,
Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Shoroli Shilon.

Shoroli Shilon Shoroli Shilon > Quotes

 

 (?)
Quotes are added by the Goodreads community and are not verified by Goodreads. (Learn more)
Showing 1-30 of 44
“তার প্রতিক্রিয়া ছিলো ভাবলেশহীন আর একদিকে তাকিয়ে রইলো বিরতিহীনভাবে। শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস জানান দিল আমরা দু’জনেই কেউ কাউকে সাহায্য করতে পারলাম না।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“এমন বিদঘুটে স্বপ্ন আগেও দেখেছে। কোনো কূল কিনারা নেই তার। এমন সব স্বপ্নের আদৌ কোনো ব্যাখ্যা আছে? খুব জানতে ইচ্ছে করে ওর। অসময়ে ঘুমানোর এই একটা অসুবিধা! কিছুই ভালোলাগে না এ সময়ে। ঘুম থেকে উঠলে নিজেকে নবজাতক শিশুর মতো মনে হয়। আশেপাশের সবকিছু অচেনা-অজানা লাগে। বিশ্রী এক ফ্যাকাশে অনুভূতি!”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“আফসোস কি আগেও করিনি! বারবার কিসের যেন আফসোসে মারা গিয়েছি। আবার, আফসোস ঠেলে রগরগে সাহস দেখাতে গিয়েও বিপদে পড়েছি। নতুন নতুন আরো কয়েক ডজন আফসোস এর জন্ম হয়েছে।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“সবকিছুই বুঝলাম কিন্তু এতকিছু রেখে মানুষকে আপনি ঘুম পাড়িয়ে রাখবেন?
যেখানে পৃথিবীতে ফুলেরা গান গাইবে সে পৃথিবীতে মানুষের ঘুমিয়ে থাকাটা কি যুক্তিসঙ্গত নয়?”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“পিঁপড়ের দলরা মনে করিয়ে দেয়, জীবন ক্ষণিকের তবুও সে জীবনের মহত্ত্ব বড় বিশাল। এ বিশালতা ম্লান হওয়ার আগেই ঠাঁই পাওয়ার প্রচেষ্টা জরুরি। আর এই ঠাঁই পাওয়াটাই কি চারটি খানি কথা? বিশাল এই রেস এ আপনি দাঁড়াতে না পারলেই যে বিসর্গ চিহ্নের মত একা হয়ে যাবেন, অনেকটা পরগাছা।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“মা বললো, ক্ষিধে পেলে স্পর্ধা ভুলে যেতে হয়।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“সান্ত্বনার আবডালে একটা মানুষ আরেকটা মানুষকে আঁকড়ে ধরতে চায় সাময়িক সময়ের জন্য ঠিকই। এতে দোষের কিছু নেই। তবে 'অভ্যাস' নামক ভয়ঙ্কর বস্তু এসে সবকিছু বদলে দেয়। পরবর্তীতে আঁকড়ে ধরা মানুষটা থেকেই বেরিয়ে আসার সান্ত্বনা খুঁজে বেড়াতে হয় অদৃশ্যে..”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“তবে আমি একটা গল্প লিখতে চাই। যে গল্পে ফুলেরা কথা বলবে। পাখিরা ঘ্রাণ ছড়াবে আর মানুষেরা ঘুমিয়ে থাকবে। আর এ সমস্ত কিছু তদারকি করবে একটা ছাই রঙা বেড়াল।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“সবকিছুই বুঝিয়ে দেয় দুনিয়া কতটা নশ্বর। যেন দাবার গুটিতে আমরা ঈশ্বরের এক একটা কঠিন চাল! কতটা ভাবলেশহীন হয়ে তিনি আমাদের দেখছেন আর মুচকি হাসছেন; ভাবতে আমার অবাক লাগে না যদিও।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“অজস্র বার ভেঙে পড়তে দেখেছি কৌশিককে। তবে আমি জেনেছি, ভেঙে পড়া মানুষকে কখনো সান্ত্বনা দিতে নেই। মানুষকে তার নিজেকে সামলানোর কৌশল রপ্ত করতে হয়। ঝড়ের কবল থেকে বাঁচতে পাখিরা যেমন একটা আশ্রয়ের জন্য তৎপর হয়ে ওঠে, মানুষও তেমনি মরিয়া হয়ে ওঠে একটা ঘরের জন্য। যে ঘর হবে মেহগনির ডালের মতো মজবুত আর স্থায়ী।