Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following Sunil Gangopadhyay.
Showing 1-30 of 73
“তোমাকে যখন দেখি, তার
চেয়ে বেশি দেখি
যখন দেখি না।
চড়ুই পাখিরা জানে
আমি কার প্রতিক্ষায় বসে আছি-
তুমি ব্যস্ত, তুমি একা, তুমি অন্তরাল ভালোবাসো!
সন্ন্যাসীর মতো হাহাকার করে উঠি-
দেখা দাও, দেখা দাও,
পরমুহূর্তেই ফের চোখ মুছি।
হেসে বলি,
তুমি যেখানেই যাও, আমি সঙ্গে আছি!”
―
চেয়ে বেশি দেখি
যখন দেখি না।
চড়ুই পাখিরা জানে
আমি কার প্রতিক্ষায় বসে আছি-
তুমি ব্যস্ত, তুমি একা, তুমি অন্তরাল ভালোবাসো!
সন্ন্যাসীর মতো হাহাকার করে উঠি-
দেখা দাও, দেখা দাও,
পরমুহূর্তেই ফের চোখ মুছি।
হেসে বলি,
তুমি যেখানেই যাও, আমি সঙ্গে আছি!”
―
“তারপর ওরা হাত ধরে চুপ করে বসে রইলো । আর কোনো কথা নেই, সমস্ত কথার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে । ওরা বসেই রইলো । ঘাট ক্রমশ নির্জন হয়ে আসছে । বাতাস বইছে বেশ জোরে । বজরাগুলো ও ফিরে যাচ্ছে । সবাই ঘরে ফিরছে । এই দুজনের যেন কোনো ঘরবাড়ি নেই, কথাও ফিরতে হবেনা । এরকম একটি অনন্তকালের দৃশ্য হয়ে ওরা বসেই থাকবে ।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“অন্ধকার শশ্বানে ভীরু ভয় পায়
সাধক সেখানে সিদ্ধি লাভ করে”
―
সাধক সেখানে সিদ্ধি লাভ করে”
―
“আত্মগোপন করতে গিয়ে কিছুদিন পর অনেকে আত্মপরিচয়টাই ভুলে যায়।”
― পূর্ব-পশ্চিম
― পূর্ব-পশ্চিম
“কৃতজ্ঞতা একটা বিষম বোঝা। অনেকেই সারাজীবন এ বোঝা বহনে অক্ষম। তাই এই বোঝা ঝেড়ে ফেলে উপকারী ব্যক্তির শত্রুতা করে তারা স্বস্তি বোধ করে।”
― Those Days | Sei Somoy
― Those Days | Sei Somoy
“অব্যাক্তকরণ
ধরো,
কাল তোমার পরীক্ষা
রাত থেকে পড়ার টেবিল-এ বসে আছ তুমি
ঘুম আসছে না আমার
হঠাত করে ভয়ার্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম
ভালোবাসো?
তুমি কি রাগ করবে?
নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছো
ক্ষুদার্ত , তৃষ্ণার্ত, পীড়িত,
খাওয়ার টেবিল-এ কিছুই তৈরী নাই,
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘর্মাক্ত আমি
তখন তোমার হাত ধরে যদি আমি বলি,
ভালোবাসো?
তুমি কি বিরক্ত হবে?
নাকি আমার হাতে আরেকটু চাপ দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
রাস্তা দিয়ে হাঁটছি দুজনে
মাথার উপর তপ্ত রোদ
বহন পাওয়া যাচ্ছেনা
এমনি সময় হঠাত দাড়িয়ে
পথরোধ করে যদি বলি
ভালোবাসো?
তুমি কি হাত দিয়ে সরিয়ে দিবে?
নাকি রাস্তার সব্বার দিকে তাকিয়ে
কাঁধে হাত দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
প্রচন্ড ঝড়ে উড়ে গেছে ঘরবাড়ি
আশ্রয় নেই, বিধাতার দান এই পৃথিবীতে,
বাস করছি দুজনে, চিন্তিত তুমি |
এসময় তোমার বুকে মাথা রেখে যদি বলি
ভালোবাসো?
তুমি সরিয়ে দিবে, নাকি আমার মাথার উপর তোমার
মাথা রেখে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
আমি নষ্ট হয়ে গেছি
সবাই ধিক্কার দিচ্ছে, তাড়িয়ে দিচ্ছে আমাকে
এমনি সময়ে তোমার দেখা
অশ্রু ফেলে দূর থেকে ডাক দিয়ে যদি বলি
ভালোবাসো?
আমায় অস্বিকার করবে?
