Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Taradas Bandyopadhyay.
Showing 1-30 of 44
“যে বাড়িতে বই সাজানো থাকে, সে বাড়িতে পাঠক কম।পড়ুয়াদের বই কখনো গোছানো থাকিতে পারে না। যাহারা শখের আসবাবের মতো বই দিয়া ঘর সাজাইয়া সুরুচির পরিচয় দিতে চায় – তাহাদের বই সাজানো থাকিতে পারে।”
― কাজল
― কাজল
“ভবঘুরে জীবনের এই একটা সুন্দর দিক - কোনও দায় -দায়িত্ব কিচ্ছু নেই, মুক্ত আনন্দে ঘুরে বেড়াও, ইচ্ছে হলে কোথাও দু-দিন থাকো, ইচ্ছে না হলে আবার বেরিয়ে পড়ো পথে। ভারি আনন্দের জীবন, চমৎকার জীবন -”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“আত্মার বিনাশ নেই। আত্মা একটা শক্তি। একটা ভীষণ শক্তি। শক্তির বিনাশ নেই, রূপান্তর আছে মাত্র”
― কাজল
― কাজল
“মৃত্যুঞ্জয় তার হাতের ছড়িটা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে তাঁবুর দিকে। মাঝে মাঝে থেমে গিয়ে কাঠিটা দিয়ে মাটিতে কী মেপে দেখছে। তার অপস্রিয়মাণ চেহারার দিকে তাকিয়ে মনে হল এই বিশাল জগতের তুচ্ছাতিতুচ্ছ তৃণখণ্ড থেকে অনাদ্যন্ত মহাকাশে জ্বলন্ত নক্ষত্রের দল পর্যন্ত একটা অদৃশ্য, কিন্তু অত্যন্ত বাস্তব আত্মীয়তার সূত্রে গ্রথিত। প্রাত্যহিকতার মায়ায় সত্যের ওই অগ্নিময় জ্বলন্ত রূপ আমাদের চোখে পড়ে না। কলকাতা শহরের এঁদো মেসের ঘর নয়, সমস্ত বিশ্বের বিচিত্র বিস্ময়পূর্ণ পরিধিই আমারও জীবনের পরিধি, জ্বলন্ত নক্ষত্রবেষ্টিত সত্যের অলাতচক্র।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“মাটিই তো সব। মাটিতে সৃষ্টি, এই মাটিতে প্রতিষ্ঠা, মাটিতে মৃত্যু। মাটিতে মহাকাল মিশে থাকে। বৈদ্য যেমন রোগীর নাড়ি থেকে শরীরের গতিক বুঝতে পারে, তেমনি মাটি শুঁকে সবকিছু বলে দেওয়া যায়।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“পানিফলের ঝাঁক অর্ধেক পুকুর ছেয়ে থাকে, কিন্তু যে কোন একটা জায়গা ধরে টান দিলে সবটা একসঙ্গে নড়ে ওঠে। আমাদের বেঁচে থাকাও ঠিক তাই। আলাদা ঘটনা বলে কিছু হয় না। সবকিছু সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত। আমি তুমি দেবদর্শন অমরজীবন জীবন মৃত্যু হাসি কান্না-সব।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“জগতব্যাপারে বিশাল মুক্তির মধ্যে চিরতরে নিজেকে যুক্ত করতে গেলে শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হয়।”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“নাস্তিক আর অবিশ্বাসীরাই অলৌকিক গল্পের ভালো শ্রোতা হয়।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“ভালো আর মন্দ, আলো আর অন্ধকার সৃষ্টির মুহূর্ত থেকেই বর্তমান, বৈপরীত্য আছে বলে সৃষ্টির সার্থকতা আছে। দানবিকতার ওপরে ঐশ্বরিকতার প্রতিষ্ঠাই মানুষের সাধনা।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“তোমরা ভাব তারানাথ গল্প বললেই বোধ হয় কেবল কষ্ট, দুঃখ আর ভয়ের গল্প বলে। কিন্তু সেটা সত্যি নয়। আমি জীবনের গল্প বলি, জীবন যেমন বিচিত্র উপলব্ধির মালা দিয়ে গাঁথা, আমার গল্পও তাই। কখনও মেঘ, কখনও রোদ্দুর।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“কলেজে আই.এ. পড়ার সময় কোলরিজের 'রাইম অফ দি অ্যানসেন্ট ম্যারিনার' পাঠ্য ছিল। অধ্যাপক উইলিং সাসপেনশন অফ ডিসবিলিফ বলে একটা সাহিত্যিক জাদুর কথা বলেছিলেন। অপ্রাকৃত কাহিনি পড়ার আগে পাঠক মনকে প্রস্তুত করে নেয়, তার অবিশ্বাসকে সাময়িকভাবে মুলতুবি রাখে।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“রাত তখন প্রায় আড়াইটে। রূপোর মতো চাঁদ পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে বিশাল পাকুড়্গাছের পেছনে। মৃদু হিমের ছোঁয়া বাতাসে, কী যেন কী কত কথা মনে পড়ে যায়। স্বার্থ হিংসা আর হানাহানির মধ্যেও মনে হয় আকাশ মধু, বাতাস মধু। মনে হয় মৃত্যু আর অন্ধকার সত্য, কিন্তু তাঁর চেয়েও বড় সত্য মুক্ত জীবনের আনন্দ।