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“দাঁড়িপাল্লায় একপাশে ওজনের সব বাটখারা রেখে দেখিস অপরপাশটা কতটা উঁচুতে উঠে যায়। অথচ পাল্লার ভেতরটা একদম খালি। কাউকে খুব ভালোবাসলে সে এতটাই ওপরে চলে যায় যে ওপর থেকে বাটখারাগুলোকে খুব নগন্য মনে হয়।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“শুরু থেকেই যা ঠিক নয় তার উপসংহারে নেমে আসে ধ্বস। মাঝের সময়টা শুধু ভ্রম হয়ে আনন্দ দিতে থাকে অনবরত। সে এক অপার্থিব সুখ। কিছু সময়ের এই সুখকে প্রশ্রয় দেওয়া মানে একই বৃত্তে ক্রমান্বয়ে চলতে থাকা।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“তবে যাই বলেন সবকিছুর পরে একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়।
সেই ‘কিন্তু’ টাকেই তো আর বইতে পারছি না। তাই আমি জাগতিক সমস্ত যোগাড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পেতে চাই।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“অনুমান করেছিলাম বলেই বুঝতে পেরেছিলাম—হয়তো তার একজন বন্ধুর দরকার ছিল তখন; যে বন্ধুটি তার যাবতীয় সমস্ত একাকীত্বকে নিমিষেই গিলে ফেলবে।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“একমাত্র অর্থই উপার্জনেই কি জগতের সমস্ত পাপ মোচন হয়? ‘মানি কান্ট বাই হ্যাপিনেস’–কোন শালা বলেছিল যে!”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“এত কাছের মানুষটার এত দূরে চলে যাওয়া কীভাবে মেনে নিবে জয়িতা? হঠাৎ করে কার কাছে গিয়ে কাঁদবে, হাসবে? মরে তো আর যাচ্ছেনা ঊর্মি। এই আধুনিক যুগে যোগাযোগ করার কত মাধ্যম! তবুও এক অসহ্য শূন্যতা ঘিরে ধরে তাকে। কিছু আর ভাবতে চায় না জয়িতা। অনুভূতি শূন্য হতে চায় ফের। সেখানে যেতে চায় যেখানে গেলে সব খালি হয়ে যাওয়ার ভয়ে বারবার মরে যেতে হয় না!”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“কোথায় থাকি, কোথায় আমার ঘর তা নিজেও জানি না। পার করছি ভ্যাগাবন্ডের জীবন। বিশেষত আমি রাতের বুকে থেকেছি! প্রতিদিন ঐ পুরোনো তারা ঝলমলে আকাশের নিচে। চাঁদের দিকে চোখ পড়ে গেলে মনে পড়ে সে সমস্ত দিনের কথা। নিজেকে মনে হত বিসর্গ চিহ্নের মতো একা, পরগাছা।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“শখহীন মানুষ কী নিয়ে বাঁচে আমার অনেক জানতে ইচ্ছা করে। না মিটলো সে শখ কিন্তু কোনো আশাকে সম্বল করেই তো মানুষ বাঁচে। শখ মিটে গেলে সে শখের মূল্য আরও খানিকটা কমে যায়।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“তবে একসময় আমি বুঝতে উঠতে শুরু করি–প্রয়োজন ফুরালেই বোধহয় সবকিছুর ইতি টানতে হয়! হোক সেটা কালি ফুরিয়ে যাওয়া কোনো বলপেন কিংবা সম্পর্ক!”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“আমার মস্তিষ্কের একটা অংশে কিছু শব্দেরা ভাড়া নিয়েছে। তারা যখন হাঁটা-চলা করে টের পাই আমার মাথার তালুর ওপরে কারা যেন কিলবিল করছে। তাদের চলাফেরা ইশারা দেয় কখন তারা ঘুমাতে যায়। এই অবয়বহীন ভাড়াটিয়াদের না পারছি তাড়াতে না পারছি গ্রহণ করতে! খুব বাজে এক ফ্যাসাদে পড়েছি।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“অথচ দেখ আমরা তাদের জন্যই মরে যাই, আমাদের অনুপস্থিতিতে যাদের কিছু যায় আসে না।