Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Ahmed Sofa.
Showing 1-30 of 35
“একটি সমাজের সর্বাঙ্গীন গতির নাম রাজনীতি এবং সংস্কৃতি রাজনীতির রস-রক্ত, এই বোধে কোন রাজনৈতিক দল কিংবা লোকমান্য নেতার মন সিঞ্চিত হয়েছে, তেমন কোন দল বা ব্যক্তিত্বের নাম আজও জানা হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কৃতিবিমুখতা, কর্মীদের চেতনাহীনতা, সংস্কৃতি এবং রাজনীতিকে দু’টি আলাদা আলাদা ক্ষেত্র বলে চিহ্নিত করল। ফরাসি লেখক আলফাস দোঁদের একটি গল্পের কথা মনে পড়ছে। ফরাসিরা যুদ্ধে মার খেয়েছে, গল্পের নায়ক খুবই আশাহত হয়ে পড়েছে, আরেকজন তাঁকে উপদেশ দিচ্ছে ফরাসি সাহিত্য পড়ার। তার মানে ফরাসি সাহিত্যের মধ্যে এমন কিছু প্রাণদায়িনী উপকরণ রয়েছে, যার প্রভাবে নায়ক যুদ্ধে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারবে। পুরোপুরি না হোক, আংশিকভাবেও যদি আমাদের জাতি এই মনোভঙ্গি আয়ত্ত করতে না পারে, তাহলে বলতে হয় আমাদের বর্বর-দশা এখনও কাটেনি।”
― সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস
― সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস
“শিল্প-সাহিত্যে কেউ বাইরে থেকে ঘরে ফেরার সাধনা করে, কেউ ঘর থেকে বাইরে যাওয়ার, যার যতদূর যাত্রা হয়, ততদূর সফলতা।”
― বাঙালি মুসলমানের মন
― বাঙালি মুসলমানের মন
“মৌলবাদের প্রধান চরিত্র লক্ষণ হল যুক্তিহীন অন্ধবিশ্বাস। মৌলবাদ রোখার সবচাইতে বড় হাতিয়ার হল যুক্তিনিষ্ঠ চিন্তার চাষ করা। মানুষকে সংস্কৃতিবান এবং চিন্তাশীল করতে পারলেই মৌলবাদ বাধা দেয়ার সবচাইতে বড় কাজটি করা হয়।
আজকের দিনে দেশের যে সমস্ত কবি সাহিত্যিক দেশে-বিদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ড বক্তব্য রাখছেন, তাদের কথাবার্তার মধ্যে যুক্তিনিষ্ঠা এবং চিন্তাশীলতার অংশ কতটুকু? অজ্ঞ, নির্বোধ এবং নিরক্ষর মানুষের বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ করে, তাঁকে চেতিয়ে তুলেই মৌলবাদের বিরুদ্ধে বড় জঙ্গাটা করা হয় বলে মনে করেন তাদেরকে আমি সুস্থ মানুষ বলে মনে করিনে। হয়ত তাঁরা কপট নয়ত মূর্খ।”
― নিকট ও দূরের প্রসঙ্গ
আজকের দিনে দেশের যে সমস্ত কবি সাহিত্যিক দেশে-বিদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ড বক্তব্য রাখছেন, তাদের কথাবার্তার মধ্যে যুক্তিনিষ্ঠা এবং চিন্তাশীলতার অংশ কতটুকু? অজ্ঞ, নির্বোধ এবং নিরক্ষর মানুষের বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ করে, তাঁকে চেতিয়ে তুলেই মৌলবাদের বিরুদ্ধে বড় জঙ্গাটা করা হয় বলে মনে করেন তাদেরকে আমি সুস্থ মানুষ বলে মনে করিনে। হয়ত তাঁরা কপট নয়ত মূর্খ।”
― নিকট ও দূরের প্রসঙ্গ
