352 books
—
679 voters
“অন্য সব প্রাণীর মত মানুষেরও প্রাথমিক চাহিদা খাদ্য, বাসস্থান আর বংশবৃদ্ধি। কিন্তু চতুর্থ আর একটা কারণের জন্য মানুষ অন্যদের থেকে আলাদা হয়েছে- জিজ্ঞাসা। চাঁদ পৃথিবী থেকে কতটা দূরে তা নিয়ে বাঘের কোন মাথাব্যাথা নেই। প্রজাপতি বা গণ্ডার কোনদিন অভিকর্ষ নিয়ে চিন্তা করেছে বলে জানা যায় না। কিন্তু মানুষ করেছে। বনে কেন আগুন লাগে, চাকা কেন গড়ায়, পাখি কেন ওড়ে, মাছ কেন জলে থাকে ইত্যাদি নানা জিজ্ঞাসা চিরটাকাল মানুষকে জ্বালিয়ে এসেছে, আরও কত জ্বালাবে কে জানে?
মানুষ এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চেয়েছে, বেশ কিছু খুঁজেও পেয়েছে, আর পেয়ে নিজেকে মোটামুটি জ্ঞানী বলেই মনে করে; যদিও এই বিশ্বের শতকরা ৯৬ ভাগই তাঁর অজানা। তাই সেই জিজ্ঞাসার শেষ আজও হয় নি।
আমাদের স্কুল- কলেজ আর সাধারণ জ্ঞান বইগুলো বেশ মজার। তাঁরা আমাদের এই জিজ্ঞাসার উত্তর দিতে চেষ্টা করে, এবং অনেক ক্ষেত্রেই ভুল উত্তর দেয়। আর আমরাও ছাপার অক্ষর পরম ব্রহ্ম মেনে তাঁদের ধ্রুবসত্য হিসেবে মেনে চলি।”
― মগজাস্ত্র
মানুষ এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চেয়েছে, বেশ কিছু খুঁজেও পেয়েছে, আর পেয়ে নিজেকে মোটামুটি জ্ঞানী বলেই মনে করে; যদিও এই বিশ্বের শতকরা ৯৬ ভাগই তাঁর অজানা। তাই সেই জিজ্ঞাসার শেষ আজও হয় নি।
আমাদের স্কুল- কলেজ আর সাধারণ জ্ঞান বইগুলো বেশ মজার। তাঁরা আমাদের এই জিজ্ঞাসার উত্তর দিতে চেষ্টা করে, এবং অনেক ক্ষেত্রেই ভুল উত্তর দেয়। আর আমরাও ছাপার অক্ষর পরম ব্রহ্ম মেনে তাঁদের ধ্রুবসত্য হিসেবে মেনে চলি।”
― মগজাস্ত্র
“পুবে সবে আলো ফুটেছে। পূবের পাহাড়টার জন্যে আলো পৌঁছতে একটু দেরি হয় উপত্যকাতে। আলো এসে পৌঁছতেই ভোঁর ঘাসের মাঠের উপর রাতভর জমা শিশিরে লক্ষ লক্ষ হীরে ঝিকমিক করে। লাল সাদা ফুল এসেছে ঘাসগুলোতে। ঘাসের মাঠের আঁচল ঘিরে ধরা বা চোরকাঁটার বর্ডার। তারপরই গহীন জঙ্গল।
চারদিকে সাজা, শাল, ধাওয়া, বহে, কাসসী কুহমী, বেল, চাঁর, জামুন, পলাশ ইত্যাদি নানা গাছগাছালি। শালই বেশি। সোজা, সবুজের পতাকার মতো উঠে গেছে নীল অকলঙ্ক আকাশে। সাজা গাছের আর এক নাম সাজ। গোঁদ-বায়গারা পুজো করে ওই গাছ। শালকে, যেমন করে ওঁরাও-সাঁওতালরা। ধাওয়া হচ্ছে গদ-এর গাছ। আঠা হয় এ গাছ থেকে। বহেড়া গাছগুলো বিরাট বিরাট। শখ করে খায় হরিণ ওদের ফল। কাসসী গাছের কদর গরুর গাড়ির চাকা বানাতে। বড় শক্ত কাঠ এ। কুহমি অনেকটা বেলের মতো। চাঁর গাছও মস্ত মস্ত হয়। চমৎকার ছায়া দেয় এ গাছ। চিরাঞ্জীদানাও বলে, অনেকে এর ফলকে। ফুল ফোটে সাদা সাদা মিষ্টি গন্ধর, ফাল্গুন চৈত্রে। চার-এর ফল ধরে বৈশাখের শেষে বা জ্যৈষ্ঠেতে। মিষ্টি ফল। জামুনও, বড় ও ছোট অনেক আছে হাটচান্দ্রার আশে পাশের জঙ্গলে। গরমের শেষে আষাঢ় শ্রাবণে পাকে। পলাশ। পলাশ গাছে গাছে গরমের শুরুতে ফুল যেমন লালে লাল করে দেয় দিগন্ত, তেমন সে গাছের গুটি পোকা থেকেই লাক্ষা সংগ্রহ করে আদিবাসী ছেলেমেয়েরা। কারখানায় নিয়ে যায়। মেটিরিয়াল ম্যানেজার শর্মা পা ছড়িয়ে বসে সওদা করতে করতে অনেক কিছু দেখে। কোকিলের মতো কালো ও মধুরকণ্ঠী মেয়েগুলো জানে যে, শমার চোখ দুটি অসভ্য। ওরা এও জানে যে, বেশির ভাগ পুরুষের চোখই অসভ্য।”
―