নাকি আমার কাছে এসে মুখখা”
―
ধরো,
কাল তোমার পরীক্ষা
রাত থেকে পড়ার টেবিল-এ বসে আছ তুমি
ঘুম আসছে না আমার
হঠাত করে ভয়ার্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম
ভালোবাসো?
তুমি কি রাগ করবে?
নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছো
ক্ষুদার্ত , তৃষ্ণার্ত, পীড়িত,
খাওয়ার টেবিল-এ কিছুই তৈরী নাই,
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘর্মাক্ত আমি
তখন তোমার হাত ধরে যদি আমি বলি,
ভালোবাসো?
তুমি কি বিরক্ত হবে?
নাকি আমার হাতে আরেকটু চাপ দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
রাস্তা দিয়ে হাঁটছি দুজনে
মাথার উপর তপ্ত রোদ
বহন পাওয়া যাচ্ছেনা
এমনি সময় হঠাত দাড়িয়ে
পথরোধ করে যদি বলি
ভালোবাসো?
তুমি কি হাত দিয়ে সরিয়ে দিবে?
নাকি রাস্তার সব্বার দিকে তাকিয়ে
কাঁধে হাত দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
প্রচন্ড ঝড়ে উড়ে গেছে ঘরবাড়ি
আশ্রয় নেই, বিধাতার দান এই পৃথিবীতে,
বাস করছি দুজনে, চিন্তিত তুমি |
এসময় তোমার বুকে মাথা রেখে যদি বলি
ভালোবাসো?
তুমি সরিয়ে দিবে, নাকি আমার মাথার উপর তোমার
মাথা রেখে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি ...
ধরো,
আমি নষ্ট হয়ে গেছি
সবাই ধিক্কার দিচ্ছে, তাড়িয়ে দিচ্ছে আমাকে
এমনি সময়ে তোমার দেখা
অশ্রু ফেলে দূর থেকে ডাক দিয়ে যদি বলি
ভালোবাসো?
আমায় অস্বিকার করবে?
নাকি আমার কাছে এসে মুখখা”
―
“বাঙালিরা ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করে, ধর্মসংস্কারের ব্যাপারে কেউ কিছু বললেই গেল গেল রব তোলে, কিন্তু এই বাঙ্গালিরাই ব্যক্তি জীবনে ধর্মের প্রায় কোন নির্দেশই মানে না। সততা, পবিত্রতা, সেবা এই সব ব্যাপারে তারা প্রায় অধার্মিক। বাঙালিরা খুব পরের সমালোচনা করে, পরনিন্দা করে কিন্তু আত্মসমালোচনা করে না। বাইরে খুব উদার মত প্রচার করে, নিজের পরিবারের মধ্যে অতি রক্ষনশীল। খবরের কাগজে তর্জন গর্জন দেখলে মনে হবে খুব সাহসী, আসলে অত্যন্ত ভীরু।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“ঘটনার চেয়ে রটনার রূপ অনেক বেশী বিচিত্র এবং গতিবেগও প্রচন্ড”
― Those Days | Sei Somoy
― Those Days | Sei Somoy
“ইংরেজের এই ন্যায়বিচারের প্রতীক ঐ সুপ্রিম কোর্টের চূড়া। লোকে এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় ভক্তিভরে সেদিকে তাকায়। এখনো কেউ জানে না যে বিচার ব্যাবস্থার এই আড়ম্বর ইংরেজ জাতির একটি বিলাসিতা মাত্র। প্রয়োজনের সময় এইসব বিলাসিতা ছেঁটে ফেলতে তারা একটুও দ্বিধা করে না।”
― Those Days | Sei Somoy
― Those Days | Sei Somoy
“মানুষই মানুষকে বাঁচায়, মানুষই মানুষকে মারে। মানুষই হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, আবার মানুষই এই বিভেদের রেখা মুছে ফেলতেও পারে।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“পিতৃশ্রাদ্ধ করতে প্রতাপ শেষবার গিয়েছিলেন মালখানগরে। প্রতাপ শক্ত চরিত্রের মানুষ, সবাই তাকে তেজস্বী পুরুষ হিসেবে মানে, কিন্তু সেবার তিনি খুব কান্নাকাটি করেছিলেন। বাবার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সব যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেল, মাটি থেকে উপড়ে তোলা হলো এক বর্ধিষ্ণু বৃক্ষের শিকড়। পূর্ববাংলার এই নদীময় প্রান্তর, এই মিষ্টি বাতাস, খেজুর রসের স্বাদের মতন ভোর, ঠাকুমার গল্পের আমেজমাখা সন্ধ্যা, এসব আর দেখা হবে না। এরপর থেকে কলকাতায় ভাড়াটে বাড়ির অন্ধকার ঘুপচি ঘরে চির নির্বাসন।”
