চার বছরে চায়নিজ হ্যাকাররা লকহিড মার্টিন ও বোয়িং কোম্পানির রগরেশা পর্যন্ত হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিল। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল, উক্ত দুই কোম্পানির কর্তা ব্যক্তিদের চেয়েও চায়নিজ হ্যাকাররা দুই কোম্পানির গোপন তথ্য সম্পর্কে অনেক বেশি জানত। মাত্র তিন বছরে চীনা হ্যাকাররা শুধু বোয়িং সি-১৭ সম্পর্কে যে তথ্য কপি করেছিল, তার পরিমাণ ছিল ৬৫ জিবি। এখানে অডিও-ভিডিও ছিল না; ছিল শুধুই ডকুমেন্টস। এখানে ফাইলের পরিমাণ ছিল ৬,৩০,০০০ (ছয় লক্ষ ত্রিশ হাজার)-এরও বেশি। লকহিড মার্টিনের এফ-১৬ ও এফ-৩৫ সম্পর্কিত ফাইল এর চেয়ে আরো বহুগুণ বেশি ছিল।”
― দ্য গ্রেট গেইম
“দীনেশ বিনা প্রয়োজনে কিছুক্ষণ পরপর তার কিশোরী বধুর স্মৃতিচিহ্ন রুমালখানা বের করে নাকে মুখে চেপে ধরে আবার রেখে দিচ্ছে। তার ছেলেমানুষি কারো কাছে ধরা পড়ে গেল নাকি সেটাও লক্ষ রাখছে। বউর প্রতি ভালোবাসা কোনোরকমে না প্রকাশ হয়ে যায়, এই নিয়ে সে সর্বদা তটস্থ, এই বাংলায় বউকে ভালোবাসার চেয়ে কাপুরুষতা আর নেই।”
― আড়কাঠি
― আড়কাঠি
“Rothschild & Co-এর ওয়েবসাইট অনুসারে, তাদের কাছে ৪২০০ ফাইনান্সিয়াল এক্সপার্ট (অর্থ বিশেষজ্ঞ) রয়েছে। এরা বিশ্বের চল্লিশটি দেশে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রথচাইল্ডরা আজও অনেক ধনী। তবে তারা আগের মতো একক ধনী নয়। বিশ্বের হাজার হাজার পুঁজিপতির একজন।
অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে তাদের পরিবার ব্যাংকিং ও সুদ থেকে যে সম্পদ উপার্জন করেছিল, পরিমাণে তা অবিশ্বাস্য হলেও সেটা অনেক উত্তরাধিকারীর মাঝে বণ্টিত হয়ে গেছে। তাছাড়া পরিবারটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আগের মতো একার হাতে ব্যবসা পরিচালিত হয় না। কয়েক প্রজন্ম ধরে সম্পদ বণ্টনের পর পারিবারিক সম্পদ এখন অনেক কম। কত কম? এটা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। রথচাইল্ড সবসময় নিজের ও গ্রাহকদের যাবতীয় ব্যবসায়িক তথ্য গোপন রাখে। এটাই তাদের ব্যবসায়িক পলিসি।
বর্তমানে রথচাইল্ডদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী সদস্য ডেভিড মায়ার ডি রথচাইল্ড। তার সম্পদের পরিমাণ দশ বিলিয়ন ডলার। তার এই সম্পদ বিশ্বের ১০০তম ধনী নারী 'ভিকি সাফরা' ও তার পরিবারের চেয়েও কম। গ্রিক বংশোদ্ভূত ভিকি সাফরার ষোল বিলিয়ন সত্তর মিলিয়ন ডলারের সম্পদ আছে। অর্থাৎ, রথচাইল্ডদের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও বিশ্বের শততম ধনীর ব্যক্তির চেয়ে পিছিয়ে।...