“জ্বলন্ত আগুনে যে পোকারা ঝাঁপ দিয়ে মরে তাতে কি আগুনের অপরাধ আছে? কারণ পোকাদের ভাগ্যই আগুনে পুড়ে মরা।”
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
“পড়ার কাজটি অইল অন্যরকম। আপনে যখন মনে করলেন, কোনো বই পইড়্যা ফেলাইলেন, নিজেরে জিগাইবেন যে বইটা পড়ছেন, নিজের ভাষায় বইটা আবার লিখতে পারবেন কিনা। আপনের ভাষার জোর লেখকের মতো শক্তিশালী না অইতে পারে, আপনের শব্দভান্ডার সামান্য অইতে পারে, তথাপি যদি মনে মনে আসল জিনিসটা রিপ্রোডিউস না করবার পারেন, ধইর্যা নিবেন , আপনের পড়া অয় নাই।
-প্রফেসর আবদুর রাজ্জাক”
― যদ্যপি আমার গুরু
-প্রফেসর আবদুর রাজ্জাক”
― যদ্যপি আমার গুরু
“আমাদের শ্রদ্ধাভাজন বয়ােজ্যেষ্ঠরা যেভাবে আমাদের উপকার করতে চান আমরা পরবর্তী প্রজন্মের তরুণরা যেভাবে উপকৃত হতে চাই, তার মধ্যে বিস্তর ফারাক, সেদিন খুব ভালােভাবে বুঝতে পেরেছিলাম।”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“এই সবুজ উদ্ভিদের একটা যে আত্মা রয়েছে তার স্পর্শ আমার নিজের আত্মায় এসে লাগে। মুখে কোনো বাক্য আসতে চায় না। এখানে ঈশ্বরের এই প্রাচুর্যের পাশে স্তব্ধ হয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়।”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
“জীবনে আমরা যাদের সবচাইতে ভালবাসি, যারা আমাদের চলার পথ সুগম করে দেয়, সুদিনে আমরা তাদেরকেই ভুলে থাকি।”
― মরণ বিলাস
― মরণ বিলাস
“কোরবানির ঈদ আসন্ন। আমরা শিক্ষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বললাম, আপনারা এই ঈদে তো কোরবানি দেবেন। চামড়ার টাকাটা আমাদের দান করুন। আমরা বস্তির বাচ্চাদের জন্য একটা স্কুল বানাতে যাচ্ছি। সকলেই বললেন, তোমরা খুব ভালো কাজ করছ। এইসব অবহেলিত শিশুদের মধ্যে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে যাচ্ছ। এই প্রশংসা-বাক্য শুনেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হল। একজন ছাড়া কেউ কোরবানির চামড়া দিতে রাজি হলেন না। মাদ্রাসার হুজুরেরা প্রতি বছর চামড়ার টাকা নিতে আসেন, তাদের বঞ্চিত করা যাবে না। তর্ক করে লাভ নেই। মাদ্রাসার দাবি ঠেলে আমরা বস্তির শিশুদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারব না। আমরা তো আর ধর্ম শিক্ষা দিচ্ছিনে। আমরা নিজেরাও কেউ গোলটুপিঅলা হুজুর নই। আমাদের বাচ্চাদের স্কুলে দান করলে তো পরকালে পুণ্য সঞ্চয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই।”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
“প্রেম আবার কী? প্রেম কাকে বলে? মেনী বেড়ালের সঙ্গীনি খোঁজার চিৎকার যাকে ভদ্র ভাষার প্রেম বলা হয়।”
― গাভী বিত্তান্ত
― গাভী বিত্তান্ত