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“সিসিফাসের বারবার পাথর ঠেলে ওপরে নিয়ে যাওয়া এবং গাধার মালামাল বহন করার যোগসূত্র বুনতে বুনতে, চোখ ডলতে ডলতে আবিষ্কার করে ফেলি রাস্তা-ই একমাত্র মোকাম। তবে সে রাস্তায় খুঁটিস্বরূপ কি গাঁথলে অস্তিত্বের এই বিশাল ভারটা তার কাঁধ থেকে নামবে সেটা ভাবতে ভাবতে মাগরিব সন্ধ্যার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে। আকাশে কমলা রঙের ঘোড়া নীল সাগরে নিমজ্জিত হয়। নতুন করে পুরোনো দিনের ইস্তফার জানান দেয়, রাতের যাত্রারম্ভ।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম আর আমার ভেতরের কু-ডাকটাও আস্তে আস্তে গুটি থেকে আলগা হওয়া সুতার মত লম্বা হতে থাকলো..”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“বিখারনে কে লিয়ে এক দিল চাহিয়ে।
অর মার্দ কো দিল নেহি হোনা চাহিয়ে।
জিসকা দিল হ্যায়, ওহ বাস এক ফাটা হুয়া কাগাজ কি তারাহ।
যো এক সাস কি সাথ উড় যায়ে।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“মানুষ সময়ে ভাবে, অসময়ে ভাবে। ভাবতে ভাবতে অনুভূতি শূন্য হয়ে যায়। আবার শূন্যের খাতা ভরে ওঠে অঙ্কে, একদম কানায় কানায়! এ ভরে ওঠা মেনে নিতে আজকাল অনেক বেশি কষ্ট হয় জয়িতার। কবে না জানি সব আবার খালি হয়ে যায়।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“খোদা আমি এ কোন ভুল লাইটহাউজের সন্ধান পেয়েছি?’
আমার মৃত্যু দাও, খোদা। আমার মৃত্যু দাও।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“আমার কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে। আমাকে সে ডাকছে, আমার সমস্ত অস্তিত্বকে। ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কাঁদছি, শব্দ বের হচ্ছে না। আমি এখন অন্তঃসারহীন বায়বীয় পদার্থের মত উবে যাওয়ার শঙ্কায়!”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“একসময় সে মানুষটা কথা বললে মনে হতো চারপাশে বেহালা বাজছে। ঘোর নামক অতল গহ্বর সমস্ত অস্তিত্বকে চুম্বকের মতন টানছে। যে অন্ধকার অর্ধেক ডুবন্ত জাহাজের একজন নাবিকের চোখের জ্যোতিতে ধরা পড়ে সে অন্ধকারে নিলীন হয়ে যাওয়াটাও নিছক কোনো ভ্রম নয়। তবে ধোয়া-ছোঁয়ার বাইরের মানুষকে আর কতটুকুই বা ধরে রাখা যায়! ধরতে পারলে মানুষ ছেঁড়ে দেওয়ার ঝুঁকি নেয়। আর যে ধরতে গেলেই সব পিছলে যায়, তার কথা লিখতে গেলে শুধুশুধু কালির অপচয়।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“বাবার ভেতরে এসব ছিলো না কখনোই। যত্ন সহকারে আত্নার বেড়ে ওঠার ব্যাপারে তার ছিল অনীহা। তবে রোজ  সকালে-বিকালে কবুতরগুলোকে খাবার দিতে ছাদে যেতেন বাবা। অহমিকা, তেজ, গর্বকে কখনো মরতে দেওয়া যাবে না। পুরুষমানুষ মানেই যেন এসমস্ত কিছুর এক পুরু আবরণ।”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং
“যন্ত্র হয়ে জন্মালে আজন্ম যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাত বহন করা যায়, মানুষ হয়ে জন্মালে তার কী সমাধান?”
Shoroli Shilon, ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং

« previous 1
All Quotes | Add A Quote