― পূর্ব-পশ্চিম
― পূর্ব-পশ্চিম
“বিশ্বাসে-শ্রদ্ধায়-ভক্তিতে কেউ যখন নিমগ্ন থাকে তখন তাকে দেখতে বড় ভালো লাগে। চোখ বুজে কেউ ধ্যান করছে,এই দৃশ্যটা দেখলে আমার এখনও শ্রদ্ধা হয়, সে যারই ধ্যান করুক না কেন।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“আমি এখনও কোনও পাখির ভাষা জানি না বটে, কিন্তু গাছের ভাষা জানি। একরকম দুরকম গাছ নয়, অনেকরকম গাছের। সুতরাং ইস্টিকুতুম পাখিটির সঙ্গে কথা বলবার জন্য আমি দেবদারু গাছকে অনুবাদক হবার জন্য অনুরোধ করি।
আমাদের সংলাপের মধ্যপথে পাশের রাধাচূড়া গাছটি হেসে ওঠে। হাসির কোনও অনুবাদ করবার দরকার হয় না, পাখিটি ও আমি একসঙ্গে বুঝি।
পাখিটি তখন জানাল্, যে খবর তুমি গোপনে চেয়েছিলে, তা সর্বজনীন হয়ে গেল। এমন অনুবাদের ভাষায় কথা কইতে গিয়ে আমি আগেও অনেকবার নিরাশ হয়েছি। যেমন, প্রিয় নারীর ভাষা বোঝা কত শক্ত। তার চেয়েও শক্ত তাকে আমার ভাষা বোঝানো। সেই নারী রাজপথকে মনে করে মশারি। আর দুঃখকে মনে করে সাঁতার। সেই জন্য আমি পাহাড় ও নদীর সাহায্য চেয়েছি। নদীর ভাষা নারীরা বোঝে, কিন্তু নদীমাত্রই বিশ্বাসঘাতক। নদীও নারীকে চাই। আমার কথা না জানিয়ে, নদী সেই নারীকে তার নিজস্ব আকাঙ্খার কাথা জানায়।
পাহাড়েরও পখ্খপাতিত্ব আছে। সে এক নারীর বদলে অন্য নারীর প্রতি উপমা বদল করে। যাকে আমি মরাল গ্রীবা বলেছি, তাকে সে মাধবীলতা বলে।
একমাত্র বিশ্বাস করা যায় রাত্রির আকাশকে। উদার উন্মুক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে। কিন্তু প্রকৃত নিঃসঙ্গ না হলে সেরকম আকাশ কেউ দেখতে পায় না কখনও।
তাই বলা হয় না, বলা হয় না, কিছুই বলা হয় না!”
― আমি কি বাঙালি?
আমাদের সংলাপের মধ্যপথে পাশের রাধাচূড়া গাছটি হেসে ওঠে। হাসির কোনও অনুবাদ করবার দরকার হয় না, পাখিটি ও আমি একসঙ্গে বুঝি।
পাখিটি তখন জানাল্, যে খবর তুমি গোপনে চেয়েছিলে, তা সর্বজনীন হয়ে গেল। এমন অনুবাদের ভাষায় কথা কইতে গিয়ে আমি আগেও অনেকবার নিরাশ হয়েছি। যেমন, প্রিয় নারীর ভাষা বোঝা কত শক্ত। তার চেয়েও শক্ত তাকে আমার ভাষা বোঝানো। সেই নারী রাজপথকে মনে করে মশারি। আর দুঃখকে মনে করে সাঁতার। সেই জন্য আমি পাহাড় ও নদীর সাহায্য চেয়েছি। নদীর ভাষা নারীরা বোঝে, কিন্তু নদীমাত্রই বিশ্বাসঘাতক। নদীও নারীকে চাই। আমার কথা না জানিয়ে, নদী সেই নারীকে তার নিজস্ব আকাঙ্খার কাথা জানায়।
পাহাড়েরও পখ্খপাতিত্ব আছে। সে এক নারীর বদলে অন্য নারীর প্রতি উপমা বদল করে। যাকে আমি মরাল গ্রীবা বলেছি, তাকে সে মাধবীলতা বলে।
একমাত্র বিশ্বাস করা যায় রাত্রির আকাশকে। উদার উন্মুক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে। কিন্তু প্রকৃত নিঃসঙ্গ না হলে সেরকম আকাশ কেউ দেখতে পায় না কখনও।
তাই বলা হয় না, বলা হয় না, কিছুই বলা হয় না!”