চারদিকে সাজা, শাল, ধাওয়া, বহে, কাসসী কুহমী, বেল, চাঁর, জামুন, পলাশ ইত্যাদি নানা গাছগাছালি। শালই বেশি। সোজা, সবুজের পতাকার মতো উঠে গেছে নীল অকলঙ্ক আকাশে। সাজা গাছের আর এক নাম সাজ। গোঁদ-বায়গারা পুজো করে ওই গাছ। শালকে, যেমন করে ওঁরাও-সাঁওতালরা। ধাওয়া হচ্ছে গদ-এর গাছ। আঠা হয় এ গাছ থেকে। বহেড়া গাছগুলো বিরাট বিরাট। শখ করে খায় হরিণ ওদের ফল। কাসসী গাছের কদর গরুর গাড়ির চাকা বানাতে। বড় শক্ত কাঠ এ। কুহমি অনেকটা বেলের মতো। চাঁর গাছও মস্ত মস্ত হয়। চমৎকার ছায়া দেয় এ গাছ। চিরাঞ্জীদানাও বলে, অনেকে এর ফলকে। ফুল ফোটে সাদা সাদা মিষ্টি গন্ধর, ফাল্গুন চৈত্রে। চার-এর ফল ধরে বৈশাখের শেষে বা জ্যৈষ্ঠেতে। মিষ্টি ফল। জামুনও, বড় ও ছোট অনেক আছে হাটচান্দ্রার আশে পাশের জঙ্গলে। গরমের শেষে আষাঢ় শ্রাবণে পাকে। পলাশ। পলাশ গাছে গাছে গরমের শুরুতে ফুল যেমন লালে লাল করে দেয় দিগন্ত, তেমন সে গাছের গুটি পোকা থেকেই লাক্ষা সংগ্রহ করে আদিবাসী ছেলেমেয়েরা। কারখানায় নিয়ে যায়। মেটিরিয়াল ম্যানেজার শর্মা পা ছড়িয়ে বসে সওদা করতে করতে অনেক কিছু দেখে। কোকিলের মতো কালো ও মধুরকণ্ঠী মেয়েগুলো জানে যে, শমার চোখ দুটি অসভ্য। ওরা এও জানে যে, বেশির ভাগ পুরুষের চোখই অসভ্য।”
―
“যা পেয়েছি প্রথম দিনে সেই যেন পাই শেষে,
দু হাত দিয়ে বিশ্বেরে ছুঁই শিশুর মতো হেসে॥
যাবার বেলা সহজেরে
যাই যেন মোর প্রণাম সেরে,
সকল পন্থা যেথায় মেলে সেথা দাঁড়াই এসে॥
খুঁজতে যারে হয় না কোথাও চোখ যেন তায় দেখে,
সদাই যে রয় কাছে তারি পরশ যেন ঠেকে।
নিত্য যাহার থাকি কোলে
তারেই যেন যাই গো ব’লে—
এই জীবনে ধন্য হলেম তোমায় ভালোবেসে॥”
―
দু হাত দিয়ে বিশ্বেরে ছুঁই শিশুর মতো হেসে॥
যাবার বেলা সহজেরে
যাই যেন মোর প্রণাম সেরে,
সকল পন্থা যেথায় মেলে সেথা দাঁড়াই এসে॥
খুঁজতে যারে হয় না কোথাও চোখ যেন তায় দেখে,
সদাই যে রয় কাছে তারি পরশ যেন ঠেকে।
নিত্য যাহার থাকি কোলে
তারেই যেন যাই গো ব’লে—
এই জীবনে ধন্য হলেম তোমায় ভালোবেসে॥”
―
“শয়তানের সবচেয়ে বড় শয়তানি, সে মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছে শয়তান অলীক, অবাস্তব।”
― অগ্নিনিরয়
― অগ্নিনিরয়
“It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of Light, it was the season of Darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.”
―
―
Bengali (বাংলা) Literature Readers Club
— 225 members
— last activity Dec 21, 2020 12:31AM
If you read Bengali (বাংলা) literature, you can join the club :)
All About Books
— 3810 members
— last activity 2 hours, 2 min ago
We're here because we like reading and we like chatting about reading. But we are here especially because we strongly believe that reading is not just ...more
Around the World in 80 Books
— 31358 members
— last activity 15 hours, 1 min ago
Reading takes you places. Where in the world will your next book take you? If you love world literature, translated works, travel writing, or explorin ...more
Books & Boba
— 2811 members
— last activity May 25, 2026 04:49PM
This is a book club dedicated to books written by Asian and Asian American authors. We cover a wide range of genres including contemporary, historical ...more
2026 Reading Challenge
— 35276 members
— last activity 4 minutes ago
❗❗❗ AUTHORS BEWARE! ❗❗❗ Scammers are targeting authors using moderator profile names and spoofed email addresses, offering to promote books in this gr ...more
Mriganka’s 2025 Year in Books
Take a look at Mriganka’s Year in Books, including some fun facts about their reading.
More friends…
Favorite Genres
Polls voted on by Mriganka
Lists liked by Mriganka



























