“বইয়ের দোকান পরখ করলেই বেবাক সমাজটা কোনদিকে যাইতাছে, হেইডা টের পাওন যায়”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“ভাই আবেদ, তুমি তো জানো বারো বছর মাস্টারি করলে মানুষ গাধা হয়ে যায়। আমার পঁচিশ বছর চলছে।”
― গাভী বিত্তান্ত
― গাভী বিত্তান্ত
“শিশুদের অনেকে আসমান কা টুকরা, জমিন কা ফুল, স্বর্গের দেবদূত কতকিছু বলে থাকেন। কিন্তু তারা যে কী পরিমাণ নিষ্ঠুর হতে পারে যার অভিজ্ঞতা হয়নি বুঝবে কেমন করে।”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
“যে ধরনের কাজে অমানুষিক মানসিক শ্রমের প্রয়ােজন হয়, সে ধরনের কাজ করার প্রেরণা আমাদের সমাজ থেকে সংগ্রহ করা একরকম অসম্ভব। এখানে একজন বড় কাজ করলে উৎসাহ দেয়ার জন্য কেউ এগিয়ে আসে না।”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“আমাদের দেশের সবচাইতে প্রাচীন এবং সবচাইতে সম্ভ্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি হাল আমলে এমন এক রণচন্ডী চেহারা নিয়েছে। এখানে ধনপ্রান নিয়ে বেঁচে থাকা মোটেই নিরাপদ নয়। এখানে যখন তখন মিছিলের গর্জন কানে ঝিম ধরিয়ে দেয়। দুই দলের বন্দুকযুদ্ধে যদি পুলিশ এসে পড়ে সেটা তখন তিন দলের বন্দুক যুদ্ধে পরিণত হয়। কোমলমতি বালকেরা যেভাবে চীনা কুড়াল দিয়ে অবলীলায় তাদের বন্ধুদের শরীর থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, সেই দক্ষতা ঠাঁটারি বাজারের পেশাদার কসাইদেরও আয়ত্ত করতে অনেক সময় লাগবে।”
― গাভী বিত্তান্ত
― গাভী বিত্তান্ত
“তুমি আমার কাছে অর্ধেক আনন্দ, অর্ধেক বেদনা। অর্ধেক কষ্ট, অর্ধেক সুখ। অর্ধেক নারী, অর্ধেক ঈশ্বরী।”
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
“সকলের দৃষ্টির অজান্তে এখানে একের অধিক হনন কারখানা বসেছে, কারা এন্তেজাম করে বসিয়েছেন সকলে বিশদ জানে। কিন্তু কেউ প্রকাশ করে না। ফুটন্ত গোলাপের মতো তাজা টগবগে তরুণেরা শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার পর হনন কারখানার ধারেকাছে বাস করতে করতে নিজেরাই বুঝতে পারেন না কখন যে তাঁরা হনন কারখানার কারিগরদের ইয়ার দোস্তে পরিণত হয়েছেন। তাই জাতির বিবেক বলে কথিত মহান শিক্ষকদের কারো কারো মুখমন্ডলের জলছবিতে খুনি খুনি ভাবটা যদি জেগে থাকে তাতে আঁতকে উঠার কোন কারণ নেই। এটা পরিবেশের প্রভাব। তুখোড় শীতের সময় সুঠাম শরীরের অধিকারী মানুষের হাত-পা গুলোও তো ফেটে যায়।”
― গাভী বিত্তান্ত
― গাভী বিত্তান্ত
“...তারপর আমি ইংরেজি বিভাগের ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হােসেন সম্পর্কে জানতে চেয়ে বললাম, স্যার, একটা সময়ে তাে সৈয়দ সাজ্জাদ হােসেন আপনার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সাজ্জাদ সাহেব সম্পর্কে আপনি কী চিন্তা করেন?