― আমি কি বাঙালি?
“অভিমান হল হৃদয়ের অতি গোপন প্রকোষ্ঠের ব্যাপার। যে কেউ সেখানে হাত ছোঁয়াতে পারেনা।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“যারা প্রথম কোনও সংস্কার ভাঙে, তাদের অনেক নিন্দাও সহ্য করতে হয়। যারা নতুন কোনও পথ দেখায়, তাদের তৈরি থাকতে হয় পথের অনেক বাধার জন্য। যারা মুক্তি অভিলাষী, তাদের খুলতে হয় অনেক বন্ধ দ্বার। আবার এ কথাও ঠিক, যারা পথিকৃৎ, তারা অত্যুৎসাহে কিছুটা বাড়াবাড়িও করে ফেলে, অনেক সময় তাদের স্বাধীন চেতনা ঔদ্ধত্যের মতন মনে হয়, প্রকট নতুনত্ব মনে হয় দৃষ্টিকটু।”
― প্রথম আলো ১
― প্রথম আলো ১
“সাহিত্য একটা তীব্র নেশা, রক্তের সঙ্গে মিশে যায়, যাকে একবার এই নেশা ধরে, তার আর অন্য কোনো গতি থাকে না। আবার এ কথাও হয়তো ঠিক, অনেক লেখুই এক এক সময় এই নেশা থেকে মুক্তি পেতে চায়! সাহিত্য সৃষ্টিতে খ্যাতি-কীর্তি-অর্থের সম্ভাবনা আছে বটে, কিন্তু তার জন্য লেখককে ভেতরে ভেতরে কত কষ্ট যে সহ্য করতে হয়! এক একসময় রক্ত ক্ষরণের মধ্যে মিশে যায় শব্দের বিষ, তা অন্যদের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।”
―
―
“প্রতি সন্ধ্যেবেলা
আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা
করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে
থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে”
― সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা
আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা
করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে
থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে”
― সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা
“প্রেমিকরা কখনও অভিজ্ঞ হয় না। অভিজ্ঞ লোকেরা প্রেমিক হতে পারে না।”
―
―
“There was a case in which a youth named Haragobinda, scion of the wealthy Basak family of Calcutta, was sentenced to life imprisonment for torturing and raping a minor girl called Kshetramoni. That a boy whose father owned lakhs worth of property could be serving a sentence for raping a poor village girl was unheard of! Girls like Kshetramoni had been bought and sold for twenty or thirty tankas only a few years ago. Natives respected this aspect of British rule”
― Those Days
― Those Days
“কোথায় লুকাবে মুখ কোন্ নিঃস্ব হৃদয় গভীরে
কোথায় মেলাবে তুমি দৃষ্টিভ্রান্ত বিক্ষত হৃদয়
যতবার তুমি চাও মেঘ ভাঙা রৌদ্রের বিভাস
সন্ধ্যার সন্ধানী হাত খুঁজে আনে রাত্রির সংশয়।”
― কবিতাসমগ্র ৪
কোথায় মেলাবে তুমি দৃষ্টিভ্রান্ত বিক্ষত হৃদয়
যতবার তুমি চাও মেঘ ভাঙা রৌদ্রের বিভাস
সন্ধ্যার সন্ধানী হাত খুঁজে আনে রাত্রির সংশয়।”
― কবিতাসমগ্র ৪
“মানুষ যা গড়তে পারে না, তা ভাঙে কেন?”
―
―
“এতগুলো শতাব্দী গড়িয়ে গেল, মানুষ তবু ছেলেমানুষ থেকে গেল
কিছুতেই বড় হতে চায় না
এখনো বুঝলো না যে "আকাশ" শব্দটার মানে
চট্টগ্রাম কিংবা বাঁকুড়া জেলার আকাশ নয়
মানুষ শব্দটাতে কোনো কাঁটাতারের বেড়া নেই
ঈশ্বর নামে কোনো বড়বাবু এই বিশ্বসংসার চালাচ্ছেন না
ধর্মগুলো সব রূপকথা
যারা সেই রূপকথায় বিভোর হয়ে থাকে
তারা প্রতিবেশীর উঠোনের ধুলোমাখা শিশুটির কান্না শুনতে পায় না
তারা গর্জন-বিলাসী, অনুভব করতে পারে না ঐকতান
কিছু কিছু মানুষ আমাদের সাবালক করার জন্য মাথা খুঁড়ে গেলেন
তাদের বড় বড় ছবি ঝোলানো হয়, আসলে গ্রাহ্য করে না কেউ
আয় কানাই, আয় কামাল, তোরা আয়
পৃথিবী ভর্তি বুড়ো-খোকাদের পাগলামি দেখে
আমরা একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে হাসাহাসি করি!”