...মোদ্দাকথা, রথচাইল্ডরা এখনো গরিব নয়; আবার এ কথাও সত্য, আজ তারা কোনো ধনী-নেতৃস্থানীয় দেশকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো অবস্থায় নেই। বিশ্বব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষমতা তাদের আর নেই। এখন তারা কোনো ব্যক্তি বা দেশকে ব্ল্যাকমেইল করে ব্যবসা বাগাতে পারে না।
যারা রথচাইল্ড সম্পর্কে আজগুবি গালগল্প তৈরি করে, তারা আসলে কন্সফিরেসি ওয়েবসাইটের পোকা। তাদের জানাশোনাতেও কোনো আপডেট নেই। বিশ্বে আজ কার একচেটিয়া আধিপত্য? কে আজ পৃথিবী চালাচ্ছে? আমাদের গ্রেট গেইম লেখায় এর উত্তর মিলবে।
পৃষ্ঠা : ১২৯-১৩০”
― দ্য গ্রেট গেইম
অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে তাদের পরিবার ব্যাংকিং ও সুদ থেকে যে সম্পদ উপার্জন করেছিল, পরিমাণে তা অবিশ্বাস্য হলেও সেটা অনেক উত্তরাধিকারীর মাঝে বণ্টিত হয়ে গেছে। তাছাড়া পরিবারটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আগের মতো একার হাতে ব্যবসা পরিচালিত হয় না। কয়েক প্রজন্ম ধরে সম্পদ বণ্টনের পর পারিবারিক সম্পদ এখন অনেক কম। কত কম? এটা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। রথচাইল্ড সবসময় নিজের ও গ্রাহকদের যাবতীয় ব্যবসায়িক তথ্য গোপন রাখে। এটাই তাদের ব্যবসায়িক পলিসি।
বর্তমানে রথচাইল্ডদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী সদস্য ডেভিড মায়ার ডি রথচাইল্ড। তার সম্পদের পরিমাণ দশ বিলিয়ন ডলার। তার এই সম্পদ বিশ্বের ১০০তম ধনী নারী 'ভিকি সাফরা' ও তার পরিবারের চেয়েও কম। গ্রিক বংশোদ্ভূত ভিকি সাফরার ষোল বিলিয়ন সত্তর মিলিয়ন ডলারের সম্পদ আছে। অর্থাৎ, রথচাইল্ডদের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও বিশ্বের শততম ধনীর ব্যক্তির চেয়ে পিছিয়ে।...
...মোদ্দাকথা, রথচাইল্ডরা এখনো গরিব নয়; আবার এ কথাও সত্য, আজ তারা কোনো ধনী-নেতৃস্থানীয় দেশকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো অবস্থায় নেই। বিশ্বব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষমতা তাদের আর নেই। এখন তারা কোনো ব্যক্তি বা দেশকে ব্ল্যাকমেইল করে ব্যবসা বাগাতে পারে না।
যারা রথচাইল্ড সম্পর্কে আজগুবি গালগল্প তৈরি করে, তারা আসলে কন্সফিরেসি ওয়েবসাইটের পোকা। তাদের জানাশোনাতেও কোনো আপডেট নেই। বিশ্বে আজ কার একচেটিয়া আধিপত্য? কে আজ পৃথিবী চালাচ্ছে? আমাদের গ্রেট গেইম লেখায় এর উত্তর মিলবে।
পৃষ্ঠা : ১২৯-১৩০”
― দ্য গ্রেট গেইম
“যে অভাবে সংসার ত্যাগী সাধু চোর হতে পারে, সে অভাবে সংসারী মানুষ ডাকাত ও হতে পারে।”
― আড়কাঠি
― আড়কাঠি
Goodreads Librarians Group
— 332775 members
— last activity 6 minutes ago
Goodreads Librarians are volunteers who help ensure the accuracy of information about books and authors in the Goodreads' catalog. The Goodreads Libra ...more
বই লাভার'স পোলাপান (Boi lover's polapan)
— 1519 members
— last activity Jul 25, 2026 07:39AM
ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপ বই লাভার'স পোলাপান (Boi lover's polapan) এর গুডরিডস গ্রুপ এটি । New টপিক পোস্ট করার আগে অবশ্যই Guideline পোস্টটি পড়ে জেনে নিন গ ...more
SAQIB’s 2025 Year in Books
Take a look at SAQIB’s Year in Books, including some fun facts about their reading.
More friends…
Favorite Genres
Polls voted on by SAQIB
Lists liked by SAQIB













