স্যার বললেন, সাজ্জাদরে আমি খুব পছন্দ করতাম। একবার য়ুনিভার্সিটিতে একটা প্রােভাইস চ্যান্সেলর অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিবার কথা অইল। ভাইস চ্যান্সেলর মাহমুদ হােসেন আমারে কইলেন, আপনে তিনটা নাম ঠিক করেন, আমি তিনটা নাম ঠিক করি। আমি যে লিষ্ট করছিলাম, তাতে সাজ্জাদের নাম আছিল দুই নম্বরে। পরে মাহমুদ হােসেনের লিস্টের সঙ্গে মিলাইয়া দেখলাম, তিনিও সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন। মাহমুদ হােসেন সাহেব আমারে জিগাইলেন, সাজ্জাদের ব্যাপারে আমার লগে আপনের মতামত মিইল্যা গেল। আপনে কী কারণে সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন? আমি কইলাম, পয়লা আপনের মতটা শুনি, তারপরে আমারটা কমু। মাহমুদ সাহেব কইলেন, সাজ্জাদ'স আদার কোয়ালিফিকেশনস আর অলরাইট। বাট হি ল্যাকস চ্যারিটি। যার মনে দয়া নাই তারে উপরে আনা ঠিক নয়। আমি কইলাম, আমিও সাজ্জাদের ব্যাপারে এটজ্যাকলি একই কথা চিন্তা করছিলাম। তারপর থেইক্যা সাজ্জাদের লগে আমার রিলেশন খারাপ অইয়া গেল। এখানে উল্লেখ করা বােধ করি অপ্রাসঙ্গিক হবে না, সৈয়দ সাজ্জাদ হােসেন সাহেব ইংরেজিতে যে আত্মজীবনী লিখেছেন, তাতে রাজ্জাক সাহেবের নামে অনেক নালিশ করেছেন।”
― যদ্যপি আমার গুরু
স্যার বললেন, সাজ্জাদরে আমি খুব পছন্দ করতাম। একবার য়ুনিভার্সিটিতে একটা প্রােভাইস চ্যান্সেলর অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিবার কথা অইল। ভাইস চ্যান্সেলর মাহমুদ হােসেন আমারে কইলেন, আপনে তিনটা নাম ঠিক করেন, আমি তিনটা নাম ঠিক করি। আমি যে লিষ্ট করছিলাম, তাতে সাজ্জাদের নাম আছিল দুই নম্বরে। পরে মাহমুদ হােসেনের লিস্টের সঙ্গে মিলাইয়া দেখলাম, তিনিও সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন। মাহমুদ হােসেন সাহেব আমারে জিগাইলেন, সাজ্জাদের ব্যাপারে আমার লগে আপনের মতামত মিইল্যা গেল। আপনে কী কারণে সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন? আমি কইলাম, পয়লা আপনের মতটা শুনি, তারপরে আমারটা কমু। মাহমুদ সাহেব কইলেন, সাজ্জাদ'স আদার কোয়ালিফিকেশনস আর অলরাইট। বাট হি ল্যাকস চ্যারিটি। যার মনে দয়া নাই তারে উপরে আনা ঠিক নয়। আমি কইলাম, আমিও সাজ্জাদের ব্যাপারে এটজ্যাকলি একই কথা চিন্তা করছিলাম। তারপর থেইক্যা সাজ্জাদের লগে আমার রিলেশন খারাপ অইয়া গেল। এখানে উল্লেখ করা বােধ করি অপ্রাসঙ্গিক হবে না, সৈয়দ সাজ্জাদ হােসেন সাহেব ইংরেজিতে যে আত্মজীবনী লিখেছেন, তাতে রাজ্জাক সাহেবের নামে অনেক নালিশ করেছেন।”
― যদ্যপি আমার গুরু
“সৃষ্টিশীল মানুষেরা সাধারণত বিপজ্জনক ধরনের হয়ে থাকেন। বাইরে তারা যতোই নিরীহ এবং অপরের প্রতি মনোযোগী হয়ে থাকুন না কেনো ভেতরে তাদের স্বেচ্ছাচারী হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। যেখানে আত্মপ্রকাশের বিষয়টি অপর সকল কিছুকে ছাপিয়ে ওঠে, সেখানে ব্যক্তিকে অনিবাৰ্যভাবে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে হয়। সৃষ্টিধর্মের নিয়ম ছাড়া বাইরের কোনো নিয়ম সেখানে ক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে না।”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“জীবন শিল্প নয়, কবিতা নয়। জীবনে যা ঘটে শিল্প এবং কবিতায় তা ঘটে না। জীবন জীবনই। জীবনের সঙ্গে অন্য কোনো কিছুর তুলনা চলে না এবং জীবন ভয়ানক নিষ্ঠুর। সমস্ত প্রতিশ্রুতি, সমস্ত প্রতিজ্ঞা, সমস্ত স্বপ্ন দুঃস্বপ্নের ওপারে জীবনের লীলাখেলা।”