― কবিতাসমগ্র ৩
কিছুতেই বড় হতে চায় না
এখনো বুঝলো না যে "আকাশ" শব্দটার মানে
চট্টগ্রাম কিংবা বাঁকুড়া জেলার আকাশ নয়
মানুষ শব্দটাতে কোনো কাঁটাতারের বেড়া নেই
ঈশ্বর নামে কোনো বড়বাবু এই বিশ্বসংসার চালাচ্ছেন না
ধর্মগুলো সব রূপকথা
যারা সেই রূপকথায় বিভোর হয়ে থাকে
তারা প্রতিবেশীর উঠোনের ধুলোমাখা শিশুটির কান্না শুনতে পায় না
তারা গর্জন-বিলাসী, অনুভব করতে পারে না ঐকতান
কিছু কিছু মানুষ আমাদের সাবালক করার জন্য মাথা খুঁড়ে গেলেন
তাদের বড় বড় ছবি ঝোলানো হয়, আসলে গ্রাহ্য করে না কেউ
আয় কানাই, আয় কামাল, তোরা আয়
পৃথিবী ভর্তি বুড়ো-খোকাদের পাগলামি দেখে
আমরা একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে হাসাহাসি করি!”
― কবিতাসমগ্র ৩
“The lucky man loses his wife; the unlucky his horse. The old adage was justified for with the death of a wife, a new bride was brought into the house, together with a new dowry. But the death of a horse spelled financial loss and a gap in the stables.”
― Those Days
― Those Days
“আমার দৃঢ় ধারণা ওর ভগবান ওকে সেই অনুমতি দেবেন না। এই সব ভগবান টগবানেরা অত্যন্ত ঈর্ষাপরায়ণ হয়।”
― ছবির দেশে, কবিতার দেশে
― ছবির দেশে, কবিতার দেশে
“সামনে দিগন্ত কিংবা অনন্ত থাকার কথা ছিল
অথচ কিছুটা গিয়ে
দেখি কানাগলি
ঘরের ভিতরে কিছু গোপন ও প্রিয়
স্মৃতিচিহ্ন থেকে যাওয়া
উচিত ছিল না?
নেই, এই দুঃখ আমি কার কাছে বলি!”
― কবিতাসমগ্র ২
অথচ কিছুটা গিয়ে
দেখি কানাগলি
ঘরের ভিতরে কিছু গোপন ও প্রিয়
স্মৃতিচিহ্ন থেকে যাওয়া
উচিত ছিল না?
নেই, এই দুঃখ আমি কার কাছে বলি!”
― কবিতাসমগ্র ২
“was first shocked, then enraged at her negligence of him. ‘Wait and see, you bitch,’ he snarled from time to time. ‘Just let me get back on my feet. I’ll get me another wife.”
― Those Days
― Those Days
“இப்படித்தான் காலம் கழிகிறது. மற்ற மனிதர்களை மலர்ந்த முகத்துடன் பார்த்து அவர்களும் அவ்வாறே என்னைப் பார்க்கவேண்டும் என்று நினைக்கிறேன். ஆனால் பெரும்பாலானோரின் முகத்தில் உணர்ச்சியே இல்லை. வானம் நிர்மலமாக இருக்கும் போது எல்லா மனிதர்களின் முகத்திலும் நீல நிழல் படிகிறது. அப்போது அறிமுகமில்லாதவர்களைக்கூட “நீங்க எப்படி இருக்கீங்க?” என்று கேட்கத் தோன்றுகின்றது. ஆனால் எல்லோரும் கேள்வி கேட்கத் தயார், பதில் சொல்லத் தயாரில்லை. இதுவரை எத்தனையோ பேர் என்னை “எப்படி இருக்கீங்க?” என்று கேட்டிருக்கிறார்கள். ஆனால் என் பதிலுக்காக யாரும் ஒரு நிமிடம்கூடக் காத்திருந்ததில்லை. நான் சொல்ல விரும்புகிறேன், “நீங்க நல்லாயிருந்தா, நானும் நல்லாயிருக்கிறேன்.”
― আত্মপ্রকাশ
― আত্মপ্রকাশ
“প্রতি সন্ধ্যেবেলা
আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা
করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে
থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে”
― সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা
আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা
করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে
থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে”
― সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা

”