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“তারানাথ হেসে বলল-না, এই গল্পটা শেষ হয়ে গেল। আমি রইলাম, পৃথিবী রইল তার বৈচিত্র্য নিয়ে, অমরজীবন রইল। সবচেয়ে বড় কথা-তোমরা রইলে আমাকে দিয়ে গল্প বলিয়ে নেবার জন্য। অবিলম্বে আবার শুরু করব।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“মৃত্যুকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে দেখিনি, দেখেছি ঈশ্বরের তৈরি এই জগতের একটা অবশ্যম্ভাবী পরিনতি হিসেবে। যে পরিণতিতে ভয়ের কিছু নেই, আছে স্রষ্টার অপার করুণা।”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“সবকিছু জেনে ফেললেই খেলা শেষ। সেটা ভগবান চান না। তা একদিক দিয়ে ভালই, খেলা চলছে চলুক না।”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“মানুষকে ভালোবাসার চেয়ে বড়ো ধর্ম আর নেই।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“মোটের ওপর জীবনটা বেশ ভালই কেটেছে। যদি সুযোগ পাই তাহলে আবার ফিরে আসব পৃথিবীতে। আবার আম কুড়োতে যাব ঝড়ের দিনে, খেলা করব মায়ের কোলে-সুখ-দুঃখ সহ্য করতে করতে বড়ো হয়ে উঠব।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“রাত তখন প্রায় আড়াইটে। রূপোর মতো চাঁদ পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে বিশাল পাকুড়্গাছের পেছনে। মৃদু হিমের ছোঁয়া বাতাসে, কী যেন কী কত কথা মনে পড়ে যায়। মনে হয় মৃত্যু আর অন্ধকার সত্য, কিন্তু তাঁর চেয়েও বড় সত্য মুক্ত জীবনের আনন্দ।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“তারপর সবকিছু ছেড়ে ফেলবার ভঙ্গিতে হাত নেড়ে তারানাথ বলল-যাক, যা গিয়েছে তা তো আর ফিরবে না। বরং আমার স্মৃতিতেই সমস্ত উজ্জ্বল হয়ে থাক।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“ভাবো তো, জিতটা তো নিপীড়িতজনেরই হল? চৌধুরীপরিবার বেঁচে গেলে সেটা ঈশ্বরের ন্যায়বিচার হত কি? পৃথিবীর আদালতে এই মানুষগুলো বিচার পায় না, বড় আদালতে যে এখনো সুবিচার হয়, তা তো প্রমাণিত হল।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“আত্মীয়হীন, বন্ধুহীন দুনিয়ায় সম্পূর্ণ সম্বলহীন অবস্থায় ভেসে পড়তে হলে খুব সাহসের দরকার”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“মন আসলে একটাই -....মায়ার আবরণে আলাদা আলাদা দেখায়। পর্দা টাঙিয়ে দিলে ওপারে কী আছে দেখা যায় না, পর্দা সরিয়ে দিয়ে আবার সব স্পট দেখা যায়। মায়ার পর্দা সরিয়ে দিলে সবাই এক। তখন কারও মনের কথা জানতে অসুবিধে হয় না।”
― অলাতচক্র
― অলাতচক্র
“যে কোনও ভালবাসাই শেষ পর্যন্ত স্বার্থের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে থাকে-মাও যে শিশুকে ভালবাসেন, তা ওই ভালবাসার পরিবর্তে বাৎসল্যের রসঘন তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি হয় বলেই। তবু নিছক বৈষয়িক স্বার্থের চেয়ে কি তা ভাল নয়? কোন না কোন আসক্তি যদি জীবনে থাকতেই হয়, তাহলে ঈশ্বরের নিষ্কাম আসক্তি থাকুক।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
“দুর্যোগ আর দুঃসময়ের দুটো রূপ আছে। একটা রূপ আমাদের সন্ত্রস্ত করে, অন্যটা একধরনের বিচিত্র আনন্দের জন্ম দেয়। মানুষ যতই বলুক, সে শুধুমাত্র শান্তির পূজারী নয়। তাহলে আদিম যুগ থেকে মানবসভ্যতা একটুও অগ্রসর হত না। আরামে গাছের ছায়ায় শুয়ে গান গেয়ে দিন কাটানোর সুযোগ ছেড়ে মানুষ চিরকাল বেরিয়ে পড়েছে অজানার হাতছানিতে। প্রায়ান্ধকার বনের মধ্যে দাঁড়িয়ে আমারও গা-ছমছম করা অনুভূতি আর আনন্দ একসঙ্গে হল।”
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র
― তারানাথ তান্ত্রিক সমগ্র