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
“অজগরের শ্বাসের মধ্যে কোনো প্রাণী যখন পড়ে যায় এবং আস্তে আস্তে চরম সর্বনাশের দিকে ছুটতে থাকে, আমার রক্তের মধ্যেও সর্বনাশের সেরকম নেধাই এখন কাজ করতে আরম্ভ করেছে।”
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
― অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
“তিনি বললেন, প্রথমে লাইব্রেরিতে ঢুইক্যাই আপনার টপিকের কাছাকাছি যে বই পাওন যায় পয়লা একচোটে পইড়া ফেলাইবেন। তারপর একটা সময় আইব আপনে নিজেই খুঁইজা পাইবেন আপনার আগাইবার পথ।”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“শেকসপীয়র বলেছেন, ফ্যামিলিয়ারিটি ব্রীডস কনটেম্পট - অতিপরিচয়ে সুন্দর সম্পর্কও মলিন হয়ে যায় । প্রত্যহের পরুষ স্পর্শে অত্যন্ত হার্দ্য সম্পর্কের মধ্যেও ময়লা জমতে থাকে ।”
― যদ্যপি আমার গুরু
― যদ্যপি আমার গুরু
“কংক্রিটে বেড়ে ওঠা ফুল দেখে প্রাণে যে হিল্লোল জাগে,অন্য ফুলে তেমন হয়না কেন?”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
“মিছিল ভয়ংকর, আবার মিছিল সুন্দর। মিছিলে ধ্বনিত হয় ভাঙনের ধ্বংসনাদ, মিছিলে জাগে নবসৃষ্টির মহীয়ান সঙ্গীত।”
― ওঙ্কার
― ওঙ্কার
“আমি জীবনে মনে করার মতো কোন মহৎ কর্ম করিনি। রাজনীতির নেতৃত্ব দেইনি, সাহিত্যের সেনাপতিত্ব করিনি, পড়াশোনায় কখনো কৃতিত্বের পরিচয় রাখিনি।
এমন ফলবান প্রেম আমার জীবনে কোনদিন আসেনি যা আমার জীবনকে একটি স্থির বিন্দুতে দাঁড় করাতে পেরেছে। আমার গোটা জীবনটাই আমার কাছে একদম ফাঁকা এবং অর্থহীন মনে হয়। এ জীবনে আমি এমন কোন কাজ করিনি যা আমার নিষ্ফল জীবনের ঊষর মুহূর্তসমূহে একটি সান্ত্বনার স্নিগ্ধ প্রলেপ বুলিয়ে দিতে পারে। তবু আমি যখন পেছনের দিকে তাকাই, আমার স্মৃতিতে সেই ফলবান ক্ষেতের ছবিটি মূর্ত হয়ে ওঠে, প্রতিটি গাছ, প্রতিটি চারা, প্রতিটি লতা আলাদা করে শনাক্ত করতে পারি।”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
এমন ফলবান প্রেম আমার জীবনে কোনদিন আসেনি যা আমার জীবনকে একটি স্থির বিন্দুতে দাঁড় করাতে পেরেছে। আমার গোটা জীবনটাই আমার কাছে একদম ফাঁকা এবং অর্থহীন মনে হয়। এ জীবনে আমি এমন কোন কাজ করিনি যা আমার নিষ্ফল জীবনের ঊষর মুহূর্তসমূহে একটি সান্ত্বনার স্নিগ্ধ প্রলেপ বুলিয়ে দিতে পারে। তবু আমি যখন পেছনের দিকে তাকাই, আমার স্মৃতিতে সেই ফলবান ক্ষেতের ছবিটি মূর্ত হয়ে ওঠে, প্রতিটি গাছ, প্রতিটি চারা, প্রতিটি লতা আলাদা করে শনাক্ত করতে পারি।”
― পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ
“কোনও সমাজে কোনও বিশেষ বাক্তি যদি তার সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে না পারেন - তার জন্য সে বাক্তি ও সে সমাজ উভয়েই দোষী
--- (আহমেদ ছফা)”
―
--- (আহমেদ ছফা)”
―




