বইমেলায় ঐতিহ্যের স্টলে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে,প্যাভিলিয়ন ০৬) আজ থেকে পাওয়া যাচ্ছে আমার দ্বিতীয় উপন্যাস, ‘পদতলে চমকায় মাটি’।
পেছনে ফিরে দেখি, এই প্রচেষ্টা সহজ ছিলো না। উপন্যাসের ভুরু কুঁচকানো শর্ত মানতে না পারার ব্যর্থতায় রীতিমতো সংকুচিত হয়ে পড়লেও থাপ্পড় মারে মূলত আরেকটা ব্যাপার। নয়টা থেকে ছয়টা যে লোকটা কোথাও অভিনয় করে যায়, অন্যদের লিখে যাওয়া সাদাকালোর অক্ষরের মাঝে যে আবিষ্কার করতে চায় আজ এবং আগামী, অজস্র অগৌরব আর কুত্তার বাচ্চা থই থই করা রাস্তাঘাটে হাঁটাচলার অবসরে যে লক্ষ করে মানুষকে; দরজার ওপাশে একাকী লেখার টেবিলে একদিন সে আবিষ্কার করবেই একটি সত্যঃ উপন্যাস যে লিখতে চায়, পায়ের নিচে সমস্তটাই তার সংশয়, মাটি তার পদতলে অনবরত চমকায়।
কিন্তু প্রতিটি দিনকে অসুখী দিন জেনেও, হিমেল বাতাসের অনবরত ক্রসফায়ার থেকে মাথা বাঁচিয়ে, ইতিহাস আর বাস্তবতার এক-একটা চোরাগোপ্তা ফাউল হজম করে নিয়ে, আমি জানি, তৃপ্তি নয়, অহম নয়, উদ্বেগ নয়, রক্তের পেছনে খেলা করে যায় কেবল প্রশ্ন; অন্য কারো গল্পকে কি সুহান উপস্থাপন করতে পেরেছে নিজের মতো করে?
নতুন লেখকের বই কেনাটা সব সময়েই ঝুঁকির। সেই ঝুঁকি অগ্রাহ্য করে যারা ‘পদতলে চমকায় মাটি’ কিনবেন, যারা পড়বেন, যারা মেরে দেবেন বন্ধুর কাছ থেকে, অথবা যারা হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে রেখে দেবেন অন্য কোনো দিনের জন্যে; তাদের সবার জন্যে শুভকামনা।
Published on February 03, 2019 09:56
শুভকামনা রইলো। আরো আরো লিখবেন আশা করি।